খোরশেদ আলমঃ
লাকসাম পুলিশের বিশেষ অভিযান এসআই বোরহান উদ্দিন ও এসআই প্রতুল কুমার শীলের নেতৃত্বে সঙ্গিয় র্ফোস সহ বিশেষ অভিযানে গত ২০/১/২০১৭ইং তারিখে পেশাদার ২ সিধেল চোরকে মঈন উদ্দিন (৩২) পিতাঃ মোস্তফা সাংঃ গাজীমুড়া বড়বাড়ী ও অহিদুর রহমান অহিদ (২৮) পিতাঃ মনির আহম্মেদ সাংঃ গাজীমুড়া বড়বাড়ী তাদের নিজ এলাকা থেকে আটক কার হয়। অপর এক বিশেষ অভিযানে ঐ রাতে পেশাদার ১ ডাকাত আলিহোসেকে (২৬) পিতাঃ আবদুল আওয়াল সাংঃ লুধুয়া নাঙ্গলকোট. কুমিল্লা নোয়াখালী প্রধান সড়ক বাতাবাড়ী রাস্তার মাতায় গোপন সংবাদের ভিত্তিতে ঐখানে ডাকাতির প্রস্তুতিতে নিচ্ছে এমন সংবাদ পেয়ে এসআই বোরহান উদ্দিন ভূইয়াঁ জরুরী ভিত্তিতে সঙ্গী ফোর্স নিয়ে থেকে বাতাবাড়িয়া অবস্থান গিয়ে পৌছলে ডাকাত দল টের পেয়ে পালিয়ে যাওয়ার সময়ে আলি হোসেকে ২ রাউন্ড ফাকা গুলি বিনিময় করে তাকে আটক করে। এবং তার সাথে দেশীয় একটি চাইনিজ কুড়াল ও রোড সহ এসআই বোরহান উদ্দিন ভূইয়াঁ সহ সঙ্গীয় র্ফোস নিয়ে আলী হোসেন ডাকাতকে আটক করে। উক্ত থানায় আনিয়া ডাকাতির মামলা বাকী দুই জনকে পৃথক মামলা দিয়ে কোর্টে প্রেরন করে। এসআই বোরহান উদ্দিন ভূইয়া ডাকাত সর্ম্পকে জানতে চাইলে বলেন আমরা আমি গোপন সূত্রতে জানতে পারলাম ৪/৫ জনের এক দল ডাকাত বাতাবাড়িয়া নোয়াখালী প্রধান সড়ক বাতাবাড়ী রাস্তার মাতায় একত্রিত হচ্ছে তখনে আমি আমার অফিসার ইনর্চাজকে অবগতি করি। তখনে আমার অফিসার ইনর্চাজ আমাকে নির্দেশ দেওয়া হয় আমি আমার সঙ্গী র্ফোস নিয়ে দ্রত গতিতে আমরা এই স্পটেদ যাওয়ার সাথে সাথে ডাকাত দল টের পেয়ে পালাইয়া যায়। আলিহোসেন ডাকাতকে আটক করি। তাকে ধরতে দুই রাউন্ড গুলি ফাকা গুলি বিনিময় করে। বাকী ডাকাতদের আটক হবে কিনা জানতে চাইলে এসআই বোরহান উদ্দিন জানায় আমাদের অভিযান অব্যাহিত আছে। ডাকাত দল যতই শক্তিশালী হোক না কেন আমরা তাদেরকে র্নিমল করবো।
