সুনামগঞ্জরে হাওরাঞ্চলরে মানুষরে মাঝে চলছে বঁেচে থাকার লড়াই

0
1376

মোজাম্মলে আলম ভূঁইয়া,নজিস্বে প্রতবিদেক,সুনামগঞ্জ থকে:ে
সুনামগঞ্জরে হাওরাঞ্চলরে মানুষরে দনি কাটছে দুঃখ আর র্দূদশার মধ্য দয়ি।ে আগাম বন্যায় ফসল হারয়িে যাওয়ার পর থকেে সুখ নইে হাওরাঞ্চলরে মানুষরে ঘরে বাহরি।ে ক্ষতগ্রিস্থ্য কৃষষদরেকে সরকার চাল,নগদ র্অথ দওেয়াসহ বভিন্নি ভাবে সাহায্য করার চষ্টো করলওে তা বস্তেে যাচ্ছ।ে কারণ ক্ষতগ্রিস্থ্য কৃষকরা তা সঠকি ভাবে পাচ্ছনো বলে অভযিোগ রয়ছে।ে তাছাড়া এখন চলছে র্বষাকাল কন্তিু হাওরে মাছ নইে। বকোর বসে আছে জলেরো। কোন কাজ নইে হাওরপাড়রে মানুষগুলোর। রমজান মাস ও আসন্ন ঈদকে সামনে রখেে সরকারী ভাবে সহযোগীতার কোন পরকিল্পনা না থাকায় এই হাওরবাসীর সমস্যা রয়ইে গলে। র্বতমানে ক্ষতগ্রিস্থ লক্ষলক্ষ কৃষক পরবিারগুলোর মধ্যে চললে বঁেচে থাকার লড়াই।
হাওরাঞ্চলরে বভিন্নি হাট-বাজার সরজেমনি ঘুরে দখো যায়,হাওরাঞ্জলরে এক ফসলী বোরো ধান অকালে পানতিে তলয়িরে যাওয়ায় পর থকেে জলো ও উপজলোর ছোট-বড় হাট-বাজারগুলোতে চালরে দোকানগুলোতে চাল নইে। বশেরি ভাগ ব্যবসায়ীরা চাল তাদরে গুদামে মজুদ রখেে কৃত্রমি সংকট সৃষ্টি করে রখেছে।ে তারা বাজারে চাল সংকট দখেয়িে সাধারণ ক্রতোদরেকে বশেি দাম দয়িে কনিতে বাধ্য করছ।ে সীমাহীন অনয়িম ও র্দূনীতরি মধ্য দয়িে এবার সুনামগঞ্জরে হাওর এলাকায় বরেী বাঁধগুলো নর্মিাণরে ফলে অকাল বন্যায় ফসলী জমি ডুবে যাওয়ার পর থকেে ক্ষতগ্রিস্থ্য কৃষকরা সরকারী সহযোগীতা পলেওে তা প্রয়োজনরে তুলনায় অনকে কম। যোগাযোগ বচ্ছিন্নি হাওর এলাকায় অবস্থতি দ্বীপ সাদৃশ্য গ্রামগুলোতে র্বতমানে টাকার অভাবে অনকেইে বাজার-সদাই করতে পারছে না। ফসলহারা বশেরি ভাগ মানুষগুলোর এখন দনি কাটতে ভজিএিফ,ভজিডিি র্কাড ও খোলা বাজারে কম মূলে চালরে আশায়। এবং দূর-দূরান্ত থকেে চাল নতিে আসা অসহায় মানুষগুলো সকাল থকেে সন্ধ্যা র্পযন্ত লাইনে দাড়য়িে থকেওে ডলিারদরে কাছ থকেে চাল পাচ্ছে না ওএমএস’চাল। অন্যদকিে এই র্বষা মৌসুমে হাওরে মাছ ধরে জীবকিা নর্বিাহ করা জলেরো হাওরে মাছ ধরতে না পারছে না। তাদরে নইে অন্য কোন বকিল্প কাজরে ব্যবস্থাও। তাই বলতে গলেে হাওরপাড়রে কৃষক,জলেসেহ বশেরি ভাগ মানুষগুলোই এখন বকোর সময় পার করছ।ে র্কমহীন এই অবস্থায় নজিরে ও তাদরে পরবিাররে জন্য দু-মুটো খাবার জোগানো কঠনি হয়ে গছেে হাওরাঞ্চলরে অসহায় মানুষগুলোর পক্ষ।ে যার ফলে বশেরি ভাগ মানুষগুলো র্অধহার,েঅনাহারে ও অভাব-অনটনকে সঙ্গী করে খয়েে না খয়েে অতি কষ্টে জীবন পার করছ।ে তারা এই রমজান মাসরে সহেরেী ও ইফতারীতে পানি ভাত,রুটি ও শাক,লতা পাতা দয়িে কোন রকম রোজা রাখছ।