রাজধানীর খিলগাঁও যুবলীগ নেতা, সমাজ সেবক ও সাংবাদিককে নির্যাতন ও মিথ্যা মামলার বিষয়ে অসাধু লোকদের বিচার দাবী

0
958

অপরাধ বিচিত্রা ঃ
রাজধানীর বিভিন্ন এলাকায় প্রকৃত অপরাধীরা থাকে পুলিশ প্রশাসন ও আইন শৃঙ্খলা বাহিনীর ধরাছোয়ার বাহিরে। এমনকি আইন শৃঙ্খলা বাহিনীর কিছু অসাধু কর্মকর্তার সহযোগিতায় বিভিন্ন অপকর্মের সাথে জড়িত হয়ে পড়ে অপরাধীরা। এই অপরাধীরাই বিভিন্ন জনের কাছে নিজেদের পরিচয় দেয় আইন শৃঙ্খলা বাহিনীর লোক বলে এমন অসংখ্য সোর্স রয়েছে তাদের। তবে রাজধানী প্রানকেন্দ্রে কম বেশি অপরাধী আইন শৃঙ্খলা বাহিনীর লোক বলে পরিচয় দেয়ার থাকলেও খিলগাঁও জোনে এদের সংখ্যা অনেক। এই এলাকায় র‌্যাবের সোর্সই বেশি বিভিন্ন অপকর্মে সাথে জড়িত। তারা এমন কোন কাজ নাই যে করে না। যেমন চাঁদাবাজি, জমি জবর দখল, ফিটিং বাণিজ্য, মাদক ব্যবসা, বিভিন্ন ফ্ল্যাট বাসা মেয়ে দিয়ে দেহ ব্যবসাও করে খিলগাঁও র‌্যাবের সোর্সরা। এমনও অভিযোগ রয়েছে, র‌্যাবের লোক পরিচয় দিয়ে বিভিন্ন বাসা থেকে সাধারন নিরীহ মানুষকে ধরে নিয়ে র‌্যাবের সোর্সরা টাকা হাতিয়ে নেয়। কিন্তু র‌্যাব ওই সোর্সদের আইনানুগ কোন ব্যবস্থা না নিয়ে উল্টো যারা নিরীহ জনগনের সেবা ও জাতীর জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মজিবুর রহমানের স্বপ্নের সোনার বাংলা গড়ার লক্ষ্যে কাজ করে যাচ্ছে তাদের উপর হামলা করে মিথ্যা মামলা দিয়ে জেল হাজতে পাঠান। খিলগাঁও জোন র‌্যাব-৩ এর কাছে সন্ত্রাসীরা নিরাপত্তা পায় আর যারা সমাজের জন্য কাজ করে যাচ্ছে তারা এই র‌্যাব সদস্যেদের কাছে হয়রানীর স্বীকার হয়।
সূত্র জানায়, রাজনৈতিক ও জমিজমার ষড়ষন্ত্রের স্বীকার হয়ে র‌্যাবের অসাধু কর্মকর্তারা সম্প্রতি একটি অনাঙ্কাকিত ঘটনা সাজিয়ে গ্রেফতার করেন খিলগাঁওয়ের যুবলীগের নেতা সমাজ সেবক ও সাংবাদিক আব্দুল আজিজকে। এ ব্যাপারে আব্দুল আজিজের ছোট ভাই মোঃ জামিল হোসেন স্বরাষ্ট্র মন্ত্রনায়েরর সিনিয়র সচিব, স্বরাষ্ট্র মন্ত্রী, পুলিশের মহা পরিদর্শক, র‌্যাবের মহা পরিচালক, জাতীয় মানবাধিকার কমিশনের চেয়ারম্যানসহ আইন শৃঙ্খলা বাহিনীর বিভিন্ন দপ্তরে সুষ্ট তদন্তপূর্বক আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহনের জন্য লিখিত অভিযোগ দাখিল করেন। র‌্যাবের অসাধু কর্মকর্তারা তাকে গ্রেফতার করে অর্থনৈতিক ভাবে সফল না হতে পেরে তার বিরুদ্ধে নারায়ণগঞ্জ ও খিলগাঁও থানায় পৃথক দুইটি মামলা দায়ের করেন। নারায়ণগঞ্জ দায়েরকৃত মামলায় ওই এলাকার র‌্যাবের সোর্স অজিত দেবনাথকে বাদী করে অপহরনের নাটক সাজিয়ে নারায়নগঞ্জ সদর থানায় মামলা করেন।
