রাজনৈতিক নেতাদের নাম ভাঙ্গিয়ে চলছে বিভিন্ন অপকর্ম ভোলা জেলার এসপি মোক্তার হোসেনের বিরুদ্ধে নারী কেলেঙ্কারী’র অভিযোগ

0
2559

ঈগল টিম প্রতিবেদক ঃ
ভোলা জেলার নব্য যোগদানকারী পুলিশ সুপার মোক্তার হোসেনের বিরুদ্ধে নারী কেলেঙ্কারীসহ বিভিন্ন অপকর্মের অভিযোগ পাওয়া গেছে। জানা গেছে, শুধু ভোলা জেলাই নয় এর আগেও যেখানে তিনি কর্মরত ছিলেন ওইখানেই নারী কেলেঙ্কারীর ছাপ রেখে আসছেন। অভিযোগ সূত্রে জানা গেছে, পুলিশ সদর দপ্তরের নিদের্শ আছে নারী পুলিশ সদস্যদের প্রতিটি থানায় পদায়ন করতে হবে। সেই নিদের্শ অনুযায়ী নারী পুলিশ সদস্যরা ভোলা জেলার প্রতিটি থানায় এর আগে কর্মরত ছিলেন। কিন্তু গত ১৪/০৭/১৬ ইং তারিখ ভোলা জেলায় পুলিশ সুপার হিসাবে মোক্তার হোসেন যোগদান করে প্রতিটি থানা পরিদর্শনে গিয়ে সুন্দরী কনেষ্টবল মেয়েদের কং নং সংগ্রহ করে তাদেরকে পুলিশ লাইনে বদলী করে আনেন। ওই মেয়ে পুলিশ সদস্যদের পুলিশ লাইনে বদলী করে তাদের ফোন নাম্বার সংগ্রহ করে নিজে এবং তারা বাসার অর্ডার্লী মনির হোসেনকে দিয়ে ফোন করে বাসায় নিয়ে প্রথম দৈহিক সম্পর্ক করার প্রস্তাব ও পরে দৈহিক সম্পর্ক স্থাপন করেন। যদি তার প্রস্তাবে কোন নারী কনেষ্টবল রাজী না হয় তাহলে তাকে শাস্তিমূলক বদলী করার হুমকি দেন। এ নিয়ে ভোলা জেলার বিভিন্ন থানার ও পুলিশ লাইনে কয়েকজন নারী কনেষ্টবল উইমেন্স পুলিশ নেটওয়ার্ক এর প্রধান মিলি বিশ্বাসের কাছে মৌখিক অভিযোগ দেন। পরবর্তীতে নারী পুলিশ সদস্যদের মৈাখিক অভিযোগের  অভিযোগের বিষয়টি নারী পুলিশ সদস্যদের প্রধান মিলি বিশ্বাস মহা পুলিশ পরিদর্শককে অব্যহতি করেন। মহা পুলিশ পরিদর্শক উক্ত ঘটনাটি তদন্ত করতে ভারপ্রাপ্ত ডিআইজি বরিশাল রেঞ্জকে দায়িত্ব দেন। ভারপ্রাপ্ত ডিআইজি মহা পুলিশ পরিদর্শকের নিদের্শে বিষয়টি তদন্ত করতে ভোলায় সরেজমিন পরিদর্শনে যান। পুলিশের গোপান সূত্র জানান, ইতিমধ্যে ওই তদন্ত কমিটি তার বিরুদ্ধে অভিযোগের প্রমানও পেয়ে তদন্ত রিপোর্ট পুলিশ সদর দপ্তরে দাখিল করেছে। এছাড়াও তার নারী কেলেঙ্কারীর প্রমানও আমাদের কাছে সংরক্ষন করা আছে। অভিযোগ রয়েছে, ভোলা জেলায় যোগদান করেই বিভিন্ন সিন্ডিকেটের সাথে আতাঁত করেন তিনি। প্রকৃত মাদক ব্যবসায়ীদের সাথে সম্পর্ক গড়ে তুলে সাধারন নিরীহ মানুষকে মাদক ব্যবসায়ী সাজিয়ে মামলার ভয়ভীতি দেখিয়ে টাকা আদায় করেন। যারা তার চাহিদা