কুমিল্লা রেলওয়ে ষ্টেশন ভারতীয় মসলা ও অন্যান্য অবৈধ মালামাল আদান প্রদানের সেরা রাস্তা, সহযোগীতায় কুমিল্লা ষ্টেশনের ‘‘জিআরপি’’ পুলিশ

0
1223

ষ্টাফ রিপোর্টারঃ
কুমিল্লা রেলওয়ে ষ্টেশন এখন ভারতীয় চোরা কারবারীর মেইন ঘাঁটি হিসাবে পরিচিত লাভ করেছেন। ১৭-১০-২০১৬ ইং তারিখে কুমিল্লা থেকে নোয়াখালী গামী ডেমু ট্রেনে করে ২৩ বস্তা ভারতীয় মসলা কুমিল্লা রেলওয়ে ষ্টেশন থেকে নোয়াখালী রোডের বিভিন্ন জায়গায় পৌঁচানো হয় ভারতীয় মসলাসহ বিভিন্ন অবৈধ চোরা মালামাল, ভারত থেকে অবৈধ ভাবে প্রবেশ করা সব মালামালই বিভিন্ন জেলায় জেলায় পাঠানো হচ্ছে কুমিল্লা রেলওয়ে ষ্টেশন থেকে আর এই চোরা কারবারিদের প্রকাশ্যে সহযোগীতা করছেন কুমিল্লা রেলওয়ে ফাঁড়ির পুলিশ সদস্যগণ। সরেজমিনে দেখা যায়, কুমিল্লা ষ্টেশনের ৩ নং প্লাটফর্মে সারিবদ্ধ ভাবে সাজিয়ে রাখা হয়েছে ভারতীয় মসলা। এমন দৃশ্য চোখে পড়ার পর তথ্য নিতে নিতে দেখা যায় সয়ন ষ্টেশনের পুলিশ নিজেরাই এসব অবৈধ ব্যবসায়ীদের সহযোগীতা করছেন প্রতি বস্তা মালে মাত্র ১৫ থেকে ২০ টাকার বিনিময়ে। টাকা উঠাচিছলেন কুমিল্লা রেলওয়ে ষ্টেশনের পুলিশ ফাঁড়ির কনষ্টেবল নজরুল নামের একজন সাথে আরোও ২ জন কনষ্টেবল। টাকা উঠানোর কান্ডটি দেখে কনস্টেবল নজরুল কে জিজ্ঞাসা করা হলে নজরুল বলেন, এই টাকা সকল পুলিশ সদস্য ভাগ করে নেয় এবং উপরোস্থলের সকলেই এই টাকার ভাগ পায়। কনেস্টবল নজরুলের মখে এই কথা শুনার পরে কুমিল্লা ষ্টেশন পুলিশ ফাঁড়ির ইনচার্জ নজরুল সাহেব কে জিজ্ঞাসা করা হলে নজরুল ফোনে কোন কথা না বলে বলেন, আমার সাথে আপনি দেখা করেন। কুমিল্লা রেলওয়ে পুলিশ ফাঁড়ির ইনচার্জের মুখে এই কথা শুনার পর সন্তুুস জনক কোন কথা না পেয়ে কুমিল্লা র্যাব ১১ কে ফোন দেওয়া হলে র্যাবের সহযোগীতায় বিজিবির সহযোগীতা চাইলে বিজিবি বলে আমাদের ফোর্স কুমিল্লা শহরে আছে ষ্টেশন এসে এই মালগুলি আইনের আওতায় আনা হবে ততক্ষনে মালের বস্তাগুলো ডেমু ট্রেনে উঠিয়ে পেলেছে অবৈধ মালামাল পাচারকারীরা। এমনটি দেখে বিজিবি পৌঁচার আগেই ডেমু ট্রেনটি ছেড়ে চলে আসে। পরে চট্টগ্রাম জিআরপি পুলিশের এএসপিকে মুঠোফোনে এমন তথ্য দেওয়ার পর, এএসপি বলেন এই ব্যপারে সকল তথ্য পুলিশ সদস্যদের নাম দেওয়ার জন্য ও তিনি বলেন। ট্রেনটিতে করে কুমিল্লা থেকে লাকসাম আসার পথে দেখা যায় আরেক কনস্টেবল নূর নবী নামে যে নিরাপত্তার দায়িত্বে আছেন, নূর নবী কে জিজ্ঞাসা করা হলে নূর নবী বলেন, এই ট্রেন দিয়ে কত বড় বড় অফিসার আসা যাওয়া করে কারো কোন মাথা ব্যথা নাই অথচ আপনার কেন এই প্রশ্ন? এই কথা বলেই চলে যায় এবং ব্ল্যাকার কিছু মহিলার সাথে হাঁসি ঠাট্টায় মসগুল হয়ে পড়ে। এই যদি হয় রেলওয়ে পুলিশের কর্মকান্ড তাহলে সাধারন যাত্রীদের নিরাপত্তা ও তো বিক্রি হয়ে যাওয়ার সম্ভাবনা অবশ্য বুঝাই যায়। মাননীয় রেলপথ মন্ত্রী মহোদয়ের সু-দৃষ্টি কামনা করা হলো যেন রেলওয়ে তে কোন অনিয়ম ও বেআইনি কাজ না হতে পারে সেই দিকে খেয়াল রাখার ও অনুরোধ করা হলো।

Advertisement
Advertisement

মন্তব্য করুন

Please enter your comment!
Please enter your name here