মাজহারুল ইসলাম,রৌমারী (কুড়িগ্রাম) প্রতিনিধিঃ
রৌমারীতে গ্রাম বাসীর অর্থ ও স্বেচ্ছা শ্রমে ১শ মিটার বাঁশের সাকো নির্মানের কাজ করা হচ্ছে। রৌমারী উপজেলাধীন চাক্তাবাড়ী, কাঠালবাড়ী, কান্দাপাড়া, বড়চরসহ ১০গ্রামের ৫০ হাজার মানুষের দূভাগ্য সোনাভরী নদী। নদের এপার ওপারে ১০গ্রামের মানুষের বসবাস।ডিসি সড়ক হতে কান্দাপাড়া ও চরাঞ্চলে যাতায়াতের একটি মাত্র সড়ক, যাহা সোনাভরী নদ দ্বাড়া দ্বিখন্ডিত। প্রতিনিয়ত সড়কটি দিয়ে উভয় অঞ্চলের হাজার-হাজার মানুষ জীবনের ঝুকি নিয়ে নানা উপায়ে পারাপার হয়ে থাকে। দেশ স্বাধীনের ৪৬ বছরের এ এলাকার মানুষের যাতায়াত সড়কটির সোনাভরি নদের ভোগান্তি লাঘবে কোন ব্রীজ নির্মাণ করা হয়নি। উপজেলা পর্যায়ে সরকারী কোন সহায়তা নাপাওয়ায় ওই এলাকার মানুষের বাঁশ-কাঠ অর্থ ও স্বেচ্ছা শ্রমে নির্মিত হচ্ছে এসাঁকো।
সোনাভরি নদ পারের, রহমত আলী, আব্দুস সালাম, ইউপি সদস্য তমিজ খাঁ, প্রভাষক ছলিম উদ্দিন, প্রভাষক হাবিবুর রহমান, গমির উদ্দিন প্রামানিক, আব্দুল খালেক, বাহাদুর খাঁ, মনসুর খাঁ, মনু খাঁসহ অনেকেই রাগ ক্ষোভ ব্যাক্ত করে বলেন, এই এলাকার ৫০ হাজার মানুষের অধিকাংশই সোনাভরি নদের পশ্চিম পারে চরাঞ্চলে বসবাস করে। ওই মানুষ গুলো ভয়াল সর্বনাশা ব্রহ্মপুত্র ও সোনাভরি নদের খেয়াল-খুশিমত ভাঙ্গনের শিকার।নানা চড়াই-উৎরাই এর মধ্যদিয়ে ওদের জীবিকা নির্বাহ হয়। প্রবাদ আছে, মড়ার উপর খারার ঘাঁ, সোনাভরি নদের উপর একটি ব্রীজের অভাবে দুপারের কৃষক তাদের ফসল উৎপাদন, ফসল ঘরে ও হাটবাজারে নিতে চরম ভোগান্তিতে পরতে হয়। ওই অঞ্চলের মানুষ বর্ষা মৌসুমে কখনো ডিঙ্গি নৌকা, কলাগাছের ভেলা নানা উপায়ে পারাপার হয়ে থাকে।
সরকারী কোন সহায়তা না পাওয়ায় ১০গ্রামের মানুষ একত্রিত হয়ে চাদা হারি করে নিজেরা পরিশ্রম করে সাঁকেটি নির্মাণ করছেন। প্রতিবছর সরকার কোটি-কোটি টাকা গ্রামীণ রাস্তা-ঘাট নির্মাণে বরাদ্দ দিলেও নিদিষ্ট জায়গায় সঠিক বাস্তবায়ন না হওয়ায় চরম ক্ষোভ প্রকাশ করছেন। তবে এলাকাবাসীর প্রাণের দাবী সোনাভরি নদের একটি ব্রীজ নির্মাণ করে ৫০হাজার মানুষের দূর্ভোগ লাঘব করা হউক।