মত টাকা না দেয় তাদেরকে মাদক মামলায় জেলহাজতে পাঠান। সাধারন মানুষের সেবা নয় তাদের হয়রানী করাই এখন তার মূল লক্ষ্য। সূত্র জানায়, তিনি ভোলার বিভিন্ন মানুষের সামনে প্রকাশ্যই বলে বেড়াচ্ছে ক্লিন কর্মকান্ড নাকি তার প্রথম টার্গেট। ভোলা জেলার বিরোধীদল ও বিএনপির বড় বড় রাজনৈতিক ব্যক্তিদের তিনি রাজনীতি থেকে সরে যেতে বলেন। তার এমন প্রস্তাবে ভোলা জেলায় নানামুখি প্রশ্ন দেখা দিয়েছে। সাধারন মানুষের প্রশ্ন তিনি কি রাজনীতির সাথে জড়িত নাকি পুলিশ বাহিনীতে কর্মরত? তার এমন আচার আচারনের কারনে ভোলায় আতঙ্ক বিরাজ করছে। ওই সূত্রটি জানায়, ভোলা জেলা বিএনপির সভাপতি আলহাজ গোলাম নবী আলমগীরকে তিনি রাজনীতি থেকে সরে যেতে বলেন। এ ব্যাপারে ভোলা জেলা বিএনপির অঙ্গ সংগঠনের নেতাদের মধ্যে ক্ষোভ বিরাজ করছে বলে জানা গেছে। তবে বিষয়টি জেলা বিএনপির সভাপতি আলহাজ গোলাম নবী আলমগীর নিজের মধ্যেই রেখে দিয়েছেন। তিনি উক্ত বিষয়ে কোন নেতাকর্মীর মধ্যে আলোচনা করেন নি। সূত্রে আরো জানা গেছে, শুধু ভোলা জেলাই তিনি নারী কেলেঙ্কারীর সাথে জড়ান নি। এর আগে সিরাজগঞ্জ জেলার অতিরিক্ত পুলিশ সুপার থাকা কালীন সময়েও তিনি নারী কনেষ্টবলদের বাসায় এবং অফিসে ডেকে নিয়ে শারিরীক সম্পর্ক গড়ে তুলতেন। তার এমন তথ্য প্রমানও আমাদের ঈগল টিমের কাছে এসেছে। ওই তথ্যে তৎকালীন সিরাজগঞ্জের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার থাকাকালীন মোক্তার হোসেন এক নারী কনেষ্টবলকে সেক্সুয়াল উত্তেজনক কথাসহ তার অফিসে যেতে বলেন। ওই নারী কনেষ্টবল সেদিন তার অফিসে যাবে বলে শুনা যায়। এর বিস্তারিত নিজে হুবাহুব তুলে ধরছি। এরপর যেখানেই তার পুষ্টিং হয়েছে সেখানেই নারী কনেষ্টবলদের সাথে অনৈতিক সম্পর্ক গড়ে তুলেছেন বর্তমান ভোলা জেলার এসপি মোক্তার হোসেন। ভোলা জেলা সূত্রে জানা গেছে, মাদক স্পট, বাঘদা রেনু পাচার সিন্ডিকেট, ভোলার দুইটি ফেরিঘাট ও লঞ্চঘাটগুলোতে নিজস্ব সোর্স নিয়োগ দিয়ে চাঁদাবাজি করে আসছেন বলেও অভিযোগ পাওয়া গেছে। এছাড়াও তিনি সিরাজগঞ্জ জেলার অতিরিক্ত পুলিশ সুপার থাকাকালে এক নারী কনেষ্টবলের সাথে অনৈতিক সম্পর্কে জড়িয়েছেন বলে একটি অডিও রেকর্ড আমাদের কাছে এসেছে। ওই অডিও রেকর্ড হুবাহুব নিজে তুলে ধরা হলঃ বগুড়ার মেয়ে ও এসপি মোক্তার হোসেন বরিশালের ভাষায় কথা বলে।
মেয়েঃ এই তো কোথায় আপনে??
