টাঙ্গাইলের সখিপুর সদর পোষ্ট মাষ্টার মো.জামাল হোসেন এর বিরুদ্ধে ব্যাপক অনিয়ম ও দুর্নীতির অভিযোগ পাওয়া গেছে।
সখিপুর উপজেলার অধিকাংশ লোক প্রবাসী। তারা প্রতিমাসে লাখ লাখ টাকা দেশে পাঠায়। ব্যাংকের তুলনায় বেশী লভ্যাংশ পাওয়া যায় বিধায় প্রতিদিন গড়ে ৬০/৭০লাখ টাকা পোষ্ট অফিসে জমা হয়। সখিপুর সদর পোষ্ট অফিসে এফ ডি আর,পরিবার সঞ্চয়পত্র,সরকারি পেনশনার সঞ্চয়পত্র ও সেভিংস একাউন্টে প্রায় ৪শত কোটি টাকা জমা রয়েছে।
পোষ্ট মাষ্টার মো.জামাল হোসেন তথ্য গোপন করে অনিয়ম,দুর্নীতির আশ্রয় নিয়ে টাকা জমা নেওয়ার সময়,উত্তোলন করার সময় লাখে এক দেড় হাজার টাকা ঘুষ নিয়ে থাকে। আর তার এ ঘুষ দুর্নীতির কাজে সহযোগিতা করে থাকে আরেক প্রমানিত দুর্নীতিবাজ পিয়ন জিন্নাহ। জিন্নাহ দুর্নীতির দায়ে অভিযুক্ত হয়ে পোষ্ট মাষ্টার থেকে পিয়ন হয়েছে। এই দুই দুর্নীতিবাজ মিলে পোষ্ট অফিসের গ্রাহকদের হয়রানি করে লাখ লাখ টাকা হাতিয়ে নিচ্ছে। মহিলাদের পরিবার সঞ্চয়পত্র পাঁচ বছর মেয়াদে প্রতি মাসে প্রতি লাখে ভ্যাট বাদে ৯শত ১২টাকা লভ্যাংশ প্রদান করা হয়। তিন বছর মেয়াদে এফ ডি আর এ প্রতি লাখে ভ্যাটবাদে ৩০হাজার ২শ ৫০টাকা লভ্যাংশ দেওয়া হয়। আর সঞ্চয়পত্র তিন মাস অন্তর অন্তর ভ্যাটবাদে লাখে ২হাজার ৬শত ২০টাকা লভ্যাংশ দেওয়া হয়। সরকারি পেনশনার সঞ্চয়পত্রে তিন মাস পর পর ভ্যাটবাদে লাখে ২হাজার ৭শত ৬০টাকা লভ্যাংশ প্রদান করা হয়।
সাধারন সেভিংস হিসাবে শতকরা সাড়ে সাত টাকা লভ্যাংশ দেওয়া হয়। ফলে সখিপুরের লোকজন পোষ্ট অফিসে লাখ লাখ অলস টাকা জমা রাখছে। আর সুযোগকে কাজে লাগিয়ে তথ্য গোপন রেখে সাত-ফাঁচ চৌদ্দ বুঝিয়ে মনগড়া সীট তৈরী করে দুর্নীতিবাজ পোষ্ট মাষ্টার জামাল হোসেন পোষ্ট অফিসের গ্রাহকদের নিকট থেকে লাখ লাখ টাকা হাতিয়ে নিচ্ছে। দেখার কেউ নাই। সুষ্ঠ,নিরপেক্ষ তদন্ত সাপেক্ষে এ দুর্নীতিবাজ পোষ্ট মাষ্টার জামাল হোসেন,পিয়ন জিন্নাহ এর বিরুদ্ধে ব্যবস্থা গ্রহনের জন্য সংশ্লিষ্ট মন্ত্রনালয়ের প্রতি জোর দাবী জানিয়েছেন সখিপুর সদর পোষ্ট অফিসের গ্রাহকগন।

