…….এস এম মোরশেদ, সভাপতি
ফেডারেশন অব বাংলাদেশ জার্নালিস্ট অর্গানাইজেশন (এফ.বি.জে.ও)
এম, পি চৌধুরীঃ ইংরেজি দৈনিক পত্রিকার এক ফটো সাংবাদিককে মাদক মামলায় ফাঁসিয়ে জেলে পাঠিয়েছে পুলিশ-এমন অভিযোগ উঠেছে সাংবাদিক মহল থেকে। সোশ্যাল মিডিয়া ফেসবুকে বিষয়টি নিয়ে পুলিশের দায়িত্বজ্ঞানহীন কর্মকান্ড নিয়ে নিন্দার ঝড় উঠেছে। দৈনিক ডেইলি অবজারভারের ফটো সাংবাদিক আশিক মোহাম্মদ ফরহাদ হোসেনকে
সভাপতি এস এম মোরশেদ মহাসচিব মোঃ মহসিন
আটকের পর তার কাছে “১০টি ইয়াবা ট্যাবলেট” পাওয়া গেছে-এরকম অভিযোগ সাজিয়ে জেলে পাঠিয়েছে পল্টন থানা পুলিশ। ২৭ জুন রাত ১২টার পর টহল পুলিশের একটি দল শান্তিনগর কাঁচাবাজারের কাছে আশিকের মটরসাইকেল থামায়। সেখানে তার সাথে পুলিশের কথাবার্তা এবং তর্কবিতর্ক হয়। পুলিশ তার মোবাইল ফোন কেড়ে নেয় এবং মারধর করে ভ্যানে তোলে। বিভিন্ন স্থানে টহলের পর রাত দুইটার দিকে তাকে থানায় নিয়ে যায়। সেখানে আর এক দফা মারধর করলে তার নাকমুখ দিয়ে রক্ত পড়া শুরু হয়। তার কাছে এক লাখ টাকা দাবি করে পুলিশ। টাকা পেলে তাকে ছেড়ে দেওয়া হবে নইলে মাদকের মামলার আসামী হিসেবে কোর্টে চালান দেওয়া হবে বলে পুলিশ আশিককে জানায়। আশিক টাকা দিতে অপারগতা প্রকাশ করলে পরদিন ২৮ জুন আশিকের পকেটে ইয়াবা পাওয়া গেছে এই অভিযোগ দায়ের করে তাকে কোর্টে চালান করে পুলিশ। আশিককে আটক এবং তার বিরুদ্ধে আনিত অভিযোগকে মিথ্যা এবং সাজানো বলে চিহ্নিত করেছেন সাংবাদিক মহল। তাদের প্রশ্ন একজন সাংবাদিককে গ্রেফতার করার পর তারা বিষয়টি গোপন করল কেন? পুলিশ আশিককে মটর সাইকেলসহ আটক করে কিন্তু মামলায় এবং জব্দ তালিকায় মটরসাইকেলের কথা উল্লেখ নেই কেন? আশিকের মোবাইল ফোন পুলিশ কেড়ে নিলেও মোবাইল ফোনের কথা মামলায় এবং জব্দ তালিকায় নাই কেন? আশিক ইয়াবা আসক্ত হলে বিষয়টি পরীক্ষা করার কোনো উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে কিনা? ফটো সাংবাদিক আশিকের বিরুদ্ধে পুলিশি নির্যাতন এবং বানোয়াট মামলায় জেলে পাঠানোর ঘটনায় সাংবাদিকদের বিভিন্ন সংগঠন প্রতিবাদ কর্মসূচী ঘোষণা করেছে। ফটোসাংবাদিক আশিক মোহাম্মদের মুক্তির দাবিতে সমাবেশ করেছেন সাংবাদিকরা। ২৭ জুন শান্তিনগর থেকে পকেটে ইয়াবা ঢুকিয়ে দিয়ে আটকের পর তাকে কারাগারে পাঠানো হয়। তিনি ডেইলি অবজারভারে কর্মরত। বেলা ১১টা থেকে ১টা পর্যন্ত তাকে গ্রেফতারের প্রতিবাদ ও মুক্তির দাবিতে এ সড়ক অবরোধ ও সমাবেশে বাংলাদেশ ফেডারেল সাংবাদিক ইউনিয়ন (বিএফইউজে), ঢাকা সাংবাদিক ইউনিয়ন (ডিইউজে) এবং ঢাকা রিপোর্টার্স ইউনিটির (ডিআরইউ) নেতারাসহ শতাধিক সাংবাদিক অংশ নেন, ডিইউজের সভাপতি শাবান মাহমুদ বলেন, আশিককে অন্যায়ভাবে গ্রেফতার করা হয়েছে। ২৪ ঘণ্টার মধ্যে তাকে মুক্তি দিতে হবে। অন্যথায় স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয় ঘেরাওসহ পুলিশের সব ইতিবাচক খবর প্রকাশ থেকে সাংবাদিকরা বিরত থাকবেন। সমাবেশে ডিইউজের সাধারণ স¤পাদক সোহেল হায়দার চৌধুরী, ডিআরইউর সভাপতি সাখাওয়াত হোসেন বাদশা, সাধারণ স¤পাদক মোরসালিন নোমানি প্রমুখ ১-৭-১৭ ইং “ফেডারেশন অব বাংলাদেশ জার্নালিস্ট অর্গানাইজেশন” এর আহ্বাযক এস এম মোরশেদের সভাপতিত্বে কেন্দ্রীয় কার্য়লয়ে আশিকে অনতিবিলম্বে মুক্তি দাবিতে প্রতিবাদ সভা অনুষ্ঠিত হয়। উপস্থিত আলোচনায় আরও যারা বক্তব্য রাখেন, বাংলাদেশ ইন্টারনেট নিউজপেপার এসোসিযশেন এর সভাপতি মোঃ মহসিন মহাসচিব, সাপ্তাহিক পত্রিকা পরিষদের সাংগঠনিক সম্পাদক মোঃ সেলিম রেজা সাংগঠনিক সম্পাদক, জাতীয় সাংবাদিক কল্যাণ পরিষদের সাধারণ সম্পাদক মোঃ আব্দুল বাতেন সরকার অর্থ বিষয়ক সম্পাক (কোষাদ্যক্ষ), জাতীয় সাংবাদিক সংস্থার যুগ্ম-মহাসচিব মোঃ শামছুল আলম দপ্তর সম্পাদক ও ডেমরা প্রেস ক্লাবের সাধারণ সম্পাদক মোঃ নজরুল ইসলাম বাবু প্রচার ও প্রকাশনা সম্পাদক প্রমুখ।