মোক্তার হোসেনঃ ঘুমাইতে ছো নাকি??
মেয়ে ঃ হে…..
মোক্তার হোসেনঃ ঘুমাইতে ছো????
মেয়েঃ হা ঘুমাচ্ছি. কই আপনে??
মোক্তার হোসেনঃ বাসায়??
মেয়েঃ হা রুমে
মোক্তার হোসেনঃ হা আমি অফিসে, কি কর???
মেয়েঃ এই তো অফিস থেকে আসি খুব মাথা ব্যাথা করতে ছিল তাই শুইছি।
মোক্তার হোসেনঃ তোত দেখা করলা না.. একটা সুযোগ ছিল।
মেয়েঃ যাইতে চাইছিলাম, মুন্সি বেটা ভাল না, বললাম আমারে আজ ডিউটি দিয়েন না কালকে দিয়েন, তাও কচ্ছে পোর্স নাই আজকের দিনটা কর।
মোক্তার হোসেনঃ না সার নাই.. আজকে আমি একবারে ফ্রি ছিল।
মেয়েঃ হিম…
মোক্তার হোসেনঃ একবারে ফ্রি ছিল।
মেয়েঃ ফ্রি ছিলেন……..???
মোক্তার হোসেনঃ হে হে …..
মেয়েঃ আজকে????
মোক্তার হোসেনঃ আজকে তো শুভাষ (বর্তমানে ঝালকাটির এসপি, তৎকালীন সিরাজগঞ্জের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার) নাই এসপি সার নাই কেই নাই।
মেয়েঃ নুসরাত??
মোক্তার হোসেনঃ হে??
মেয়েঃ নুসরাত কই গেছে??
মোক্তার হোসেনঃ ও তো চলে গেছে আড়াইটার দিকে।
মেয়েঃ আড়াইটার দিকে চলে যায়??
মোক্তার হোসেনঃ হি……
মেয়েঃ হি হি তারপর পোস্টিং হয়নি এখনো??
মোক্তার হোসেনঃ না, আসবা আজকে….এরপর স্পস্ট বুঝা যায় নি। পরে আসলে আজ কিছু হইতো।
মেয়েঃ ও দেখি, আপনে ওসি’ক বলছেন দেখে রাইখেন, ওসি সার একটু এদিক সেদিক গেলেই বাজারে গেলেই বলে যাওনা কেন? এই কর না সেই কর না এডিশনাল এসপি সার বলছে তোমারে দেখে রাখতে।
মোক্তার হোসেনঃ ওটা আমার রেপারেন্সে দিয়া বলছে, এমনে তোমারে ই করার জন্য।
মেয়েঃ তাই?????
মোক্তার হোসেনঃ আমার রেপারেন্স দিয়া তোমারে চাপাইয়া রাখছে, তুমি বুঝ নাই।
মেয়েঃ সার বলছে তোমারে দেখে রাখতে বলছে। বাজারে গেলে বলে যাবে। আমাগে বলে বাজারে গেলে বল্লে যাবে। ঠিক আছে এ জন্য বাজারেও যাইনা। বাজারও করি না।
মোক্তার হোসেনঃ তুমি তুমি তিনটার দিকে, তিনটার দিকে আস কেউ থাকবে না
মেয়েঃ ও ও….আচ্ছা দেখি
মোক্তার হোসেনঃ বুঝতে পারছো
মেয়েঃ হা….
মোক্তার হোসেনঃ অস্পষ্ট ভাষায় কি যেন বলে,,,পরে আর এমনে শরীর ঠিক আছে তো???
