ঢাকার দক্ষিণ কেরানীগঞ্জ থানাধীন পূর্বপরিকল্পিত ঠান্ডা মাথায় চাঁদপুরের সবুজ পরকিয়ার টানে যৌতুকের লোভে প্রকাশ্য-গোপন খুন করে স্ত্রী তানিয়া

0
1145

* তানিয়ার লাশনিয়ে চাঁদপুর রওনার দুর্লভ মুহূর্তে অপমৃত্যুর মিথা আর্জিতে তানিয়ার পিতা মোঃ আলীর
স্বাক্ষর নেন এজাহার কারী ও তদন্ত কারী এস.আই আঃ সালাম
* (সুপারী গাছের মত) মৃত: তানিয়ার শরীর বেয়ে উপরে উঠে ফ্যানর সাথে ফাঁসির রশি কেঁটে লাশ
নামায় স্বামী সবুজ। পরে বলেন তানিয়া জানালার সাথে আত্মহত্যাকরে। এসআই আঃ সালাম
কাজী তফাজ্জল হোসেন/কেরু সরদারঃ
ঢাকা দক্ষিণ কেরানীগঞ্জ থানার হাসনাবাদ সিকদার বাড়ীর ৬ তলায় ভাড়া বাসায় সবুজ বেপারী গত ইং ২৯/০৮/১৬ইং রাত অনুমান ১১টায় তার স্ত্রী তানিয়া আক্তারকে (২০) বাসার ফ্যানের সাথে ফাঁসি দিয়ে আত্মহত্যা করেছে মর্মে লাশ কাঁধে নিয়ে ঢাকা মিটফোর্ড হাসপাতালে চিকিৎসার জন্য নেয় বলা হয়। ঘটনার বিবরনে প্রকাশ, গত ১২/০১/১৪ইং ২, ৫০,০০০/- টাকা কাবিনে ইসলামী শরিয়া মোতাবেক আই. এ পাস তানিয়া আক্তারের সাথে ৮ম শ্রেনী পাস চাঁদপুরের সবুজের সাথে বিয়ে হয়। বিয়ের পর তানিয়া দীর্ঘদিন বাবার বাড়ী থাকে। সবুজ কেরানীগঞ্জের  হাসনাবাদ গলিতে লোকাল গার্মেন্টস প্রতিষ্ঠানে চাকুরী করে। বিয়ের সময় তানিয়ার পিতা-মাতা ২ ভরি স্বর্ণের চেইন, আলমারী, টিভি, ফ্যান, ওয়্যারড্রব ও ঘরের ক্রোকারীজ মালামাল উপহারসহ বাঁকীতে ফ্রিজ কিনে উপহার দেন।  এ ছাড়াও ঢাকার কামরাঙ্গীর চরে মুদি দোকান নিতে জামানতের অগ্রিম ২ লক্ষ ৫০ হাজার টাকা যৌতুক দিয়ে জামাতার দাবীমত সহায়তা করেন যাহাতে সবুজের ভাই সিপন বেপারী বসে ব্যবসা করেন। তাতেও সবুজের মন ভরে

