জামাল উদ্দিন স্বপন ,(কুমিল্লা):-
চলতি বছর চৈত্রমাস থেকে বৃষ্টিপাত শুরু হয়। তবে বৈশাখ মাস থেকে ধারাবাহিকভাবে ভারী বর্ষণ শুরু হয় দেশ জুড়ে।এ বছর চৈত্রমাসের মাঝামাঝি আগাম কাল বৈশাখী ঝড়-বৃষ্টি আর দমকা বাতাসে পরিপক্ব হতে থাকা জমির বোরো ধান হুমকির মুখে পড়েছে। এত করে কৃষকদের কপালে চিন্তার ভাঁজ প্রসারিত হচ্ছে। গত পনেরো দিনে দু’একদিন পর মাঝারি বৃষ্টি আর দমকা বাতাস প্রবাহিত হয়। গত কয়দিন ধরে দুপুরের পর থেকে শুরু হওয়া দমকা বাতাস আর মাঝারি বৃষ্টি। দমকা বাতাসে মাঠে নুয়ে পড়ছে ধান। তলিয়ে যাচ্ছে ক্ষেতে জমে থাকা পানিতে। এভাবে আরো কিছু দিন বৃষ্টি অব্যাহত থাকলে উপজেলা লক্ষাধিক হেক্টর জমির বোরো ধানের মাঠে ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি হতে পারে বলে আশঙ্কা করছেন জেলার ৬০ হাজার কৃষক।
স্থানীয় কৃষকদের সাথে কথা বলে জানা যায়, গত কয়েকদিনের বৃষ্টি আর দমকা বাতাসে ধানের শীষগুলো নষ্ট হয়ে যাচ্ছে। এতে করে জমির সব ধান পরিপক্ব নাও হতে পারে। এছাড়াও যেগুলো কিছুটা পরিপক্ব হয়েছে সেগুলোও বাতাসে নুয়ে পরে পানির সাথে মিশে যাচ্ছে। মিশে যাওয়া ধানগুলো অপরিপক্বতার কারণে নষ্ট হয়ে যাবে দ্রুত। যার কারণে কৃষকরা তাদের কাক্সিক্ষত ফসল ঘরে তুলতে পারবেন না।
এদিকে জমিতে ভাঙ্গি ও মিষ্টি কুমড়ো, চিচিঙ্গা, ঢেড়স, চাল কুমড়া, বেগুন, মিষ্টি আলুসহ অন্যান্য সবজিগুলো ক্ষতিগ্রস্ত হয়।
এ বিষয়ে নাঙ্গলকোট কৃষি কর্মকর্তা সাইফুল ইসলাম জানান, বোরো ধানের মাঠে ক্ষয়ক্ষতির খবর শুনেছি। তবে ঝড়-বৃষ্টি যদি অব্যাহত থাকে তাহলে ক্ষতি হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে।
