ভারতে পাচারের সময় মহিউদ্দিন ভূঁইয়া (৩৪) নামে এক যাত্রীকে ৬৫ লাখ টাকা দামের ১২টি (এক কেজি ৩০০ গ্রাম) সোনার বারসহ আটক করেছেন শুল্ক গোয়েন্দারা। মঙ্গলবার সকাল দশটার দিকে ওই যাত্রীকে আটক করা হয় বেনাপোল চেকপোস্ট ইমিগ্রেশন কাস্টমস ভবন থেকে। আটক মহিউদ্দিন কুমিল্লা জেলার তিতাস উপজেলার বড়াইকান্দি গ্রামের শাহরিয়ার ভূঁইয়ার ছেলে। তার পাসপোর্ট নম্বর বিই -০৮৮৫২০৪।
ওই যাত্রী এ পর্যন্ত ২০ বার ভারতে গমানাগমন করেছেন বলে জানায় শুল্ক গোয়েন্দা কর্তৃপক্ষ। বেনাপোল শুল্ক গোয়েন্দা অধিদপ্তরের উপ-পরিচালক সাইফুর রহমান বলেন, গোপন সংবাদে জানা যায়, বেনাপোল চেকপোস্ট দিয়ে এক যাত্রী সোনা নিয়ে পাচারের উদ্দেশ্যে ভারত যাচ্ছেন। এই খবরের ভিত্তিতে চেকপোস্ট এলাকায় শুল্ক গোয়েন্দারা তৎপর হন। এরপর মহিউদ্দিন নামে এক যাত্রী ইমিগ্রেশন শেষে ভারতে যাওয়ার সময় তাকে অফিসে এনে জিজ্ঞাসাবাদ করা হয়। তিনি সোনা পাচারের কথা অস্বীকার করেন। পরে তাকে নাভারনের একটি ক্লিনিকে নিয়ে এক্স-রে করলে তার পেটের মধ্যে সোনার অস্তিত্ব ধরা পড়ে। এরপর তাকে বেনাপোল চেকপোস্ট কাস্টমসে এনে জুস ও পানি পান করালে তার পায়ুপথ দিয়ে ১২টি (এক কেজি ৩০০ গ্রাম) সোনার বার বের হয়। যার আনুমানিক বাজার মূল্য ৬৫ লাখ টাকা বলে তিনি জানান।আটক মহিউদ্দিনকে বেনাপোল পোর্ট থানায় সোনা পাচার মামলা দিয়ে হস্তান্তর করা হয়েছে।
শাহজালালে সাড়ে তিন কেজি সোনা উদ্ধার
শাহজালাল বিমানবন্দরে থেকে প্রায় সাড়ে তিন কেজি সোনা উদ্ধার হয়েছে। ওমানের মাসকাট থেকে আসা এক বিমানের যাত্রীর কাছ থেকে ৩০টি সোনার খণ্ড উদ্ধার করেন শুল্ক গোয়েন্দারা।শুল্ক গোয়েন্দা অধিদপ্তর থেকে জানা গেছে, সকালে মুহাম্মদ আদম আলী (৪৫) নামের এক যাত্রীকে স্বর্ণসহ আটক করা হয়। তাঁর বাড়ি চট্টগ্রামের ফটিকছড়িতে। তিনি ওমান থেকে আসা বিমান ‘বিজি ০২২’-এ করে চট্টগ্রাম থেকে অভ্যন্তরীণ যাত্রী হিসেবে ঢাকা আসেন।জিজ্ঞাসাবাদে আদম আলী জানান, টাকার বিনিময়ে তিনি স্বর্ণ চোরাচালান কাজে অংশ নিয়েছিলেন। তিনি জানান, চট্টগ্রাম থেকে তিনি এই বিমানে ওঠেন। ঢাকা আসার পথে আকাশে রহমান নামের আরেকজন যাত্রী তাঁর কাছে এই স্বর্ণের বারগুলো দেন। তিনি বিমানের শৌচাগারে গিয়ে এই স্বর্ণবারগুলো প্যান্টের বেল্ট বাঁধার স্থানে আগে থেকেই তৈরি করে রাখা বিশেষ ফাঁকা জায়গায় লুকিয়ে রাখেন।

