মহসিন সোহাগ : মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর নাম ভাঙ্গিয়ে প্লট, ফ্লাট , দেওয়ার কথা বলে একাধিক নিরীহ অসহায় লোকজন থেকে কয়েক কোটি টাকা প্রতারনা করে বলে একটি প্রতারিত চক্রের বিরুদ্ধে একাধিক গুরুতর অভিযোগ রয়েছে। মো সিরাজ উদ্দিন, পেশা সিএনজি চালক,উপজেলা হাতিয়া, প্লট রেজিষ্ট্রেশন বাবদ বছর খানেক আগে ওনার থেকে ৩২০০ টাকা নেওয়া হয়,সাইনবোর্ড বাবদ ৫০০ টাকা।মো আমিনুল হক উপজেলা হাতিয়া তিনি প্লট বাবদ প্রতারক চক্র কে হিসাব ছাড়া টাকা দেন,আমিনুলের ভাষ্যমতে শুধু প্লট এর আশায় ঢাকা হোটেলে থেকে খাবার খেয়ে খরচ হয়েছে প্রায় চার পাঁচ লাখ টাকা,এমনকি তাকে বলা হয়েছে প্রধানমন্ত্রীর সই এর অপেক্ষায় আছে তাও ১৪ মাস হলো, এর আগে বলেছে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী স্বাক্ষর বাকি। মো মুরাদ উদ্দিন উপজেলা হাতিয়া প্লট বাবদ মুরাদ উদ্দিন থেকে নেওয়া হয়ে ৩২০০ টাকা, মুরাদের ভাষ্যমতে প্রধানমন্ত্রীর অফিস থেকে প্লট দেবে বলে এই টাকা নেয়। মো ফরিদ উদ্দিন ফকিরাপুল ফুটপাতে নুডলস বিক্রি করেন বাড়ি হাতিয়া এই নিরীহ ব্যাবসায়ী থেকে ১৫০০০০টাকা নেন কয়েক ধাপে প্লট,গাড়ি দুটোই দিবে বলে, তাও আবার বছর প্রায় শেষ প্লট,গাড়ি, টাকা কিছুই পাননি।মো রাশেদ, হাতিয়া উপজেলা তাকে বিট্রিশ পিলারের ব্যবসায়ি সুযোগ ও প্লট এর লোভ দেখিয়ে ৮ লাখ টাকা নেয় এই প্রতারক চক্র, কিন্তু বছর শেষ প্লট এর নাম গন্ধ কিছু নেই। মো বাহার পেশা মাঝী, উপজেলা হাতিয়া, তিনি প্লট এর দরখাস্ত করেছেন প্রায় ১৬ মাস হয়ে যায় টাকা দিয়েছেন ৩০০০০আরো দেওয়ার কথা কিন্তু এখনো কোনো প্লট পায় নাই, ওনাকে বলা হয়েছে সব কাজ শেষ, চার কোম্পানির মিটিং এর পরে প্লট বুঝিয়ে দেওয়া হবে। এভাবেই নিরীহ মানুষের সাথে প্রতারনা করে যাচ্ছে এই চক্র মো আব্দুর রব,গফুর মিয়ার বাড়ি, ২৪০ গরম পানির গলি নিচতলা, ঢাকা। মো মোস্তফা, জমির মিয়ার বাড়ি, ২য় তলা ২৪৯ গরম পানির গলি ফকিরাপুল ঢাকা। এরপর সিটি সেন্টারে অফিস জামাল নামের আরেকজন,এই চক্রের তালিকা বিশাল। অনুসন্ধানে জানা যায় এই প্রতারনা চক্রের একজন হাশেম বাড়ি হাতিয়ায়,তার মুঠোফোন ফোন করা হলে হাশেমের স্ত্রী ফোন রিসিভ করেন এমনকি তিনি জানান তার স্বামী তিন মাসের বেশি নোয়াখালী জেলে আছেন, শুধু মাএ এই প্লট, ফ্ল্যাট এর চেকের মামলায়। কয়েক জন ভুক্তভোগির সাথে কথা হলে ওনারা বলেন এই প্রতারক চক্রের হাত অনেক লম্বা। আসলেই বাস্তবে আব্দুর রব ও মোস্তাফা এর কাছে ১৩/১১/২০২৩ তারিখে বস্তÍনিষ্ঠ সংবাদ প্রকাশের স্বার্থে বক্তব্য চাওয়া হলে থলের বিড়াল বেরিয়ে আসে, দেখা যায় প্রতারক চক্রের হয়ে লিগ্যাল নোটিশ পাঠায় নুর সাফিয়া নিতু এডভোকেট জজকোর্ট, ঢাকা। বিষয়টি নিয়ে অনুসন্ধান চলমান। আর এই প্রতারক চক্রের সদস্যদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়ার জন্য মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর হস্তক্ষেপ কামনা করছি, যেহেতু বিষয়টি খুবই স্পর্শ কাতর।

