অর্থ আত্মসাৎ ও রাজাকারের পক্ষ অবলম্বনকারী কে এই ইউএনও আবদুল আওয়াল; দুদকের তদন্ত প্রয়োজন

0
1515

ময়মনসিংহ ঃ
দুর্নীতির বেড়াজালে আবদ্ধ কে এই ইউএনও সরকারী নিদের্শ অমান্য করে রাজাকারকে মুক্তিযোদ্ধা ভাতা প্রদান। রাজস্ব বৃদ্ধির নামে ব্যক্তি স্বার্থে অর্থ আত্মসাতের মহোৎসবে মেতে উঠেছে হালুয়াঘাটের সাবেক ও বর্তমান টাঙ্গাইল জেলার ভূয়াপুর উপজেলায় কর্মরত ইউএনও মোহাম্মদ আবদুল আওয়াল। তার বিরুদ্ধে একাধিক অভিযোগ প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয় থেকে শুরু করে দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক) সহ সরকারের বিভিন্ন দপ্তরে অভিযোগের পাহাড় জমে আছে। দুদকের তদন্ত প্রয়োজন মনে করেন ভূক্তভোগী জনসাধারণ।
জানা যায়, হালুয়াঘাট উপজেলার সাবেক ইউএনও আবদুল আওয়াল এর বিরুদ্ধে বিগত ৪ জুন ২০১৫ ইং তারিখে এবং ৭ জুন ২০১৫ ইং তারিখে মন্ত্রী স্থানীয় সরকার পল্লী উন্নয়ন ও  সমবায় মন্ত্রণালয় এবং সচিব স্থানীয় সরকার পল্লী উন্নয়ন ও  সমবায় মন্ত্রণালয়, বাংলাদেশ সচিবালয়, জেলা প্রশাসক, ময়মনসিংহ বরাবর (তৎকালীন) সহকারী প্রকৌশলী এবিএম শরীফুল আলম লিখিত অভিযোগ দায়ের করেন। অভিযোগে প্রকাশ গত ১২ জুলাই ২০০৪ সনের বাংলাদেশ সরকারের গেজেট অমান্য করে অবৈধ পন্থায় একক স্বাক্ষরে পৌরসভার তিনটি একাউন্ট হইতে পৌর প্রশাসক মোঃ আব্দুল আউয়াল ও আনোয়ারুল কবির লিটন (চঃ দা) অর্থ আত্মসাৎ করেন। উপজেলা নির্বাহী অফিসার আব্দুল আউয়াল হালুয়াঘাট পৌরসভার প্রশাসক হিসেবে নিয়োগ প্রাপ্তির পর হইতে একক স্বাক্ষরে পৌরসভার তহবিল পরিচালনা করেন। বিভিন্ন কাজের নামে এবং বিভিন্ন প্রকার কেনাকাটা সহ কাগজে কলমে বিভিন্ন প্রকার বিল প্রদানের নিমিত্তে অর্থ আত্মসাৎ করেন। ঐ সমন্ত বিল ভাউচারের সহকারী প্রকৌশলী কিংবা সচিবের কোন স্বাক্ষর নেই এবং কি ইঞ্জিনিয়ারিং ইষ্টিমেট ও নেই। অভিযোগে আরও প্রকাশ গত ৩১ মে পৌরসভার কক্ষে ঠিকাদারী তালিকাভুক্তির নথি পত্র নিয়ে পৌর প্রশাসক, সহকারী প্রকৌশলী শরীফুল আলমকে লাঞ্চিত করে এবং হুমকি প্রদান করে এই মর্মে হাড়গুড় ভেঙ্গে জেলখানায় পাঠানো হবে। অর্থ আত্মসাৎ, রাজাকারের পক্ষ অবলম্বনকারী, নারী কেলেঙ্ককারীর মত ঘটনা ও দুর্নীতির সংবাদ প্রকাশ হয়, গত ১৭ মে ও ০২ জুন তারিখে অপরাধ সংবাদ অনলাইন নিউজ পেপারে এবং ৯ জুন ২০১৫ইং দৈনিক তথ্যধারা পত্রিকায় বিতর্কিত ইউএনওর জামাত প্রীতি উপজেলা জুড়ে আলোচনার ঝড় সংবাদ প্রকাশিত হওয়ার পর। গত ১৬ই জুন ২০১৫ইং তারিখে  তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি আইন ২০০৬ এর ৫৭ (১) ধারা অনুযায়ী হালুয়াঘাট থানায় ২ জন কে বিবাদী করে ইউএনও আব্দুল আওয়াল বাদী হয়ে দৈনিক জনতা ও মানবজমিন হালুয়াঘাট প্রতিনিধির নামে একটি মামলা দায়ের করে, যাহার মামলা নং-১২/১২৮। অভিযোগ সূত্রে ঘটনার সূত্রপাত, জীবনের প্রথম ধাপেই তিনি ঘরে স্ত্রী থাকার পরও অন্য নারীদের প্রতি আসক্ত হওয়ার কারণে স্ত্রীর উপর চালায় নির্যাতন। প্রথম স্ত্রীর অনুমতি ব্যতিরকে তিনি আবার দ্বিতীয় বিবাহ বন্ধনে আবদ্ধ হন। যা বাংলাদেশ নিকাহ রেজিষ্ট্রারী আইনে সম্পূর্ণ নিষিদ্ধ। নেত্রকোনা জেলার আটপাড়া উপজেলার সাবেক উপজেলা মহিলা ভাইস চেয়ারম্যান জাকিয়া সুলতানার সাথে প্রেমের অভিনয় করে অবৈধ সম্পর্ক স্থাপনের চেষ্টায় লিপ্ত থাকে। কিন্তু জাকিয়া সুলতানা অপারগ হয়ে প্রশাসনের উর্দ্ধতন কর্তৃপক্ষের দাড়স্ত হয়। গত ৮ সেপ্টেম্বর ২০১৩ইং তারিখে জেলা প্রশাসক, নেত্রকোনা এবং ৬ অক্টোবর ২০১৩ইং তারিখে সচিব, জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয় বরাবরে অভিযোগ দায়ের করে। অভিযোগ সূত্রে আরো জানা যায়, উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা আব্দুল আওয়াল একজন চরিত্রহীন, লম্পট ও দুর্নীতিবাজ কর্মকর্তা, সে পারেনা এমন কোন কাজ নেই। বিবাহ বন্ধনে আবদ্ধ হওয়ার কিছুদিনের মধ্যেই নারী কেলেঙ্কারীর কারণে তার স্ত্রীর সহিত বাকবিন্ডতা দেখা দেয়। বিভিন্ন প্রকল্প ও টেন্ডার থেকে মাশুয়ারা আদায় ভ্রাম্যমান আদালতের নামে আটপাড়া উপজেলার বিভিন্ন বাজার থেকে লক্ষ লক্ষ টাকা চাঁদা আদায় করে। সে কোটি কোটি টাকা উপার্জন করে ধরাকে সড়াজ্ঞান মনে করে। আলবদর রাজাকার প্রধান জামায়াতের সাবেক আমীর যুদ্ধাপরাধী গোলাম আজমের ঘনিষ্ট আত্মীয়। উপজেলায় সরকারি বাসায় একাকী বসবাস করে এবং প্রায় সময়ে বিভিন্ন ধরনের মহিলা তাহার বাসায় আনাগোনা করতে দেখা যায়। প্রতি রাতে তার জুয়ারী ব্যবসায়িদেরকে নিয়ে উপজেলা ডাক বাংলা ভিআইপি ক্যাবিন দখল করে জুয়ার নেশায় আড্ডা জমান। তাহার কুপস্তাবের নজর থেকে বাদ পড়েনি তৎকালীন আটপাড়া উপজেলার শিক্ষা কর্মকর্তা মোছাঃ নাহিদা আক্তার। আব্দুল আওয়ালের কুপ্রস্তাবে রাজি না হওয়ায় নাহিদা আক্তারকে রাতারাতি অন্যত্র বদলি হয়ে চলে যেতে হয়েছে। তাহার কুপ্রস্তাবে উদ্ধর্তন বিভাগীয় কমিশনারের কাছে নালিশ করব বললেও ইউ এন  দম্ভক্তি করে বলেন বিভাগীয় কমিশনার কেন এমন কোন সচিবের ক্ষমতা নেয় আমার শাস্তি মূলক ব্যবস্থা বা বদলি করার। জনমনে প্রশ্ন জাগে তাহার খুটির জোড় কোথায়? গত ২৫ সেপ্টেম্বর ২০১৩ইং তারিখে নেত্রকোনা  অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক স্বাক্ষীগণের স্বাক্ষ্য গ্রহন করে এবং মীমাংসার জন্য প্রস্তাব দেয় এতে করে স্বাক্ষীগণের মানসিক বিপর্যয় ঘটে ও পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনার জন্য রাতের আধারে আব্দুল আওয়ালকে ময়মনসিংহ জেলার হালুয়াঘাট উপজেলায় বদলী করেন। উচ্চ পর্যায়ে তদন্ত পূর্বক তার দৃষ্টান্ত মূলক শাস্তির দাবী করেন মোছাঃ জাকিয়া সুলতানা। ঐ উপজেলায় চলে তার অবৈধ কাজকর্মের নানা গুণজন। সাংবাদিকদের সংবাদ প্রকাশ করা থেকে বিরত রাখেন ক্ষমতার অপব্যবহারের মাধ্যমে। আটপাড়ারার সাংবাদিকরা জানায়, আমরা যদি সংবাদ প্রকাশ করি তাহলে সরকারি কাজে বাধা এবং চাঁদাবাজির অভিযোগ এনে মামলা দায়ের করবেন বলে হুমকি প্রদান করেন। তার ভয়ে আমরা কেউ সংবাদ প্রকাশ করতে সাহস পাইনি। সবকিছুর পর তিনি একজন দুর্নীতিবাজ উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা। তার বিরুদ্ধে আটপাড়া উপজেলার সর্বসাধারণ বিচার দাবীতে মিছিল বের করে। শুরু হয় তদস্ত, রাতের আধারে আটপাড়া ছাড়েন, চরিত্রহীন, দুর্নীতিবাজ অর্থলোভী আব্দুল আওয়াল। আগমন ঘটে হালুয়াঘাট উপজেলায় এখানে শুরু হয় তার নতুন জীবন এখানেও তিনি প্রথমেই পরিচয় দেন তিনি একজন অবিবাহিত ব্যক্তি।
পরবর্তীতে শুনা যায় তার একের পর এক দুর্নীতির চিত্র। উপজেলায় একাধিক দায়িত্ব পালন করার সুবাদে যেমন, উপজেলা নির্বাহী অফিসার, পৌর প্রশাসক, ভূমি কর্মকর্তাসহ গুরুত্বপূর্ণ পদে থাকায় দুর্নীতির কড়াল গ্রাসে আদিপত্য বিস্তার করে। উপজেলাবাসী হতভাগ তাহার কৃতকর্মে। আব্দুল আওয়ালের কাছ থেকে সরকারি অফিসের এমন কোন দপ্তর নেই যেখানে দুর্নীতির কালো থাবা থেকে মুক্ত রয়েছে। নিয়োগ বাণিজ্য, অবৈধ উচ্ছেদ অভিযানের নামে সাধারণ ব্যবসায়ী, ইটভাটা, টি.আর, কাবিখা, অতিদরিদ্র্য কর্মসূচীসহ উন্নয়ন খাত থেকে বাদ পরেনি তার অর্থ আদায়। সম্প্রতি উপজেলার চিহ্নিত রাজাকারকে মুক্তিযোদ্ধার ভাতার টাকা প্রদান করে নতুন বিতর্কের জন্ম দিয়েছে। গত ১৯ এপ্রিল ২০১৫ইং তারিখে মুক্তিযোদ্ধা সংসদের সহকারী কমান্ডার আব্দুল ওয়াহাব বাদী হয়ে বিবাদী ১। মফিজ উদ্দিন, ২। উপজেলা নির্বাহী অফিসার, মোঃ আব্দুল আওয়াল, ৩। মোঃ আব্দুল আজিজ, সমাজ সেবা অফিস সহকারী, ৪। মোঃ নেছার উদ্দিন, সোনালী ব্যাংক কর্মচারী কে বিবাদী করে সরকারের বিভিন্ন দপ্তরে একাধিক অভিযোগ দায়ের করেন। আটপাড়া মুক্তিযোদ্ধা সংসদের ডেপুটি কমান্ডার রঞ্জিত সাহাকে ইউএনও কার্যালয়ে লঞ্চিত করে। ঘটনা স্থানীয় মুক্তিযোদ্ধাদের মাঝে প্রকাশিত