মেয়েঃ হা শরীর ঠিক আছে সমস্যা নাই।
মোক্তার হোসেনঃ প্যান্ডি ম্যান্ডি পড়ার দরকার নাই বুঝতে পারছো??।
মেয়েঃ এহ এহ না সমস্যা নাই হিম হিম সমস্যা নাই, সমস্যা নাই, সমস্যা নাই, আমি যাব নি, দেখি।
মোক্তার হোসেনঃ হে….
মেয়েঃ আমি যাব দেখি, গোছ-গাছ, উঠি উইঠা গোসল টোসল কইরা আপনার সাথে যাই, চুপ করে চলে যাব, তিনটার দিকে টুপ করে চলে যাব। এরপর কি যেন বলতে চায় মেয়ে….
মোক্তার হোসেনঃ আসার আগে রিং দিও।
মেয়েঃ আসার আগে রিং দিব??
মোক্তার হোসেনঃ রিং দিবা না নাইলে তো আমি অফিসে থাকবো না।
মেয়েঃ আহ আহ আচ্ছা ঠিক আছে।
মোক্তার হোসেনঃ আমি রওয়ানা দিলাম।
মেয়েঃ হ্যায়….
মোক্তার হোসেনঃ যে সার আমি রওয়ানা দিলাম।
মেয়েঃ হ্যায় আচ্ছা ঠিক আছে..
মোক্তার হোসেনঃ বুঝতে পারছ??
মেয়েঃ হ্যা…..
মোক্তার হোসেনঃ রওয়ানা দিয়ে এখানে আসলে মানি বলবা যে পোস্টিং মোস্টিং এর জন্য..রব .রবে থাকবে তো।
মেয়েঃ রব??
মোক্তার হোসেনঃ রব থাকবে রব, ওই যে অর্ডার্লী।
মেয়েঃ সমস্যা নাই।
মোক্তার হোসেনঃ হে…
মেয়েঃ সমস্যা নাই।
মোক্তার হোসেনঃ কইও যে পোস্টিং এর ব্যাপারে আলাপ করমু।
মেয়েঃ ও আচ্ছা ঠিক আছে সমস্যা নাই।
মোক্তার হোসেনঃ একটু পরিস্কার টরিস্কার কইরা আইসো।
মেয়েঃ হে হে হে…
মোক্তার হোসেনঃ কইসা মাইজা সব ধুয়া মাইজা আইসো।
মেয়েঃ হা হা হি হি হি….আচ্ছা ঠিক আছে সমস্যা নাই হে হে।
মোক্তার হোসেনঃ ঠিক আছে।
মেয়েঃ আচ্ছা ঠিক আছে।
মোবাইল ফোনে এমন সব কথা বলেন তৎকালীন সিরাজগঞ্জের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার মোক্তার হোসেন। যা মোবাইল ফোনে ধারনকৃত একটি রেকর্ডিং এর অংশ পাঠকদের জন্য তুলে ধরেছি। যা ৩ মিনিট ১৯ সেকেন্ড ধরে তাদের মধ্যে এই কথা হয়।
এসপি মোক্তারের নারী সংগ্রহের
নেপথ্যে সাবেক অর্ডার্লী মনিরঃ
সম্প্রতি ভোলা জেলার এসপি হিসাবে যোগদান কারী মোক্তার হোসেন নিজেও আইন শৃঙ্খলার সহযোগিতা নিতে আসা নারীদেরকে অনৈতিক সম্পর্ক স্থাপনের প্রস্তাব দেন বলে অভিযোগ উঠেছে। আরেকদিকে তার নারী কেলেঙ্কারী সহযোগী হিসাবে বাসার অর্ডার্লী মনির জড়িত থাকার প্রমান পাওয়া গেছে। এ নিয়ে পুলিশ সদর দপ্তর একটি তদন্ত কমিটিও গঠন করেন। ইতিমধ্যে তদন্ত কমিটি এসপি মোক্তার হোসেন এ অপকর্মে প্রমানও পান। তাই ওই তদন্ত কমিটি প্রতিবেদনও