চুনারুঘাট প্রতিনিধিঃ
প্রকারান্তরে মামলার বোঝা মাথায় নিয়ে দিব্যি পুলিশের সাথে উঠবস করছে আসামীরা। এ কারনে মামলার ভবিষ্যৎ নিয়ে উৎকন্ঠায় রয়েছেন বাদি আজিজুল হক নাসির। মামলাটি তদন্ত করছেন এসআই লিটন রায়। বিগত ০৫/০৭/২০২৩ খ্রী তারিখে মামলাটি সাইব বার ট্রাইব্যুনালে দায়ের করার পর তা তদন্তের জন্য চুনারুঘাট থানায় প্রেরণ করা হয় কিন্তু অজ্ঞাত কারনে মামলাটির তদনন্তের কোন অগ্রগতি নেই এসআই লিটন। ফেসবুকে মানহানীর পোষ্ট করার কারনে আহম্মদাবাদ ইউনিয়নের সায়েদ আলীর পুত্র আঃ জাহির ও তার ভাতিজা ফয়সলকে আসামী করে মামলা করেছিলেন আজিজুল হক নাসির। এস আই লিটন বলেছেন আগামী এক সপ্তাহের মধ্যে মামলার তদন্ত শেষ হবে। এদিকে আব্দুর রাজ্জাক রাজু ও আঃ জাহিরের অপরাধের খতিয়ান নিয়ে আইন শৃংখলা বাহিনীর একাধিক টিম মাঠে কাজ করছে। তার অপর সহযোগী ভুঁয়া সাংবাদিক আঃ জাহির(কানা জাহির) পলাতক রয়েছে। রাজু ডুবাই অবস্থান করছে।
এই দুইজনের বিরুদ্ধে থানায় চাঁদাবাজি,হুমকী,মারামারি,ভয়ভীতি প্রদর্শন,চুরিসহ ডিজিটাল নিরাপত্তা আইনে মামলা রয়েছে। আঃ রাজ্জাক রাজু উপজেলার আহম্মদাবাদ ইউনিয়নের বনগাঁও গ্রামের মৃত মানিক মিয়ার পুত্র। তার সহযোগী আঃ জাহির হারাজোরা গ্রামের সায়েদ আলীর পুত্র। গত ২৯ জুন রাজুকে একটি চাঁদাবাজির মামলায় পুলিশ গ্রেফতার করেছিলো।
নির্ভরযোগ্য সুত্র জানান, রাজুর বিরুদ্ধে চুনারুঘাট থানার মামলা নং ২২ তারিখ ১০/০৪/২০১০, মামলা নং ১০/১১৬ তাং ০৬/১১/২০১৮,মামলা নং ২৩/১৪৩ তাং ১৭/০৫/২০১৭, ডিজিটাল নিরাপত্তা আইন ২০১৮, মামলা নং ১১/২১৬ তাং ০৯/০৬/২০২০ দায়ের হয়। সর্বশেষ গত ২৯ জুন তার বিরুদ্ধে চাঁদাবাজির অভিযোগে মামলা দায়ের হয়েছে,মামলা নং ৩৬। তার বিরুদ্ধে হবিগঞ্জের তরুনলীগ নেতা পাবেল হত্যাকান্ডের পর তার বিরুদ্ধে মামলা হলে সে ১০ বছর পলাতক ছিলো। তার সহযোগী আঃ জাহিরের নামে একই থানায় একাধিক মামলা রয়েছে। চুনারুঘাট থানার মামলা নং ১১ তারিখ ১১/০৬/২০০৬, মামলা নং ৪ তারিখ ০১/০৬/২০১৪ ও ডিজিটাল নিরাপত্তা আইন ২০১৮ মামলা নং ১১/১১৬ তাং ০৯/০৬/২০২০ দায়ের হয়। সর্বশেষ তার বিরুদ্ধে গত ২৯ জুন চাঁদাবাজির মামলা দায়ের হয়, মামলা নং ৩৬।
পুলিশ সুত্র জানান, আঃ রাজ্জাক রাজু জামাত ও জাহির মিয়া ছাত্র শিবিরের রাজনীতিতে জড়িত। তারা সাংবাদিকতার নাম ভাঙ্গিয়ে অফিসপাড়ার গোপন তথ্য পাচারে জড়িত ছিলো। তারা ভয়ভীতি দেখিয়ে সাধারন মানুষকে জিম্মি করে চাঁদা উত্তোলন করে থাকে। তারা সীমান্তে মাদক ব্যবসা পরিচালনা করে। পুলিশ জানায়, জামাত শিবিরের হীন কর্মকান্ড পরিচারনা ও চাঁদাবাজি,হুমকী,সন্ত্রাসী কর্মকান্ডেে জড়িত থাকার অভিযোগে ২০২০ সালের ৯ জুন এরা পুলিশের হাতে গ্রেফতার হয়ে জেলে গিয়েছিলো।

