নোয়াখালী পাবলিক হাই স্কলের প্রধান শিক্ষকের অনিয়ম দুর্নিতির তদন্তে কমিটি গঠন

7
704

স্টাফ রিপোটার:- নোয়াখালী পাবলিক হাই স্কুলের প্রধান শিক্ষক মোঃ জিল্লুর রহমানের অনিয়ম দুর্নিতির মাধ্যমে অর্থ হাতিয়ে নেওয়ার বিষয় বিভিন্ন পত্রিকায় প্রতিবেদন প্রকাশের পর উপজেলা আইন শৃংখলা কমিটির সভায় একটি তদন্ত কমিটি গঠন করা হয়েছে।জানাযায় গত কয়েকমাস থেকে দুুর্নিতি বাজ প্রধান শিক্ষকের বিরুদ্ধে বিভিন্ন পত্রিকায় সংবাদ প্রকাশিত হয়ে আসছে।তার অপসারনের দাবীতে শিক্ষার্থী অভিভাবক মহল একটি মনব বন্ধন কর্মসুচী পালন করে চৌরাস্তায়।উপজেলা আইন শৃংখলা কমিটির দৃষ্টিগোচর হলে এই বিষয় একাধিক সভায় আলোচনার পর গত ২৯মে সভায় অনিয়ম ও দুর্নিতির বিষয়ে তদন্তে মাধ্যমিক শিক্ষা কর্মকর্তকে প্রধান করে,একটি তদন্ত কমিটি গঠন করা হয় বলে বেগমগঞ্জ উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মোঃ রুহুল আমিন জানান।

Advertisement

 

তথাকথিত প্রধান শিক্ষক তার প্রতিবাদ লিপিতে তার বিরুদ্ধে আনীত ব্যাপক অনিয়ম দুর্নিতি অর্থ আত্মসাতে বিষয়টি অস্বীকার করে সাদামনের মানুষ শিক্ষানুরাগী ও বিদ্যালয় পরিচালনা কমিটির সভাপতি ডাক্তার ফজলুল হক খানকে উদ্ভাবক হিসাবে উল্লেখ করেছে।তার বিরুদ্ধে আনিত অভিযোগ প্রকৃত অবস্থায় বিপরিত বলে উল্লেখ করেন।প্রতিবাদ লিপিতে তিনি আরো উল্লেখ করেন ডাঃ ফজলুল হক খান কখনোই সভাপতি ছিলেন না।অথচ প্রতিষ্ঠাতার মৃত্যুর পর তিনি ব্যাংকিং লেন দেন সহ বিদ্যালয়ের সার্বিক ভাবে পরিচালনা করে আসছেন।এ ছাড়া প্রতিষ্ঠাতার জীবত দশায় স্কুলের লাইব্ররীর নামকরণের সিদান্ধ হয় ও প্রায় ৪লাখ টাকা ব্যায়ে লাইব্রারী নির্মান করে দেন সভাপতি ।সার্বিক ভাবে বিদ্যালয় পরিচালনা করতে গিয়ে ব্যাপক অনিয়মের বিষয় টি ধরা পড়ে। অথচ প্রধান শিক্ষক জিল্লুর রহমান সভাপতি হিসেবে অস্বীকার করে আসছেন। কুমিল্লা শিক্ষা বোর্ড ও ডাক্তার কে সভাপতি করার পর ১৯৭৭ইং ২০ ধারায় কমিটি কে অনুমোদন প্রধান করেন।যাহা সভার কার্যবিবরনী খাতায় সিদ্ধান্ত রয়েছে বলে জানাযায়।প্রধান শিক্ষকের এ হেন অনিয়ম দুর্নিতির বিষয়ে উক্ত পত্রিকায় নোয়াখালীর পেটে আরেক দেশ নোয়াখালী পাবলিক হাই স্কুল অনিয়ম দুর্নিতিতে প্রধান শিক্ষকের খুঁটির জোর কোথায় কোটি কোটি টাকা আত্মসাৎ শিরোনামে একটি প্রতিবেদন ২১ মে সংখ্যায় প্রকাশিত হয়।উক্ত রিপোর্টে তার প্রেরিত প্রতিবাদ লিপিতে বিভিন্ন দপ্তর কে অনুলিপি প্রদান করলে তা যথাযথ হয়নি বলে তার এ ধরনের প্রতিবাদ ছাপানো জনস্বার্থ রক্ষায় সমপূর্ন বে আইনি।কোন সংবাদ এর সংশ্লিষ্ট ব্যাক্তি প্রতিবাদ করলে আইনের দৃষ্টিতে তিনি নিজেই প্রমান করে নেন তিনি দূষি।এ বিষয়ে নোয়খালী জজ আদালতে ৯৪নং মামলা চলমান রয়েছে। ন্যায় বিচারের স্বার্থে প্রধান শিক্ষকের সকল কর্মকান্ড নিষিদ্ধ করার প্রয়োজনীয়তা আবশ্যক।শত শত এলাকা বাসীর দাবী বিদ্যালয় টি সুন্দর ভাবে পরিচালনা করতে হলে দুর্নিতিবাজ প্রধান শিক্ষক কে অপসারন করা জরুরী হয়েপড়েছে। ভুক্ত ভোগি অভিভাবক ও শিক্ষার্থিরা উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা অফিসার কে দিয়ে যে তদন্ত কমিটি গঠন করা হয়েছে এতে প্রধান শিক্ষকের অনিয়ম দুর্নিতি অর্থ আত্মসাতের বিষয় টি বের না হওয়ার আশংখা প্রকাশ করেছে।এ বিষয় তারা ক্ষোব প্রকাশ করে তদন্ত কমিটির পূর্ন গঠনের জোর দাবি জানান।

Advertisement

মন্তব্য করুন

Please enter your comment!
Please enter your name here