হযরত বারা ইবনে আযিব (রা.) হতে বর্ণিত যে, নবী করীম সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম কুনূত পাঠ করতেন ফজর এবং মাগরিবের নামাযে। কুনূতে অভিসম্পাত করা হযরত আনাস (রা.) হতে বর্ণিত যে, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম। একমাস পর্যন্ত কুনূত পাঠ করেন। এতে তিনি কয়েকজন লোক কিংবা আরবের। কতিপয় গোত্রকে অভিসম্পাত করেন। আর তিনি এই কুনূত রুকুর পরে পাঠ করেন। অতঃপর তা ত্যাগ করেন। আর অন্য এক বর্ণনায় আছে যে, নবী করীম সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এক মাস যাবত কুনূত পাঠ করেন যাতে তিনি রিল, যাকওয়ান ও লিহয়ান গোত্রের উপর অভিসম্পাত করেন। কুনূত পাঠ না করা হযরত আনাস (রা.) হইতে বর্ণিত যে, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম কুনূত পড়িয়াছেন একমাস, যাতে তিনি আরবের গোত্রসমূহ হতে কোন গোত্রের উপর বদদোয়া করেছিলেন। অতঃপর তা পরিত্যাগ করেন। হযরত মালিক ইবনে আশজায়ী (রা.) হতে বর্ণিত। তিনি বলেন, আমি রাসূল- ল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-এর পিছনে নামায পড়েছি। তিনি কুনূত পড়েন নাই। আর আবূ বকর (রা.)-এর পিছনে নামায পড়েছি, তিনিও কুনূত পড়েন নাই। আর উমর (রা.) এর পিছনে নামায পড়েছি, তিনিও কুনূত পড়েন
নাই। উসমান (রা.)-এর পিছনে নামায পড়েছি, তিনিও কুনূত পড়েন নাহ। আর আলী (রা.)-এর পিছনে নামায পড়েছি, তিনিও কুনূত পড়েন নাই। তার পর বললেন, হে বৎস! ইহাই বিদ’আত (নতুন আবিষ্কৃত)।
