বিদেশ পাঠানোর নামে জমি নিয়ে প্রতারণা!

29
3793

জেমস এ কে হামীম

Advertisement

বিদেশে পাঠানোর নামে বিভিন্ন দাগে দফায় দফায় দলিল করে জমি লেখে নেওয়ার পরেও বিদেশে না পাঠিয়ে তালবাহানা করে। এই নিয়ে স্থানীয় চেয়ারম্যান কার্যালয়ে এলাকার মরোব্বিদের নিয়ে সাথেবিচার বসে। বিচারে বিচারকরা সিদ্ধান্ত নেয় জমির মালিকে যে সকল দাগের জমির দলিল করে লিখে নিয়েছে তা ফিরত দিতে। এই নিয়ে জমির মালিককে জমি বুঝিয়ে না দিয়ে সময় পালটায় দিনমাস ও বছর অবশেষে জমির মালিক এই প্রতারনায় কবলে পরে অসহায় হয়ে যাচ্ছে।

বিভিন্ন দাগে দলিল করে জমি লেখে নিয়ে প্রতারক চক্ররা ওলটো হুমকি দমকি ও বিভিন্ন ভাবে ফাসানোর চেষ্টাকরছে জমির মালিককে ও তার পরিবারকে ও ২,০০,০০০/- (দুই লক্ষ ) টাকা এবং জমি বাবদ ৫,০০,০০০/- (পাচঁ লক্ষ) সর্বমোট ৭,০০,০০০/- (সাত লক্ষ) টাকা। এই নিয়ে মোকাম আমতলীবিজ্ঞ সিনিয়র জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালত,আমতলী,বরগুনায়। পিটিশন মামলা সং- ধারাঃ-৪০৬/৪১৮/৪১৭/ দঃ বিঃ করা হয়েছে মামলা সূত্রে জানাযায় বাদি মোঃ ফারুক, পিতা- ইঙ্গুল আলী,সাং হুলাটানা, পোঃ পচাঁকোড়ালিয়া, থানাঃ তালতলী, জেলাঃ বরগুনা।এরই আসামীরা বাদির ফুফাতো ভাই বোন০১ (এক) নং আসামি মোসাঃ খাদিজা (৩৫) পিতা- মৃতঃ চাঁন গাজী,০২(দুই) নম্বরআসামি শহিদুল ইসলাম (৪০) পিতা- মৃতঃ চাঁন গাজী ০৩ (তিন) নং আসামি মোঃ দুলাল (৪২) পিতা- মৃতঃ চাঁন গাজী। ফুফাতো বোন মোসাঃ খাদিজা দীর্ঘদিন দরে মরিশাস থাকে তার ভাই দেশেথাকে শহিদুল ইসলাম ও দুলাল তারা বোনের মাধ্যমে মরিশাস পাঠানোর জন্য মোঃ ফারুক কে প্রস্তাব দিলে তার পর থেকে উভই পারিবারিক ভাবে আলোচনাতে মরিশাস জেতে রাজি হয়।

ফারুক কে একটি পাসপোর্ট করার ও ব্যবস্থা করে দেয়। শহিদুল ও দুলাল তার পর বিভিন্ন ভাবে কথার ফন্দিতে ফারুকের জায়গা জমি দলিল করে বিভিন্ন দাগে হাতিয়ে নেয়। জমি লিখে নেয়ার পরবিদেশে মরিশাস না পাঠিয়ে তালবাহান করে মোঃ দুলাল ও মোঃ শহিদুল ও মোসাঃ খাদিজা এই নিয়ে এলাকার চেয়ারম্যান নজির হোসেন কালু পাটোয়ারীর কার্যালয়ে বিচার বসে বিচারে বিচারকরা ওচেয়ারম্যান নজির হোসেন কালু পাটোয়ারী রায় দেয় মোঃ ফারুকের কাছ থেকে যে সকল দাগের দলিল করে জমি নিয়েছে সে সকল দলিল ফিরেয়ে দিতে সে সকল দলিল ফিরে না দিয়ে আসামিরা ফুফাতোভাইরা বরগুনা তালতলী গ্রামের বাড়ি থেকে পালিয়ে ঢাকা ও বিভিন্ন স্থানে আত্মগপনে রয়েছে এই নিয়ে জমির মালিক আদালতে মামলা করার পর থেকে শহিদুল দুলাল ও মোসাঃ খাদিজা বিভিন্ন ভাবেজমির মালিককে হমকি দমকি গ্রাম-বাড়ি ছাড়া করার চেষ্টা করছে। মোঃ ফারুক বলেন আমি ওদের প্রতারনায় খপ্পরে পরিছি। আগে আমি জানতাম না ফুফাতো ভাই বোন মিলে জায়গা জমি ভিটা মাঠিলিখে নিয়ে বিদেশে না পাঠিয়ে প্রতারনা করবে। আমার জমি জায়গা ফিরেয়ে দিতে দলিল পত্র ফিরেয়ে দিতে চেয়্যারম্যান বলে দিয়েছে ও এলাকার গ্রামের লোকজন ছিল বিচারে বিচারকদের বিচারেররায় অমান্য করে সর্ব শান্ত করে দিয়েছে ফুফাতো ভাই বোন।ফুফাতো বোন খাদিজা দীর্ঘদিন দরে মরিশাস ছিল মাজে মাজে দেশে আসে বর্তমানে দেশে ফুফাতো ভাই মোঃ শহিদুল ইসলাম ও মোঃ দুলালদেশেই থাকে আমি তাদের বিরদ্ধে জমি ও দলিল ফিরে পাওয়ার আশায় আদালতে মামলা করেছি। ২০১১ সাল থেকে আজও পর্যন্ত আসামীরা বিভিন্ন ভাবে বেপরোয়া হয়ে উঠছে।

                              এই প্রতারনা কারীদের বিরুদ্ধে যথাযথ ব্যবস্থা নিতে বিচারকদের প্রতি দৃষ্টি আর্কষন করছি

Advertisement

মন্তব্য করুন

Please enter your comment!
Please enter your name here