ে জীবন-জীবকিা নর্বিাহরে একমাত্র অবলম্বন হাওররে প্রায় ৯০শতাংশ বোরো ধান পানতিে ডুবে যাওয়ায় লক্ষলক্ষ কৃষক পরবিারগুলোর মাঝ থকেে এখনও বুকভরা র্দ্বীঘশ্বাস,র্আতনাদ আর আহাজাররি রশে কাটনে।ি বোরো ধানরে উপর নর্ভিরশীল কৃষকদরে চাষাবাদরে গরু আর গোলা (ধান রাখার পাত্র) দুটোই এখন শূন্য। নইে ঘরে নগদ টাকা ও খাবার চাল। এছাড়া আক্রান্ত হচ্ছে পানি বাহতি নানান প্রকার রোগ-েব্যাধতি।ে ঈদ নকিটে কন্তিু আনন্দ অনকে দূর।ে নজিরে ও সন্তানদরে জন্য নতুন কাপড় কনিে দতিে না পারায় চরম হতাশায় ভুগছে ক্ষতগ্রিস্থ্য কৃষকরা। এবার জলোর দরিাই-শাল্লা,জগন্নাথপুর,র্ধমপাশা,জামালগঞ্জ,দোয়ারাবাজার,বশ্বিম্ভরপুর ও তাহরিপুর উপজলোর হাওর গুলোতে স্মরণকালরে সবচয়েে বশেি ক্ষতগ্রিস্থ্য হয়ছে।ে কন্তিু সরকারী ফয়োর প্রাইজ,টসিবিরি পন্য বন্ধ,ভজিএিফ,ভজিডিি র্কাডে সীমাহীন অনয়িম ও ওএমএস’র চাল সঠকি ভাবে পাচ্ছনো কউে। জলোর বভিন্নি উপজলোর প্রত্যন্ত এলাকার দীপ সাদৃশ্য গ্রামে কাজরে ব্যবস্থা না থাকায় র্বষার ৬মাস বকোর থাকতে হয় হাওরবাসীক।ে র্কমসংস্থানরে ব্যবস্থা ও সরকাররে সু-নজর না থাকায় হাওরাঞ্চলরে এই মানব সম্পদ এখন সমাজরে ভোজা হয়ে হচ্ছে দনিদনি। যার জন্যে এই অনুন্নত অবহলেতি হাওরবাসীর কণ্ঠে কবেলইে শুধু বাচাঁর আকুত।ি
সুনামগঞ্জরে হাওরপাড়রে ক্ষতগ্রিস্থ্য কৃষক রহমি উদ্দনি,রহমান ময়িা,জসমি উদ্দনি,সাদকে ময়িা,রাসলে ময়িা,কালা ময়িা,শরফি হোসনেসহ আরো অনকেইে বলনে-কি বলব ভাই এবার বোরো ধান হারয়িে এক বারে নঃিশ্ব হয়ে গছে।ি তাই পানি ভাত,শাক-পাতা,রুটি যা জোগাড় করতে পারি তাই খাইয়া রোজা রাখতছে।ি অন্য বছর হাতে টাকা ছলি,রমজান মাসে বাজার থকেে ভাল জনিসি-পত্র কনিে আনতে পারতাম কন্তিু এই বার তা সম্ভব হচ্ছে না। সামনে ঈদ হাতে টাকা নাই ছলে-েময়েকেে কি ভাবে নতুন জামা-কাপড় কনিা দমিু আর কভিাবে সংসার চালামু বুঝতে পারছনিা। আর ভজিএিফ,ডজিডিি র্কাড করতে ২থকেে ৩হাজার টাকা লাগ,েএত টাকা কোথায় পাব লাইনে দাড়য়িওে চাল মলিে না। চয়োরম্যান-মম্মোর সাহবেরা মুখ দখেে টাকার বনিমিয়ে এক ঘরে ২থকেে ৩জনকে র্কাড করে দয়ে।
সুনামগঞ্জ জলো প্রশাসক সাবরিুল ইসলাম বলনে-সরকাররে পক্ষ থকেে যে সকল সুযোগ-সুবধিা ক্ষতগ্রিস্থ্য হাওরবাসীর জন্য বরাদ্ধ করা হয়ছেে সগেুলো সঠকি ভাবে বন্টনি করা হচ্ছ,েকোথাও কোন অনয়িম-দূর্নীতরি অভযিোগ পলেে আমাদরে জলো প্রশাসনরে পক্ষ থকেে সাথে সাথে ব্যবস্থা নওেয়া হচ্ছ।ে সইে সাথে সরকাররে উদ্যোগে জলো প্রশাসনরে মাধ্যম্যে ক্ষতগ্রিস্থ্য কৃষকদরেকে সাধ্যমত সহযোগীতার চষ্টো অব্যাহত থাকব।ে

Advertisement
Advertisement

মন্তব্য করুন

Please enter your comment!
Please enter your name here