Advertisement

MG 50

নাই। সবুজের শ্যালক-কে কুয়েত নেবার জন্য শ্যালকের ফুফাতো মামা ৪ লক্ষ টাকা দাবী করে। জমি বিক্রি করে ২ লক্ষ টাকা তানিয়ার পিতা দিতে রাজী হলেও আত্মীয় তা মেনে নেয়নি। এই সংবাদ শুনে জামাতা সবুজ তার কম বয়সী শ্যালক-কে বিদেশে পাঠানো ঠিক হবেনা মর্মে সবুজকে ১ লক্ষ টাকা দিলে চাকুরী ছেঁড়ে প্যান্ট কাপড়ের ব্যবসা করে ঋণ শোধ করার প্রস্তাব দেয় যাহা বাস্তবে যৌতুকের প্রস্তাব। তানিয়ার পিতা মোহাম্মদ আলী অপারাগতা প্রকাশ করেন। ইহার পর থেকে সবুজ তার স্ত্রী তানিয়াকে ১ লক্ষ টাকা ঋণ (যৌতুক) এনে দেবার জন্য প্রচন্ড চাপ সৃষ্টি করে। পরে স্ত্রী তানিয়া জানায় তাহার পিতার সামর্থ নাই। সবুজ জানায় ১ লক্ষ টাকা দিতে না পারলে গলায় ফাঁস লাগিয়ে মরে যাও। সবুজ কেরানীগঞ্জের কোথায় থাকে স্ত্রীকে বলে না, জানায় শুধু দোকানের ঠিকানা। মাঝে মাঝে সবুজ তার শশুরের যাত্রাবাড়ী কোনাপাড়া বাসায় গভীর রাতে যায় এবং বাজার করার ভয়ে ভোর রাতে কেঁটে পরে। একই বাসায় থেকেও শ্বশুর শ্বাশুরী অধিকাংশ সময় দেখেনা জামাতার মুখ। অবশেষে মালামাল খরিদ করে মেয়ে তানিয়া ও জামাতা সবুজকে উঠায় কেরানীগঞ্জের হাসনাবাদ বাসায়। বাসা ভাঁড়া ৪ হাজার টাকা দিয়ে সবুজের সংসার অচল। কথায় কথায় যৌতুকের জন্য তানিয়ার সাথে অহেতুক বিবাদসহ অকথ্য ভাষায় গালিগালাজ ও মারধর করে সবুজ। মান সম্মানের ভয়ে পিতা-মাতাকে অত্যাচারের ঘটনা জানিয়ে সব সহ্য করে চলে সরল মনা তানিয়া। গত রমজানের ঈদে তানিয়াসহ সবুজ চাঁদপুর গ্রামের বাড়ী যায়। সেখানে সবুজের মা পারুল তানিয়াকে জানায় সবুজকে তানিয়ার পিতা ১ লক্ষ টাকা যৌতুক দিতেনা পারলে তিনি সবুজকে অন্যত্র বিয়ে করায়ে ১ লক্ষ টাকা আদায় করে ছাঁড়বেন। এ ঘটনা তানিয়া তার পিতা-মাতাকে জানালে তাহারা গ্রামে সালিস ডাকে। সালিসে না বসে সবুজ ও তার ঘরের লোকজন পালিয়ে যায়। ঢাকা শ্যামপুর গার্মেন্টস এর এক সুন্দরী যুবতী মাঝে মাঝে সবুজের বাসায় বেড়াতে যায়। সবুজ মেয়েটির সাথে জরুরী কথা আছে বলে স্ত্রী তানিয়াকে রুম থেকে বেড় করে দরজা বন্ধ করে প্রেমের সমাধান টানে। গত ২৯-০৮-১৬ইং রাত অনুমান ১০/১১টায় হঠাৎ সবুজ তার স্ত্রী তানিয়া অসুস্থ্য হয়ে গিয়াছে, অজ্ঞান হয়ে গেছে, চিকিৎসার জন্য ডাক্তারের কাছে যাবে। পাশের দুই বাসার ভাড়াটেগন ছুঁটে এসে তানিয়ার হাত ধরে শিরা চালেনা জানায়। সবুজের চালাকির ঘটনা ও দৃশ্য ভাড়াটিয়াগণ চাক্ষুস দেখেছেন ও শুনেছেন। তানিয়াকে কাঁধে নিয়ে কেউ যাতে বুঝতে না পারে তেমনি ৬ তলা থেকে সিঁড়ি বেয়ে দ্রুত নীচে নেমে যায় সবুজ। দরজা বন্ধ না খোলা ছিলো বা ঢাকা মিটফোর্ড হাসপাতালে কি পরিবহনে যায় তা জানা যায়নি। মিটফোর্ড হাসপাতালের ডাক্তার তানিয়াকে তৎক্ষনাত মৃত: ঘোষণা করেন। হাসপাতালে গিয়ে সবুজ তার স্ত্রী তানিয়া ফ্যানের সাথে গলা বেঁধে ঝুলে আত্মহত্যা করেছে বলে জানায়। সবুজ তানিয়ার মাকে তানিয়া অসুস্থ্য হয়ে মিটফোর্ড হাসপাতালে আছে ফোনে জানায়। সিএনজি নিয়ে তানিয়ার পিতা-মাতা দ্রুত হাসপাতালে এসে তানিয়ার মৃত: লাশ দেখে হতভম্ব হয়ে কান্নাকাটি করেন। সবুজ জানায় তানিয়া ফ্যানের সাথে ফাঁস দিয়ে মরে যায়। তানিয়ার পিতা বলে তুমি তখন কোথায় ছিলা? সবুজ বলে সে বাসায় ছিল, ঘটনা দেখেনাই। লাশের কাছে স্ত্রীকে রেখে পিতা মোহাম্মদ আলী জামাতা সবুজকে নিয়ে পাশের কতোয়ালী থানায় গিয়ে তানিয়া হত্যার ঘটনা জানায়। ডিউটি অফিসার এস.আই মুরাদ কেরানীগঞ্জ থানায় ফোন করে তানিয়া হত্যার ঘটনা জানালে ঐ থানার এস.আই আব্দুস সালাম মিটফোর্ড হাসপাতালে গিয়ে তানিয়ার লাশ দেখে কোতয়ালী থানায় গিয়ে সবুজ ও মোহাম্মদ আলীকে কেরানীগঞ্জ থানায় নিয়ে সবুজকে থানা হাজতে আটক করেন।

