দিনাজপুরের খানসামা উপজেলার ৬টি ইউনিয়ানের বিভিন্ন হাট-বাজারের খাবার হোটেল, মিষ্টির দোকান ও চায়ের দোকানগুলোতে ভেজাল বিষাক্ত পচা-বাসি খাবার অবাধে বিক্রি করা হচ্ছে। এতে করে একদিকে যেমন মানুষ পেটের পীড়াসহ নানা জটিল রোগে আক্রান্ত হচ্ছে, অন্য দিকে বহুদিন যাবত ভ্রামমাণ আদালতের তদারকি না থাকায় অস্বাস্থ্যকর পরিবেশে বহাল তবিয়তে ব্যবসা চালিয়ে যাচ্ছে এসব হোটেল মালিকেরা।
উপজেলার খানসামা বাজার, পাকেরহাট বাজার, কাচনিয়া বাজার, বোর্ডের হাট ও জমিদারনগর বাজার সরেজমিনে ঘুরে দেখা গেছে যে , হোটেল গুলোতে স্বাস্থ্যবিধি মানা হচ্ছে না। অধিকাংশ হোটেলের ফুড প্রসেসিং লাইসেন্স নেই। খাবার হোটেল গুলোর বাইরের অংশ ফিটফাট হলেও ভিতরে সদর ঘাট অথ্যাৎ ভেতরে যেখানে খাবার তৈরি করা হয় সেখানে অত্যান্ত নোংরা ও আবর্জনাময়। ভেজাল মিষ্টি তৈরিতে এখন ব্যবহার করা হচ্ছে স্যাকারিন আর ক্ষতিকারক রং। এমনকি মিষ্টি তৈরি প্রধান উপকরণ ছানাও তৈরি হচ্ছে ভেজাল প্রক্রিয়ায়। এছাড়াও ৪/৫ দিনের পোড়া তেল দিয়ে ভাজা হচ্ছে সিঙ্গারা, পেয়াজীসহ নানা প্রকার খাবার।
এসব খাবার আবার অনেক সময় সুযোগ বুঝে পচা-বাসী অবস্থায় বিক্রি করা হয়ে থাকে। একই সাথে চায়ের দোকানগুলোতেও ভেজাল বাসী কেক পাউরুটি বিক্রি করছে দেধারছে। এ বিষয়ে স্যানেটারি ইন্সেপেক্টর আবু তালেব বলেন, আমি নিয়মিত হোটেল গুলোতে পরিদর্শন করি। এ যাবৎ খানসামা উপজেলার হোটেলগুলোর বিরুদ্ধে ৩৬টি মামলা চলমান তবুও থামানো যাচ্ছে না হোটেল মালিকদের। সাধারণ মানুষের অভিযোগ আরও বেশি করে এ অভিযান বাড়ানো প্রয়োজন।

