মো. বিল্লাল হোসেন: কুমিল্লায় একটি মেডিসিন কমপ্লেক্সে ঔষধ প্রশাসন, র্যাব ও জেলা প্রশাসনের যৌথ অভিযানে দশটি ফার্মেসিকে ২ লাখ ৬০ হাজার টাকা জরিমানা করা হয় এ সময় তিনটি ফার্মেসি সিলগালা করেন ভ্রাম্যমান আদালত। ২৫ জুন (মঙ্গলবার) কুমিল্লা আলেখাচর বিশ্বরোড থেকে সদরে প্রবেশের সড়ক সংলগ্ন মেডিসিন কমপ্লেক্স বহুতল ভবনে সকাল থেকে দুপুর পর্যন্ত প্রায় চার ঘণ্টা যাবৎ অভিযান পরিচালনা করা হয়। ভ্রাম্যমান অভিযানে সিলগালা করা তিনটি ফার্মেসি হচ্ছে অপূর্ব ড্রাগ হাউজ, মনি মেডিকেল ও উজ্জ্বল মেডিকেল।
বিষয়টি অপরাধ বিচিত্রাকে নিশ্চিত করেছেন সিনিয়র সহকারী কমিশনার ও এক্সিকিউটিভ ম্যাজিস্ট্রেট ফাহমিদা আফরোজ।
ভ্রাম্যমান অভিযানে বিক্রয় নিষিদ্ধ ওষুধ সংরক্ষণ,প্রেসক্রিপশন ছাড়া এন্টিবায়োটিক বিক্রয়,মেয়াদোত্তীর্ণ ওষুধ বিক্রয়,ফিজিশিয়ান স্যাম্পল বিক্রয়,অধিক মূল্যে ওষুধ বিক্রয়সহ বিভিন্ন অপরাধের কারণে ১০ (দশ) টি ফার্মেসিকে সর্বমোট ২ লাখ ৬০ হাজার টাকা জরিমানাসহ ৩ (তিন) টি ফার্মেসি সিলগালা করেন ভ্রাম্যমাণ আদালতের পরিচালনাকারী সিনিয়র সহকারী কমিশনার ও এক্সিকিউটিভ ম্যাজিস্ট্রেট ফাহমিদা আফরোজ।
এ সময় আনুমানিক ৩ (তিন) লাখ টাকা পরিমান বিক্রয় ও সংরক্ষণ নিষিদ্ধ ঔষধ জব্দ ও ধ্বংস করা হয়। অভিযানে ঔষধ প্রশাসনের পক্ষে ভ্রাম্যমাণ আদালতে অভিযোগ দায়ের করেন ঔষধ তত্ত্বাবধায়ক মো. শাহজালাল ভূঁইয়া এবং ঔষধ পরিদর্শক কাজী মোহাম্মদ ফরহাদ। তাছাড়া অভিযানে র্যাবের টিমের নেতৃত্ব দেন এডিশনাল এস পি দীপক মজুমদার।
অভিযানকালে অন্যান্য ফার্মেসি সমূহে ফার্মাসিস্টের সার্বক্ষণিক উপস্থিতি নিশ্চিত করা,প্রেসক্রিপশন ছাড়া অ্যান্টিবায়োটিক ওষুধ বিক্রি না করা, আনরেজিস্টার্ড ও নকল-ভেজাল ওষুধ বিক্রি না করা, অ্যান্টিবায়োটিক ওষুধ বিক্রির রেজিস্টার্ড সংরক্ষণ করা ও সঠিক তাপমাত্রায় ঔষুধের সংরক্ষণ নিশ্চিতকরণে প্রয়োজনীয় দিক-নির্দেশনা ও পরামর্শ দেয়া হয়।

