অপরাধ বিচিত্রা রিপোর্ট ঃ
গত ৩০-০৯-২০১৬ইং তাং রাত আনুমানিক ০৩ টায় সাংবাদিক খুশী কামালের বাড়ীতে র্যাব ১১-এর কুমিল্লার অফিস থেকে একটি দল অভিযান চালায় যে খুশী কামালের স্বামী, কামালের কাছে অস্ত্র আছে। কিন্তু দুঃখের বিষয় সাংবাদিক খুশী কামালের ঘরে র্যাব ১১-এর সি.পি. সি-২ কুমিল্লার শাকতলা অফিস থেকে আসা ১৫-২০ জনের দলটি প্রায় তিন ঘন্টা অভিযান চালায় অভিযান চালিয়ে খুশী কামালের ঘরে কিছু পায়নি কিন্তু প্রচন্ড মারধর করে আধ মরা বানায় কামালকে।
যে অন্ত্রটির জন্য সাংবাদিক খুশী কামালের ঘরে অভিযান চালায় মূলত সেই অস্ত্রটির মালিক সোলাইমান, পিতাঃ আব্দুর রশিদ ওরফে রশু মিয়া। গ্রামঃ গাছবাড়ীয়া, থানাঃ চৌদ্দগ্রাম, জেলাঃ কুমিল্লা। সোলাইমান দুবাই প্রবাসি, সে বর্তমান ১৬ সালের ইউনিয়ন পরিষদের নির্বাচনে কেন্দ্র দখল করে তারই বাড়ীর ছেলে দেলোয়ারকে মেম্বর বানানোর জন্য দেশে আসে আর দেশে এসে, প্রথমে একটা হোন্ডা কিনে এবং তার অবৈধ পিস্তল নিয়ে তান্ডব শুরু করে।
আর সোলাইমানের এই অস্ত্র অনেককে বহন করতে দেয় তার ভিতরে কামাল একজন, কামাল সোলাইমানের বংশীয় চাচা বাতিজা, বাতিজা নির্বাচন কালিন প্রতিদিন হোন্ডা নিয়ে এসে কামাল কে কামালের বাড়ী থেকে নিয়ে যেতো এবং অবৈধ অস্ত্র ধরিয়ে দিতো, সোলাইমান গাছবাড়ীয়ার কেন্দ্র দখল করতে সক্ষম হয়। নিরহ ভোটারদের কেন্দ্র আসতে দেয়না, এদিকে দেলোয়ার সহ অন্যরা নিজে নিজে সিল মেরে ব্যালট দিয়ে বাক্স পুড়ায়। গ্রামে নিরহ মানুষ গুলো যখন জানতে পারল দুটি রাস্তার মাঝখানে অস্ত্রনিয়ে সোলাইমান সন্ত্রাস, এবং তার দলের অন্যরা অবস্থান করে আছে, ঘর থেকে ও তারা বেড় হওয়ার সাহস পায়নি। এভাবেই নির্বাচন তান্ডব চালিয়ে মেম্বর বানায় দোলোয়ারকে যে এখন ছোট বড় সকলের কাছে ফকসি ভোটে মেম্বর বলে পরিচিত। আর নির্বাচনের সময় সোলাইমানের অস্ত্র কামাল বহন করার কারনে কামালের শত্রু পক্ষ র্যাবকে তথ্য দেয়, আর এই শত্রু পক্ষ কে বা কাহারা তা নিয়ে থাকবে আগামী সংখায়।
আনোয়ারকে র্যাব যে ভাবে গ্রেফতার করে ঃ
সাংবাদিক খুশী কামালের পরিবারে র্যাব ১১-এর দলটি যখন অভিযান চালয় এবং কামালকে কঠিন মারধর করে, তখন খুশী কামাল জানায় আপনারা আমার স্বামিকে যে অস্ত্রের জন্য মারছেন সে অস্ত্র আমার স্বামীর নয় ওটা সোলাইমানের। সোলাইমানের অস্ত্র সোলাইমান নিয়ে গিয়াছে নির্বাচনের সময় কদিন কামালের কাছে ছিল, আমি দেখেছি এরপরে আমার স্বামিকে অকথ্য ভাষায় গালাগালি করি। এবং জানতে চাই এ অবৈধ অস্ত্র কার কেন তুমি আনছ আমি যেন আর কখনো তোমার হাতে না দেখি, এরপরে কামাল সোলাইমানের অস্ত্র সোলাইমানকে দিয়ে দেয়। এ কথা বলার পরে র্যাব কামালকে নিয়ে সোলাইমানের বাড়ীতে যায় এবং ঘরে অভিযান চালায়। অভিযান চালিয়ে যখন র্যাব অস্ত্র না পায় তখন র্যাব সোলাইমানের ছোট ভাই আনোয়ারকে নিয়ে যায়, তার কারন হলো সোলাইমান না পেয়ে, আর একটা কারণ হলো, অস্ত্রটার কথা সোলাইমানের ছোট ভাই আনোর জানে, কেননা অস্ত্রটা কামালের কাছে থাকা কালিন আনোয়ার দুইবার কামলের কাছে আসছে নেওয়ার জন্য, রশু দুই দিন আসছে রশু এ কথাকে এখন বলে বেড়ায় আমি এমনিতে গিয়াছি কামালের কাছে, কিন্তু আমি খুশী কামাল বিয়ের ১২বছররে একদিন ও দেখিনি রশুকে কামালের কাছে আসতে।
নিশ্চিত হয়েছে র্যাব অস্ত্র সোলাইমানের ঃ