  MG 52
এস.আই আব্দুস সালাম ৩১/০৮/১৬ তারিখে ফৌঃ কাঃ বিঃ ৫৪ ধারায় তানিয়া মৃতের ঘটনা সাধারণ ডাইরীভুক্ত করেন। এস.আই আব্দুস সালাম নিজে তানিয়া লাশের সুরত হাল প্রতিবেদনে তানিয়া ফ্যানের সাথে ঝুলে আত্মহত্যা করেছে মর্মে মিথ্যা প্রতিবেদন হাসপাতালে দাখিল করেন। তানিয়ার  পিতা-মাতা  সুরতহাল করার সময় আব্দুস সালামকে জানান তানিয়া অত্মহত্যা করেনি, তাহাকে সবুজ হত্যা করেছে। তানিয়ার  পিতা-মাতার কথা উপেক্ষা করে এস.আই আব্দুস সালাম বলেন, ঠিক বলেছেনতো, বুঝিবেন কিন্তু, পরে অসুবিধা হবে। আসামি সবুজের কথামত সুরতহাল প্রতিবেদন হয়। মিটফোর্ড হাসপাতালের ডাক্তার সুরতহাল প্রতিবেদন মোতাবেক ময়না তদন্তে প্রতিবেদনে তানিয়া হ্যাংগিং-এ (ঝুলে) মুত্যু হয় বলে মন্তব্য করেন। তদন্ত কারী ঘটনার রাতে সবুজের বাসায় ঢুকে পাশের রুমের স্বাক্ষীদের জিজ্ঞাসাবাদ করে, পিতা-মাতার বক্তব্য উপেক্ষা করে নিজের ইচ্ছামত একতরফা সুরতহাল প্রতিবেদন, একতরফা অপমৃত্যু মামলা রজু করেন। তানিয়ার পিতা লাশ নিয়ের চাঁদপুর রওনার পূর্বে এস.আই আব্দুস সালাম আপমৃত্যু মামলার কম্পোজকৃত আর্জিতে তানিয়ার পিতা মোহাম্মদ আলীর স্বাক্ষর রাখতে জানতে চান খুনের মামলা হবে কি না? তখন এস.আই আব্দুস সালাম  নাকি ধমক দিয়ে বলেন তুমি বেশি বুঝো? ধমকের দাপটে মোহাম্মদ আলী স্বাক্ষর করতে বাধ্য হন বলে জানান। যাহার দক্ষিণ কেরানীগঞ্জের থানা অপমৃত্যু মামলা নং-৬৭, তাং ০১/০৯/১৬ এবং এজাহার নং-৩৬ (১০) ১৬, ধারা ৩০৬ দঃ বিঃ, আসামী সবুজ বেপারী। স্বাক্ষর শেষে থানার কম্পোজিটার এজাহারের হুবহু হাতের লেখা এজাহার কপি মোঃ আলীকে ধরিয়ে দিয়ে যতœ করে রাখতে বলেন যাহাতে এস.আই আব্দুস সালামের হাতের লেখা ধারনা হয়। বাড়ীতে লাশ দাফন শেষে ঢাকায় এসে মোঃ আলী নিশ্চিত হন যে সবুজ কর্তৃক তানিয়াকে খুনের মামলা রজু না হয়ে ৩০৬ ধারায় অপমৃত্যু মামলা হয়। উক্ত মিথ্যা মামলা ঘটনায় তানিয়ার পিতা-মাতা জোড় আপত্তি জানায় এবং পুলিশ সুপার ঢাকাকে খুনের মামলা রজু করার লিখিত আবেদন জানান। ৯/০১/১৭ তারিখে পুলিশ সুপার বরাবর অপর আবেদনে মোঃ আলী তানিয়া হত্যা মামলা সি.আই.ডিতে বদল করে সুষ্ঠ তদন্ত করার আবেদন জানান। মামলার পরবর্তী ঢাকার কামরাঙ্গির চরে মোঃ আলীর দেয়া যৌতুকের টাকায় পজেশন কিনা দোকান হস্তান্তর করে টাকা সবুজের ভাই সিপন নিয়ে মামলার ভয়ে পালিয়ে গিয়ে তার ভাই সবুজকে মামলা থেকে খালাস করার জন্য তদবির করে এবং জামিনে আনে। মামলার বাদী ও ঘটনাস্থলের স্বাক্ষীদের বর্ণনা উপেক্ষা করা হয়। ময়না তদন্তর রিপোর্টের পর মামলা হলেও তদন্তকারী ঘটনাস্থলের আলামত উদ্ধার করেনি এবং জব্দ তালিকাও নেই। পুলিশ সুপার বরাবর আবেদনের পর আলামত ওড়না নাটক করাহয় এব খুনের নতুন ঘটনাস্থল জানালার শিক বলাহয় যাহা এজাহারে নেই।