* অপহরণের ঘটনাস্থল নারায়ণগঞ্জ চাষারা মোড় থেকে একটি সাদা গাড়ীতে করে বাদীর শ্যালক রানা পোদ্দারকে অপহরন করে ঢাকা নিয়ে আসার কথা এজাহারে উল্লেখ থাকলেও নেই অপহরনকারীরা কোন গাড়ীতে ভিকটিমকে ঢাকায় আনেন এবং গাড়ী নাম্বার কত? এমনকি যে গাড়ীতে করে অপহরনকারীরা ভিকটিমকে ঢাকায় আনা হয় র‌্যাব সদস্য ওই গাড়ী উদ্ধার করেন নি কেন? এমন প্রশ্নও দেখা দিয়েছে সাধারন মানুষের মাঝে।
* র‌্যাব কি সত্যি অপহরণকারীদের গ্রেফতার করেছেন নাকি অন্য কোন স্বার্থ হাসিল করেছেন এমন প্রশ্ন দেখা দিয়েছে।
* জব্দকৃত তালিকায় সব কিছু বড় অক্ষরে লেখা হলে ইয়াবা উদ্ধারের লেখা তালিকায় কেন ছোট অক্ষরে হল?? এমন কৌতুহল নাটকীয়কতার মধ্যে দিয়ে তড়িৎ গতিতে মামলা দায়ের করে র‌্যাবের অসাধু কর্মকর্তারা।
* এছাড়াও খিলগাঁও থানা ও নারায়ণগঞ্জ থানার পৃথক দুইটি এজাহারে ঘটনার তারিখ ও সময় দুই ধরনের দেখানো হয়েছে। যা নানাবিধ প্রশ্নে জন্ম দিয়েছে অনেকের মাঝে। এ নিয়ে আরো বিস্তারিত…………..
রাজধানী খিলগাঁও সমাজ সেবক ও সাংবাদিককে উদ্দেশ্য প্রনোদিত হয়ে হীন স্বার্থসিদ্ধি হাসিলের জন্য মিথ্যা মামলা, অপহরন ও ইয়াবা মামলায় ফাঁসানোসহ অমানুষিক ভাবে নির্যাতন করে খিলগাঁও জোনের র‌্যাব-৩ এর সিপিসি,১ এর সদস্যরা। এ বিষয়ে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের সিনিয়র সচিব, স্বরাষ্ট্র মন্ত্রী, পুলিশের মহাপরিদর্শক, ডিসি ডিবি, সিআইডি, র‌্যাবের মহাপরিচালক, জাতীয় মানবাধিকার কমিশনের চেয়ারম্যান সহ আইন শৃঙ্খলা বাহিনীর দপ্তরে সুষ্ট তদন্ত পূর্বক আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহন ও বিচার দাবী জানিয়ে আবেদন করেন সাংবাদিক আব্দুল আজিজের ছোট ভাই এ আর জামিল হোসেন। আব্দুল আজিজ একজন সমাজ সেবক ও সাংবাদিক। তিনি দীর্ঘদিন যাবৎ উক্ত এলাকার গরীব দুঃখী ও অসহায় মানুষের সেবা করে যাচ্ছে। উক্ত সমাজ সেবা মুলক কর্মকান্ড এলাকার কিছু অসাধু দুর্নীতিবাজ র‌্যাব সদস্য ও মাষ্টার মাইন্ডের মুল হোতারা চোঁখের কাটা হয়ে পড়ে। আব্দুল আজিজকে ধ্বংস করার লক্ষ্যে মরিয়া হয়ে উঠেছে ওই অসাধু চক্রটি। জানা গেছে, তালতলা ক্যাম্পের র‌্যাব-৩, সিপিসি-১ এর র‌্যাব কর্মকর্তারা ও এলাকার কিছু অসাধু লোক আব্দুল আজিজের উপর ক্ষিপ্ত হয়ে গত ০৬/০৯/১৬ইং তারিখ রাত্রি আনুমানিক ১২টার পর আব্দুল আজিজের রাজনৈতিক ক্লাবে অভিযান চালিয়ে আব্দুল আজিজ সহ আরো চারজন অসহায় মানুষকে মিথ্যা মামলা দিয়ে হয়রানী করার লক্ষ্যে গ্রেফতার করে। এবং র‌্যাব-৩, সিপিসি-১,খিলগাঁও ক্যাম্প, ঢাকা অপারেশন টহল সিসি নং ১৫১/১৬ইং তারিখ ৭/৯/১৬ইং র‌্যাব কর্মকর্তা সোমেন দাস, এসআই (নিঃ) কর্তৃক নিজেদের বানানো একটি জব্দ তালিকা আদালতে দেন।