আনোয়ারকে যখন র্যাবের দলটি গ্রেফতার করে। সাথে সাথে দুবাই সোলাইমানের কাছে আনোয়ারকে দিয়ে ফোন দিয়ে আনোয়ার বলে ভাই জিনিস এটা কই সোলাইমান আনোয়ারকে জানায় তোর দরকার কি? আনোয়ার জানায় দরকার আছে। সোলাইমান জানায় আছে একজনার কাছে তবে কামালের কাছে নাই এটা শুনে র্যাব নিশ্চিত হয়ে যায় অস্ত্রটা কামালের কাছে নাই এবং অস্ত্রটা কামালের না। এছাড়া ও র্যাবের কাছে আনোয়ার স্বিকার করেছে কামাল কাকার কাছ থেকে সোলাইমান অস্ত্র নিয়ে গেছে।
র্যাব যেটা জানিয়েছে ঃ
কামাল ও আনোয়ারকে নিয়ে যখন র্যাবের দলটি তাদের কুমিল্লা অফিসে পৌছায়। তার পর খুশী কামাল র্যাবের সরকারি নাম্বরে ফোন দিয়ে এসআই, নাছির কাছ থেকে নিশ্চিত হয়, কামাল তাদের কাছে হেফাযতে আছে। জেনে সাংবাদিক খুশী কামাল ছুটে যায় র্যাবের অফিসে, সেখানে গিয়ে দেখা যায় রশুকে এবং খালেক মাষ্টারের ছেলে জলিলকে। জলিলের কাছে র্যাব জানতে চায় আনোয়ার আপনার কি হয়, বলল ভাতিজা এরপর পরই রশু মিয়াকে এবং খুশী কামালকে প্রশ্ন পর্ব। শুরুতে র্যাবের অফিসার ইসমাইল রশুকে প্রশ্ন করে আপনার ছেলে এবং কামালের রিলেশন কি? রশু মিয়া জানায় কোন রিলেশন নাই জায়গা জমি দন্ধ। এ কথা বলার সাথে সাথে খুশী কামাল বলে চাচা বাতিজা উনি আমার সম্পর্কে বাশুর এ কথা শুনে রশু মিয়া বলে হ্যা আমারা আগে পুরোনো বাড়ীতে ছিলাম এখন থাকিনা র্যাব ১১ রশুকে আরো জানায় মুরুব্বি অস্ত্রটা কামালের নয়, এবং কামালের কাছে নাই। এটা আমরা নিশ্চিত হয়ে গেছি অস্ত্রটা আপনাদের কাছে আছে ওটাকে দিয়ে দেন এতে আপনাদের পরিবারের ভালো হবে। রশু বলে আমি গ্রামের বিচার করি আমার ছেলে অস্ত্র নিয়ে চলবে, এ কথা শুনে র্যাব বলে মুরব্বি আপনি কিছু লুকাচ্ছেন এর পরে যখন দেখে কথা বলে ফসকে যেতে পারছে না। তখন রশু র্যাবের কাছে প্রতিশ্রুতি দেয় আমি অস্ত্রটা হেন্ড ওভার করার চেষ্টা করব অস্ত্রের কথা সত্য প্রমান পেলে পরে খালেক মাষ্টারের ছেলে আঃ জলিল এবার বলে আমার আপন ভাতিজা না, এসব কথোপো কথনের পরে কামালকে বুঝিয়ে দেয় তার স্ত্রীর কাছে এবং আনোয়ারকে বুঝিয়ে দেয় তার বাবা রশুর কাছে। কামালকে বাড়ী আনার পরে কামালের অন্য ভাইদের সাথে পরামর্শ করে কামালকে চিকিৎসা দেওয়ার জন্য প্রথমে চৌদ্দগ্রাম সরকারী হাসপাতালে নেওয়া হয়। চৌদ্দগ্রাম হাসপাতালের ডাঃ মামুন মেডিকেল অফিসার রেফার করে কুমিল্লা কুচাইতলী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠিয়ে দেয়। সেখানে ডাঃ তুহিন কামালের চিকিৎসা করেন।
রশুর পরিবার হুমকি দিচ্ছে সাংবাদিক পরিবারকে ঃ
র্যাবের অফিসের উপরোক্ত কথপো কথন গোপন রেখে এলাকায় বলে বেড়ায় আমার নিরর্দশ ছেলেটাকে শুধু শুধু ফাসিয়ে দিয়েছে কামাল রশুর বাড়ীর আবাদ ও বলে বেড়ায় আমার চাচাতো ভাইকে ফাসিয়ে দিয়েছে কামাল তার কঠিন বিচার হবে, রশুর বাড়ীর ফরিদ মিয়া খুশী কামালকে অকথ্য ভাষায় গালা গালি করে, এবং বলে চোতপারানীর ঠ্যাং দুটা ভেঙ্গে দিবো। আরো অনেক অকথ্য ভাষায় গালা গালি করে, খুশী কামালের দুটা ছেলে মেয়ে গাছবাড়ীয়া সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় পড়াশুনা করে। আর এ বিদ্যালয়ের অবস্থান রশু এবং ফরিদদের এলাকায় তাই খুশী কামাল এই সন্ত্রসী পরিবার থেকে হেফাজতে থাকার জন্য আইন শৃঙ্খলাবাহিনীর সাহায্য চায় যাতে করে সাংবাদিক পরিবারের কোন ক্ষতি না হয়। আগামী সংখ্যায় থাকবে আরো বিস্তারিত প্রতিবেদন।