হলে মুক্তিযোদ্ধারা ক্ষোভে ফেটে পড়ে। এবং অবস্থা বেগতিক দেখে তৎকালিন ডিসি আনিস মাহমুদের মাধ্যমে মাফ মুক্তি চেয়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রনে আনেন। আটপাড়া উপজেলার ব্যবসায়িদের নিকট থেকে ভ্রাম্যমান আদালতের নামে লক্ষ লক্ষ টাকা চাঁদা আদায় করে। হালুয়াঘাটে একই কায়দায় ভ্রাম্যমান আদালতের নামে কৃষকরা যাতে উৎপাদিত ফসলের নায্য মূল্য থেকে বঞ্চিত হয় সেই প্রায়াসে সম্প্রতি বিশিষ্ট ধান্য ব্যবসায়ী আব্দুস সালাম ও হাজী আব্দুর রফিক সহ অজ্ঞাত ৫০/৬০ জনের নামে দ্রুত বিচার আইনে হয়রানি মূলক একটি মিথ্যা মামলা দায়ের করে। অভিযুক্ত রাজাকারকে মুক্তিযোদ্ধা ভাতা দেওয়ায় সংবাদ প্রকাশ করার কারণে সাংবাদিকদের নামে গত ১৩ মে ২০১৫ইং তারিখে সরকারি কাজে বাধা এবং পঞ্চাশ হাজার টাকা চাঁদাবাজীর অভিযোগ এনে হালুয়াঘাট থানায় একটি মিথ্যা মামলা দায়ের করে। এ ঘটনায় উপজেলা নির্বাহী অফিসার আব্দুল আওয়াল এর সাথে যোগাযোগ করা হলে কথা বলতে নারাজ তিনি। ক্ষিপ্ত হয়ে সাংবাদিকদের কে হুমকি প্রদান করে বলেন “আপনাদেরকে দেখার আছে” “যা পাড়েন লেখেন গিয়ে” এর বেশি কিছু বলতে নারাজ তিনি। গত ৮ জুলাই ২০১৫ ইং তারিখে ঢাকা বিভাগীয় কমিশনারের এক আদেশে টাঙ্গাইল জেলার ভুয়াপুরে বদলি করেন বির্তকিত ইউএনও কে।
ভূঞাপুরে মোহাম্মদ আবদুল আওয়াল যোগদানের পর দুর্নীতির বেড়াজালে আবারো আবদ্ধ হয়ে পড়ে। গোবিন্দাসী গরুর হাট ইজারা না দিয়ে খাস কালেকশন এবং খাস কলেকাশনেও অনিয়মের অভিযোগ এনে উপজেলা চেয়ারম্যান মোঃ আব্দুল হালিম অ্যাডভোকেট ঢাকা বিভাগীয় কমিশনারের নিকট অভিযোগ করেন।
অভিযোগে জানাগেছে, দেশের দ্বিতীয় বৃহত্তম গোবিন্দাসী গরুর হাট ১৪২৩ বাংলা সনের জন্য যথারীতি দরপত্র আহ্বান করা হয়। দর বেশি হওয়ায় ১ম থেকে চতুর্থ দফা পর্যন্ত কোন ইজারাদার দরপত্রে অংশ গ্রহন করেননি। ফলে সরকারের পক্ষে ওই হাটে খাস কালেকশন করা হয়। পরে পঞ্চম, ষষ্ঠ ও সপ্তম পর্যায়ে যথারীতি স্থানীয় গোলাম মোস্তফা ও বাবলু মন্ডল তিনটি দরপত্র ক্রয় করে ইজারা গ্রহনের নিমিত্তে দাখিল করেন।
কিন্তু উপজেলা নির্বাহী অফিসার মোহাম্মদ আবদুল আওয়াল উপজেলা পরিষদ বা কমিটির সদস্যদের না জানিয়ে তিনটি দরপত্রই তিনি বাতিল বলে ঘোষণা করেন তার ব্যক্তি স্বার্থের কারণে। পরে স্থানীয় হুন্ডি ব্যবসায়ী লিটন মন্ডল খাসটোল আদায়ের উপর ১৩% বেশিতে ২ লাখ ৪০ হাজার টাকা হরে ২১ জুলাই থেকে ৮ সেপ্টেম্বর পর্যন্ত ১৪ টি হাটবারে খাস কালেকশনের মাধ্যমে টোল আদায়ের অনুমতি চেয়ে আবেদন করেন। আবেদনের প্রেক্ষিতে উপজেলা নির্বাহী অফিসার দরপত্র কমিটিকে না জানিয়ে স্বউদ্যোগে খাস কালেকশনের অনুমতি দিয়েছেন।