MG 51
তানিয়ার পিতা ঢাকার সাপ্তাহিক অপরাধ বিচিত্রার সম্পাদক বরাবর সরেজমিন তথ্য সংগ্রহ করে সচিত্র সংবাদ ও তথ্য প্রতিবেদন প্রকাশের আবেদন লিখিত জানান। তথ্য সংগ্রহের ও প্রতিবেদন তৈয়ারীর দায়িত্ব পাই সাংবাদিক কাজী তফাজ্জল হোসেন ও সাংবাদিক কেরু সরদার। আমরা ২ জন গত ২৫/০১/১৭ ইং সরেজমিন দক্ষিণ কেরানীগঞ্জ থানায় যাই। এস .আই আঃ সালামের সহিত থানার ভিতরে তানিয়া হত্যা মামলা নিয়ে কথা বলি এবং তানিয়া হত্যার ঘটনা ও তদন্ত অগ্রগতি জানতে চাই। তদন্তকারী এস.আই আঃ সালাম এজাহার মোতাবেক কথা বলেন। জানতে চাই ফ্যানে ঝুলন্ত লাশ কিসের উপর দাঁড়িয়ে কে কিভাবে নামায়। এস.আই আঃ সালাম জানা, লাশ নামিয়েছে তানিয়ার স্বামী সবুজ। কিসের উপর দাঁড়িয়ে তানিয়ার লাশ নিচে নামালো? জবাবে  তিনি বলেন, কিছুর উপর দাঁড়িয়ে নহে, ঝুলন্ত তানিয়ার শরীর (গাছের মত) বেয়ে উপরে গিয়ে রশি কেঁটে দেয় সবুজ, তানিয়াকে বাঁচাতে অন্য কিছু খোঁজার বা কাউকে ডাকার সময় পায়নি, দ্রুত নামায়। ফাঁসির রশি সবুজ কি দ্বারা কেঁটে নামায়, জবাব- দা-ছুঁড়ি একটা কিছু হবে। দা-ছুঁড়ি দিয়ে কি কেটেছে রশি না অন্য কিছু? জবাব-কেটেছে তানিয়ার ওড়না, ওড়না দ্বারা ফ্যানের সাথে তানিয়া ফাঁসি দিয়েছে। দুই বাসার লোকদের সবুজ ডাক-চিৎকার দিয়ে ঘটনা জানালে লাশ নামাতে দ্রুত সহায়তা হতো? জবাব রাত হয়েছে তাই ডাকাডাকি করে নাই। হঠাৎ তদন্তকারী আঃ সালাম বলেন, তানিয়া ফ্যানের সাথে ফাঁসি দেয়নি, ফাঁসি দিয়েছে রুমের জানালার সাথে। রুমে জানালা কয়টি জানিতে চাহিলে জানান ২টি জানালা আছে? দুটির মধ্যে কোন জানালায় তানিয়া ফাঁসি দিলেন?

