রাজধানীর পাইকারি বাজারে একদিনের ব্যবধানে চিনির দাম বেড়েছে বস্তাপ্রতি ১২০ থেকে ১৭০ টাকা। তবে এর প্রভাব খুচরা বাজারে এখনো পড়েনি। প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, রাজধানীর পুরান ঢাকার মৌলভীবাজারে গত শনিবার ৫০ কেজি ওজনের প্রতি বস্তা চিনির দাম ছিল দুই হাজার ৫৩০ টাকা।
সরবরাহ সংকটের অজুহাতে রবিবার সকালে দুই হাজার ৬৫০ টাকায় এবং বিকালে দুই হাজার ৭০০ টাকায় তা বিক্রি হয়েছে। এ হিসাবে প্রতি কেজির দাম পড়ে ৫৪ টাকা। নাম প্রকাশ না করার শর্তে মৌলভীবাজারের সিটি গ্রুপের বিক্রয় কেন্দ্রের একজন কর্মকর্তা বলেন, ‘চিনির চাহিদা বেড়ে যাওয়ায় মিলগেটে হঠাৎ সরবরাহ জটলা বেঁধেছে। বর্তমানে এক ট্রাক চিনি খালাস করতে পাঁচদিন অপেক্ষা করতে হচ্ছে। এ কারণে দাম বাড়ছে।’ এ ব্যাপারে বাংলাদেশ চিনি ব্যবসায়ী সমিতির সহ-সভাপতি হাজি আবুল হাসেম বলেন, ‘বাংলাদেশ চিনি ও খাদ্য শিল্প করপোরেশন তাদের উৎপাদিত চিনির দাম কেজিপ্রতি ১০ টাকা দাম কমিয়েছে। বর্তমানে তা প্রতি কেজি ৫০ টাকায় বিক্রি করা হচ্ছে। আর বেসরকারি মিলগুলো প্রতি কেজি চিনি ৫০ টাকা ৫০ পয়সায় বিক্রি করছে। তবে মিলগুলোতে সরবরাহ জটলা থাকায় বর্তমানে তা আনতে কেজিপ্রতি ২-৩ টাকা খরচ বেশি পড়ছে।’ এ প্রসঙ্গে কথা বলার জন্য দেশের দুই প্রভাবশালী চিনি পরিশোধনকারী প্রতিষ্ঠান সিটি ও মেঘনা গ্রুপের সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের মোবাইল ফোনে একাধিকবার কল দেওয়া হলেও তারা ফোন রিসিভ করেননি। রাষ্ট্রায়ত্ত বিপণন সংস্থা ট্রেডিং করপোরেশন অব বাংলাদেশের (টিসিবি) তথ্য অনুযায়ী, গতকাল রাজধানীর খুচরা বাজারে প্রতি কেজি চিনি বিক্রি হয়েছে ৫৫-৬০ টাকায়।