উদ্ধারকৃত তালিকায় আজিজের রুম থেকে কোরবানীর গরুর মাংস কাটার একটি ছোরা উদ্ধার করে। যারা এই মামলার জব্দ তালিকার সাক্ষী ১. মো: শরিফ হাওলাদার পিতাঃ মৃত আব্দুল লতিফ হাওলাদার ২. মো: হাসেন আলী ভূইয়া পিতাঃ মৃত মালেক ভূইয়া র্বতমান ঠিকানা ২৯০/এ খিলগাঁও আমানউল্লা সুপার মার্কেট সাক্ষী দের সাথে কথা বলে জানা যায়, জব্ধকৃত মালামাল তাদেরকে ছুরি ছাড়া আর কোন মালামাল দেখানো হয়নি। সাক্ষীগণেরা আজিজের পক্ষে সাক্ষী দেওয়ার জন্য প্রস্তুত আছে সব সময়।
আজিজের বিরুদ্ধে নতুন করে খিলগাঁও থানায় র‌্যাবে’র সাজানো মামলাঃ
এজাহারে দুই ধরনের কথা উল্লেখ আছে। ১। রানা পদ্দার ৬/৯/২০১৬ ইং তারিখে আনুমানিক ১১-৩০ ঘটিকার সময় বাসা থেকে কেনাকাটার জন্য ঢাকার উদ্দেশ্যে বাসা থেকে রিক্সায় করে চাষারা বাসষ্টেন্ডে পৌছায়, বাস যোগে ঢাকায় যাওয়ার জন্য অপেক্ষা করাকালিন সময় আনুমানিক ১২-৫ মিনিটের সময় একটি সাদা মাইক্রোবাসে ৭-৮ জন অজ্ঞাত নামা ব্যক্তি রানা পোদ্দারের সামনে এসে দাড়ায় এবং তাহাকে গাড়িতে টান দিয়ে তুলে নিয়ে যায়। এই সব কথা সম্পূর্ণ মিথ্যা,বানোয়াট ও ভিত্তিহীন।
২য় এজাহারঃ ০৬/০৯/২০১৬ ইং তারিখ আনুমানিক ১১-৩০ মনিটের সময় বাসা হইতে কেনাকাটার জন্য ঢাকার উদ্দেশ্যে রওনা হইয়া ঢাকার খিলগাঁও রেলগেট এলাকায় পৌছাইলে আনুমানিক ১-১০ মিনিটের সময় অজ্ঞাতনামা ৬/৭ জন ব্যক্তি অবৈধ জনতাবদ্ধ মিলিত হইয়া আমার গতিরোধ করিয়া জোরপূর্বক রানা পোদ্দার খিলগাঁও রেলগেটের আমানুল্লা সুপার মার্কেট এর ৩য় তলায় ধৃত আসামী আব্দুল আজিজ এর রুমে নিয়ে আটকিয়ে আমাকে মারপিট করে শরীরের বিভিন্ন স্থানে জখম করে। এসব কথা সম্পূর্ণ মিথ্যা, বানোয়াট ও ভিত্তিহীন এবং পরিকল্পিতভাবে জানো হয়েছে এ গল্প এবং এ গল্পের মূল নায়ক রানা পোদ্দার ও অজিত দেবনাথ।
২৯০/এ জোন খিলগাঁও রেলগেইট আমান উল্লাহ সুপার মার্কেট নিয়ে হাইকোর্টে মামলা চলছে। এলাকার লোক আব্দুল কাদেরকে খুব ভালো করে চিনে এবং তার সম্পর্কে জানে। আবদুল কাদের একজন খেটে খাওয়া মানুষ। তার উপর অনেকবার মামলা মোকাদ্দমা নিয়ে বিরোধ থাকায় আব্দুল কাদেরকে সন্ত্রাসী বাহিনী দিয়ে ও পুলিশ প্রশাসনকে ভূল বুঝিয়ে মিথ্যা মামলা হামলা দিয়ে হয়রানী করা হয়েছে। যাহার দাগ নং ১৪৩১, সাকিন ২৯০/এ জোন খিলগাঁও রেলগেইট আমানউল্লাহ সুপার মার্কেট নামে পরিচিত। এই মার্কেটের তৃতীয় তলায় আব্দুল কাদের পূর্বকাল থেকে তার পরিবারসহ বসবাস করে আসছে। বাদী আব্দুল কাদের সালেহ আহম্মদ ও আলী আহম্মদ বিবাদী উভয় ১৪৩১ দাগসহ অন্যন্যা দাগের সম্পত্তির মালিক। আব্দুল আজিজের পিতা আব্দুল কাদের। কাদেরের পিতা আব্দুল বাছেদ। এছাড়া আব্দুল আজিজ বিভিন্ন ধরনের অপরাধ দমনে পুলিশ প্রশাসনকে সব ধরনের সহযোগিতা করে আসছে। পুলিশ প্রশাসনও এলাকার অপরাধ দমনে আব্দুল আজিজের সহযোগিতা নিত। এ ব্যাপারে আমাদের আরো ব্যাপক অনুসন্ধান অব্যাহত আছে, পরবর্তীতে আরো বিস্তারিত।

Advertisement
Advertisement

মন্তব্য করুন

Please enter your comment!
Please enter your name here