রাজাপুরে মসজিদ ভিত্তিক গনশিক্ষা কার্যক্রমে দুর্নীতি ও অনিয়মের অভিযোগ

0
875

রাজাপুর(ঝালকাঠি)প্রতিনিধিঃ ঝালকাঠির রাজাপুরে মসজিদ ভিত্তিক গনশিক্ষা কার্যক্রমে দুর্নীতি ও অনিয়মের অভিযোগ উঠেছে। উপজেলার ৬টি ইউনিয়নের মোট ১২০টি কেন্দ্রে এ অনিয়মের মধ্যে দিয়ে চলছে গনশিক্ষা কার্যক্রম।১২০টি কেন্দ্র পরিদর্শনের জন্য রয়েছে মাত্র একজন মাঠ সুপারভাইজার।কেন্দ্রগুলো ঘুরে দেখা গেছে,কোন কোন কেন্দ্রে ২/৪ জন শিক্ষার্থী রয়েছে।কোন কোন কেন্দ্রে শিক্ষক অনুপস্থিত।

Advertisement

আর যারাও রয়েছেন তারাও নিয়মিত কেন্দ্রে আসেননা। ফলে গনশিক্ষা কার্যক্রমে ব্যহত হচ্ছে।ইসলামিক ফাউন্ডেশন পরিচালিত এ গনশিক্ষা কার্যক্রমে বছরের পর বছর অনিয়ম ও দূর্নীতি চলে আসলেও ইসলামিক ফাউন্ডেশনের কোন কর্মকর্তা কখনই কেন্দ্র পরিদর্শনে আসেননি বলে শিক্ষার্থী ও অভিভাবকরা অভিযোগ করেছেন।এছাড়া শিক্ষক ও ফিল্ড সুপারভাইজারের মধ্যে রয়েছে আর্থিক লেনদেনের দূর্নীতি। শিক্ষক নিয়মিত কেন্দ্রে না আসার কারনে বেতন উত্তোলনকালে সুপারভাইজারকে বেতনের একটি অংশ দিতে হচ্ছে।যার ফলে শিক্ষকরা আরো বেশি করে দূর্নীতি করার সাহষ পাচ্ছে।এছাড়া অনেক কেন্দ্র ও শিক্ষকের হদিস পাওয়া যায়নি। ইসলামিক ফাউন্ডেশন অফিস সূত্রে জানা গেছে,উপজেলার ছয়টি ইউনিয়নে প্রতিবছর ডিসেম্বর মাসে কেন্দ্রের তলিকা নির্ধারন হয়ে থাকে।কেন্দ্র তালিকা নির্ধারনেও রয়েছে ঘুষ বানিজ্যের অভিযোগ।সুপারভাইজারসহ অফিস কর্মকর্তাদের খুশি করতে না পারলে সেখান থেকে কেন্দ্র পরিবর্তনেও অভিযোগ রয়েছে। সূত্র আরো জানায়,প্রতিদিন সকাল ৬টা থেকে সাড়ে ৮টা পযর্ন্ত প্রতিটি কেন্দ্রে পাঠদান করার নিয়মনীতি থাকলেও কোন শিক্ষক নয়িমনীতির তোয়াক্কা না করে কেন্দ্র পরিচালনা করছেন,তা শুধু কাগজে-কলমে ও খাতা-পত্রে সীমাবদ্ধ।রাজাপুর উপজেলার দায়িত্ব প্রাপ্ত সুপারভইজার মিজানুর রহমান ইমরানের সঙ্গে যোগাযোগ করা হলে তিনি জানান,আমি প্রতি মাসে ১৬ দিন কেন্দ্র পরিদর্শন করি কিন্তু শিক্ষার্থীরা জানায় আমরা কোন সুপারভইজারকে আজ পযর্ন্ত দেখিনি।উপজেলার বড়কৈবর্ত্তখালী,আলগী,দক্ষিন রাজাপুর,বারবাকপুর ও সাতুরিয়া ইউনিয়নের কেন্দ্র গুলো ঘুরে একই চিত্র দেখা গেছে। এব্যাপারে ইসলামিক ফাউন্ডেশনের উপ-পরিচালক মোঃ মশিউর রহমানের সাথে ফোনে যোগা যোগের চেষ্টা করা হলে তাকে ফোনে পাওয়া যায়নি।

Advertisement

মন্তব্য করুন

Please enter your comment!
Please enter your name here