ভূমিকম্পে ক্ষয়ক্ষতি নিয়ন্ত্রণে পূর্বপ্রস্তুতির অভাবে ক্ষতির পরিমান বেশি হচ্ছে। ভূমিকম্প নিয়ে সবসময় ঢাকা-চট্টগ্রামসহ সারাদেশের মানুষ সবসময় আতঙ্কে থাকে। বিশেষ করে উদ্বেগে কাটে ইট-পাথরে ঘেরা শহুরে মানুষদের জীবন। ২০১৬ সালের ১৩ এপ্রিল বাংলাদেশে রিখটার স্কেলে ৬ দশমিক ৯ মাত্রার ভূমিকম্প অনুভূত হয়েছিল, যার উৎপত্তিস্থল ছিল মিয়ানমারে। গত তিন যুগের ইতিহাসে বাংলাদেশে ওইদিনের ভূমিকম্প ছিল সর্বাধিক শক্তিশালী। ওই ভূমিকম্পে চট্টগ্রাম মহানগর ও ফেনী শহরে একটি বহুতল শপিং কমপ্লে¬¬ক্সসহ নয়টি ভবণ হেলে পড়ে। আতঙ্কে হুড়াহুড়ি করে নামতে গিয়ে কক্সবাজার, চট্টগ্রাম ও সিলেটে ৭৮ জন আহত হয়েছেন। ভূমিকম্প এমন এক প্রাকৃতিক দুর্যোগ, যাকে প্রতিরোধ করার কোনো উপায় মানুষের আয়ত্তে থাকে না। এমনকি এর সঠিক পূর্বাভাস দেয়াও সম্ভব হয় না অনেক সময়। তাই ভূমিকম্পে ক্ষয়ক্ষতি নিয়ন্ত্রণে পূর্বপ্রস্তুতির অভাবে ক্ষতির পরিমান বেশি হয় এবং ভুমির কম্পনে মানুষের মনে কম্পন সৃষ্টি হলেও ক্ষতি মোকাবেলায় আমাদের দৃশ্যমান প্রস্তুতি নেই। ভূমিকম্প সম্পর্কে সরকারিভাবে মানুষকে সচেতন করাসহ ভূমিকম্প এলে করণীয় কি সে সম্পর্কে সঠিক জ্ঞাণ দিয়ে মানুষকে প্রশিক্ষিত করার পাশাপাশি ভূমিকম্পসহ যেকোন দুর্যোগ মোকাবিলার সক্ষমতা বাড়াতে এখন থেকেই সংশ্লিষ্ট সরকারি মহল কার্যকরি পদক্ষেপ গ্রহণ করবেন, এমনটা প্রত্যাশা সবার।