পুলিশ সদর দপ্তরে জমা দিয়েছেন বলে পুলিশ সদর দপ্তরের একটি গোপন সূত্র বিষয়টি নিশ্চিত করেন। এছাড়াও তার নারী সংগ্রহকারী হিসাবে তার বাসার অর্ডার্লী মনির কাজ করছেন বলে কয়েকটি অডিও রেকর্ড আমাদের কাছে এসেছে। আমরা ওই রেকর্ডিগুলো হুবাহুব পরবর্তী সংখ্যায় বিস্তারিত তুলে ধরবো। সূত্রে জানা গেছে, বাসার অর্ডার্লী মনিরকে দিয়ে ভোলা জেলার প্রতিটি থানার প্রতিটি সুন্দর নারী কনেষ্টবল মেয়েদেরকে অনৈতিক সম্পর্ক ও দৈহিক সম্পর্ক গড়ে তুলার জন্য ওই মেয়েদেরকে বাসায় ডেকে আনেন। কোন মেয়ে কনেষ্টবল আসতে রাজি না হলে তাকে শাস্তিমূলক বদলীসহ বিভিন্ন ধরনের হুমকি দেন এসপি মোক্তার হোসেনের বাসার অর্ডার্লী মনির। আবার কোন কোন মেয়ে এসপির ভয়ে কোন উপায় অন্তর না পেয়ে অবশেষে অর্ডার্লী মনিরের কথামত এসপির ডাকে সারা দিয়ে অনৈতিক সম্পর্কে মিলিত হন। এ ব্যাপারে কয়েকজন নারী পুলিশ সদস্য জানান, এসপি সাহেব অনৈতিক সম্পর্ক স্থাপনের কথা সরাসরি না বললেও তার বাসার অর্ডার্লী মনিরকে দিয়ে আমাদের নারী কনেষ্টবলসহ নারী পুলিশ সদস্যদের ম্যানেজ করেন। যদি তার কথা কেউ না শুনে তাহলে এসপি সাহেব বিভিন্ন অজুহাত দেখিয়ে চরফ্যাশন এলাকার চরকুকরি-মুকরি শাস্তিমূলক বদলী করেন। আর ভোলা জেলার পুলিশ সদস্যেদের জন্য সবচেয়ে কষ্টের স্থান হল চর এলাকাগুলো। এখানে জলদস্যুবাহিনী ও সন্ত্রাসী বাহিনীদের আস্তানা। ওই স্থানে পুরুষ পুলিশ সদস্যরাই ডিউটি করতে হিমশিম খায় আর আমরা তো নারী পুলিশ। আমাদের নিরাপত্তা নিয়ে আশংঙ্কা হয়। কবে কোন সময় এ জলদস্যু বাহিনী ও সন্ত্রাসীদের দ্বারা আক্রমনের শিকার হতে হয়। বর্তমান এসপি সাহেব আসার পর ভোলা জেলার নারী পুলিশ সদস্যরা এ ধরনের সমস্যায় পড়ছে বলে জানান তারা। এছাড়াও এসপি মোক্তার হোসেনের নিদের্শে বোরহান উদ্দিন এলাকার জীনের বাদশা নামে প্রতারণাকারীদের গ্রেফতার করে থানায় এনে মাদক দিয়ে মামলা দেওয়ার রেকর্ড গড়ে তুলেছেন বলেও অভিযোগ রয়েছে। তার ওই মাদক মামলার নৈপথ্যে থাকা পুলিশের এসআই এর বিরুদ্ধে ধারাবাহিক সংবাদ প্রকাশ করা হবে। এ নিয়ে আমাদের ব্যাপক অনুসন্ধান চলছে, আরো বিস্তারিত আগামী সংখ্যায়।

Advertisement
Advertisement

মন্তব্য করুন

Please enter your comment!
Please enter your name here