যশোর ব্যুরো॥ যশোর জেলার অন্তরগত যশোর সদর সহ দক্ষিন পশ্চিম অঞ্চলের হরকাতুল জিহাত নজরুল বাহিনীর অস্ত্রভান্ডার কোথাথ। দক্ষিণ পশ্চিম অঞ্চলের সাধারন মানুষের খাওয়া ঘুম হারাম বনে গেছে। নজরুল বাহিনীর অস্ত্রের ঝনঝনানিতে কাক ডাকা ভোর থেকে গভীর রাত পর্যন্ত এই বাহিনীর সদস্যদের আনা গোনা চলছে যশোর জেলা পুলিশ সুপারের মাদক ও জংগী বিরোধী অভিযান ও কর্মসূচি আলোকে যশোর জেলা গোয়েন্দ পুলিশ (ডিভি) ও কোতয়ালী মডেল থানা পুলিশের মাদক ও জংগী বিরোধী অভিযান অব্যহত রয়েছে। যে কারনে যশোর সহ দক্ষিন পশ্চিম অঞ্চলের ছোটো বড়ো বাজারগুলিতে এলাকার চিহ্নিত মাদক ব্যবসায়ী ও জংগী সংগঠনগুলো ওপেন ভাবে ঘোরাফেরা করছে। পাশাপাশি মাদকদ্রব্য বিচিকিনি হচ্ছে। এলাকাবাসীর সূত্রে জানা যায় যশোর জেলায় মিলছে মাদকদ্রব্য ইয়াবা, গাঁজা, ফেনসিডিল এবং বাংলা মদ, শহরতলীর মুড়লী খাঁ পাড়ায় হরদম বিচিকিনি হচ্ছে। বকচর কালী পাড়ার দক্ষিন পাশের গলিতে বিচিকিনি হচ্ছে। ফেনসিডিল ও গাজা পুরাতন খুলনা মিনিবাস ও কেশবপুর বাসে ফেরিকরে বিচিকিনি হচ্ছে ইয়াবা, গাঁজা ও বাংলা মদ। ভায়নার মোড়ে বিচিকিনি হচ্ছে গাঁজা ও ফেনসিডিল রূপদিয়া বাজার ছয়টি স্পটে বিচিকিনি হচ্ছে। গাঁজা ফেনসিডল ও ইয়াবা নরেন্দ্রপুর পুলিশ ক্যাম্পের ৫০ গজ দুরে মাদকের হাট বসে রাত ৮ টা হইতে ২ টা পর্যন্ত। রূপদিয়া রেল ক্রোচিং মোড়ে রাত ৭ টা হইতে ১০ টা পর্যন্ত রেললাইনে উপরে ফেরিকরে গাজাও ফেনসিডিল বিচিকিনি হচ্ছে। পাশাপাশি সদর রায়মানিক কচুয়া পালপাড়া গ্রামের মৃত আমের আলীর সন্ত্রাসী পুত্র নজরুল গং সন্ত্রাসী রাজত্ব কায়েম করে আসছেন। তার সদস্য গন চুরি ডাকাতি, রাহাজানি, ছিনতাই অব্যহত রেখেছে। পাল পাড়ার পঞ্চনন পালের দিন দুপুরে সন্ত্রাসী নজরুল গুলিকরে পাখির মত হত্যা করবে বলে হুমকি প্রদান করে। এলাকাবাসী জানায় পাল পাড়ার নেচে বুড়ী ভৈরব নদীতে বিগত চেয়ারম্যান আব্দুর রবের সুময় ৪/৫ টি মানুষের লাশ পাওয়া যায়। এই নজরুল ও নজরুল বাহিনীর সদস্যগন এই হত্যাকান্ডের সংগে জড়িত বলে ধারনা করে। এলাকার সচেতন মানুষের দাবী নজরুল বাহিনীর অস্ত্র ভান্ডার কোথায়।