MG 53

তদন্তকারী আঃ ছালাম বলেন, রুমে ঢুকতে হাতের বামে ওয়ালের জানালায় ফাঁসি দেয় তানিয়া। তদন্তকারী আঃ সালামমের ছবি তুলে নেবার জন্য বলি। তিনি ছবি তুলতে আপত্তি জানান। বলেন শীঘ্রই তানিয়া মামলার চার্জসীট পেশ করবেন। থানায় উপস্থিত অফিসার তদন্ত  আবু সাইদ আল মামুন এর অফিসে গিয়ে ওনার সাথে তানিয়া হত্যা মামলা নিয়ে কথা বললে জানান, তানিয় হত্যা মামলার চার্জসীট প্রস্তুত আছে, পেশ করা হবে। কেরানীগঞ্জ থানা থেকে আমরা তানিয়া হত্যার ঘটনাস্থলের বাড়ী যাই। সেখানে উপস্থিত পাশের বাসার স্বাক্ষী অপর মোঃ আলী ও মহসিন এবং তাহাদের স্ত্রীগনসহ উপস্থিত একই বাসার ভাড়াটে বিজ্ঞ এডভোকেট এর মা, সবুজের কর্মরত প্রতিষ্ঠানের মালিক ও বাড়ীর মালিক পরিবার সাথে তানিয়ার মৃত্যু রহস্য নিয়ে কথা বলি। স্বক্ষী শেফালী বলেন আমরা তানিয়ার লাশ নিয়ে যেতে দেখেছি, লুকোচুরিকরে ডাক্তার দেখাবে বলে যায় সবুজ যাহাছিল মিথ্যা নাটক। অন্যন লেকোজন ও  শেফালির মত একই কথা বলেন। তানিয়া হত্যা ঘটনাস্থলের রুমের দরজায় যাই, একটি জানালা ও রুমের বাম পাশের ওয়ালে নাই, যাহাতে জানালার সাথে তানিয়া ফাঁসিদেয় মর্মে তদন্তকারীর কথা মিথ্যা প্রতীয়মান হয়। তদন্তকারী এস.আই আঃ সালাম দরজায় ঢুকতে বামের জানালায় তানিয়া আত্মহত্যা করেছে বর্ণনা ধোপে টিকেনা, অসত্য উক্তি। ৬ তলায় স্বাক্ষী অপর মোঃ আলী ও তার স্ত্রী এবং স্বাক্ষী মহসিন ও তার স্ত্রী শেফালি জানায়, রাতে সবুজ তাদেরকে ডেকে নেয়, দেখি তানিয়া নীচে মরার মত পরে আছে, শিশু সুমাইয়া সবুজের কোলে, তানিয়ার হাত ধরে দেখি, শিরাচলেনা জানাই। তখন কাঁধে করে তানিয়াকে সবুজ দ্রুত নিয়ে ৬ তলার সিঁড়ি বেয়ে নিচে চলে যেতে বলে ডাক্তার দেখাব।  আসামী সবুজের ব্যবসা প্রতিষ্ঠানের মালিক, ঢাকা জজ কোর্টের এডভোকেট আব্দুল্লাহ আল কাওসার এর আম্মাসহ উপস্থিত লোকজন একই রকম তথ্য প্রদান করেন। সবুজ পূর্বপরিকল্পনামত ঠান্ডা মাথায় তার স্ত্রী তানিয়াকে ঘটনার রাতে ফাঁসিতে ঝুলে নহে গলায় কিছু প্যাঁচিয়ে একাধিক ব্যক্তি বলপূর্বক তানিয়াকে হত্যা করেছে মর্মে জোড়ালো বক্তব্য দেন অনেকে। বাড়রি মালিক হাজী ফরিদ উদ্দিন সিকদার বলেন কারো মোড়গ মারলেওতো আসে পাশের লোকজন জানার কথা, মানুষ মারলো আমরা জানিলাম না কেন? আব্দুল্লা কাওসার খাঁন এডভোকেটের মা বলেন ফাঁস লাগিয়ে মৃত্যু হলে জিহব্বা বেড়ে যায়, চোখ বড় দেখায়, ফাঁসির রশির দাগ মুখের চাপার সাথে মিলানো থাকে, শুনেছি তানিয়ার গলায় নিচের অংশে দাগ যাহা হত্যার আলামত। তদন্তকারী এস.আই মামলায় যে ফ্যানের সাথে ফাঁস দিয়ে তানিয়া আত্মহত্যা করে বলা হয় তদন্তে তা পরিবর্তন করে জানালার সাথে আত্মহত্যা করে জানান। বাস্তবে কোনটাই সত্য নহে। ঘরের মেঝে অথবা খাঁটের উপর আসামি সবুজ গং তানিয়ার গলার নীচের অংশে রশি বা তার প্যাঁচিয়ে হত্যা করা হয় ধারনা করি। বর্তমানে তানিয়ার ওড়না প্যাঁচিয়ে আত্মহত্যার নুতন নাটক সৃষ্টি করা হয় যাহা মিথ্যা। তদন্ত কারীর কিছু আপত্তিকর কথার প্রমান্য রেকর্ড আছে। মাননীয় আই জিপি ঢাকার নিয়ন্ত্রনে মামলাটি সি.আই.ডি-তে বদলী করে সিআইডি পুলিশ দ্বারা অধিকতর তদন্ত করে ন্যায় বিচারের দাবী জানিয়েছেন তানিয়ার পিতা-মাতা ও এলাকাবাসী।

Advertisement

মন্তব্য করুন

Please enter your comment!
Please enter your name here