অভিযোগ রয়েছে, লিটন মন্ডলের আবেদনপত্রটির খসড়া ইউএনও মোহাম্মদ আবদুল আওয়াল নিজে লিখে দেন। উপজেলা চেয়ারম্যানের অভিযোগ (স্মারক নং-উপকা/ ভূঞা/টাং/৪-২/২০১৪/১৬৭ (৫) সূত্রে প্রকাশ, লিটন মন্ডলের চেয়ে প্রতিহাটে ৫ লাখ ৪২ হাজার ৮৭৫টাকা বেশি রাজস্ব দিয়ে মোঃ বাবলু মন্ডল ২১ জুলাই থেকে ১১ সেপ্টেম্বর পর্যন্ত ১৬টি হাট ৮৬ লাখ ৮৬ হাজার টাকায় এবং পরে ২৮ জুলাই থেকে ৮ সেপ্টেম্বর ১৪টি হাট ৭৬ লাখ ২৫০টাকা রাজস্ব দিয়ে খাসটোল আদায়ের অস্থায়ী অনুমতি চেয়ে ১০ লাখ টাকার পে-অর্ডার সংযুক্ত করে আবেদন করেছেন।
অথচ মোহাম্মদ আবদুল আওয়াল সরকারি রাজস্ব বৃদ্ধির বিষয়টি বিবেচনা না করে সম্পূর্ণ ব্যক্তিগত লাভবান হওয়ার উদ্দেশ্যে লিটন মন্ডলকে খাসটোল আদায়ের অস্থায়ী অনুমতি দিয়েছেন। এসব বিষয়াদি নিয়ে উপজেলা নির্বাহী অফিসারের অনিয়ম-দুর্নীতি তদন্ত করে শাস্তিমূলক ব্যবস্থা গ্রহনের জন্য গোবিন্দাসী ইউনিয়ন আওয়ামীলীগের সাধারণ সম্পাদক ও সাবেক চেয়ারম্যান বীর মুক্তিযোদ্ধা ইকরাম উদ্দিন তারা মৃধা ভূঞাপুর স্বাধীনতা কমপ্লেক্সে সম্প্রতি সংবাদ সম্মেলন করেছেন। বিষয়টি উপজেলা থেকে জেলা সদর পর্যন্ত ব্যাপক চাঞ্চল্যের সৃষ্টি করেছে।
উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান আব্দুল হালিম অ্যাডভোকেট জানান, দেশের দ্বিতীয় বৃহত্তম গরুর হাট গোবিন্দাসী হাট নিয়ে যে ধরণের কেলেঙ্কারী উপজেলা নির্বাহী অফিসার মোহাম্মদ আবদুল আওয়াল করেছেন তা শুধু ঘৃণার নয় শাস্তিযোগ্য অপরাধ। তার শাস্তি হওয়া উচিত বলে মনে করে ঢাকা বিভাগীয় কমিশনারের কাছে তিনি লিখিত অভিযোগ দিয়েছেন।
উপজেলা নির্বাহী অফিসার মোহাম্মদ আবদুল আওয়াল সাংবাদিকদের জানান, নিজের অপরাধের বিষয়টি অস্বীকার করে, টেন্ডার প্রক্রিয়া থেকে খাস কালেকশন এবং সরকারি খাস কালেকশন থেকে অস্থায়ী খাসটোল আদায়ের অনুমোদন কোথাও আইনের ব্যত্যয় করা হয়নি। কাউকে ব্যক্তিগত সুবিধা দিতে কৌশলের আশ্রয় নেয়ার অভিযোগ সম্পূর্ণ মিথ্যা ও উদ্দেশ্য প্রণোদিত।
উপজেলা সুধী মহল ক্ষোভ প্রকাশ করে বলেন উপজেলা নির্বাহী অফিসারের হেন কর্মকান্ডে শুধু উপজেলার ভাবমূর্তী নষ্ট হচ্ছে না সরকারের ভাবমূর্তী ক্ষুন্ন হচ্ছে। দুর্নীতি দমন কমিশন ও বিভাগীয় তদন্ত পূর্বক আবদুল আওয়ালের বিচার প্রার্থনা করেন আটপাড়া, হালুয়াঘাট ও ভূয়াপুর উপজেলা বাসী।

Advertisement
Advertisement

মন্তব্য করুন

Please enter your comment!
Please enter your name here