:চট্টগ্রামস্থ রাঙ্গুনিয়া উপজেলার মরিয়ম নগর ইউপিতে এক আওয়ামী পরিবারে উপর কিছু সংখ্যক টাউট এবং হাইব্রিট আঃলীগ নেতার আশ্রয় ও প্রশ্রয়ে প্রাক্তন নির্বাচিত ইউপি মেম্বার আব্দুল মেতালেব ও পুত্র বধূ এক সময়ে রাঙ্গুনিয়া কলেজ ছাত্র সংসদের নেত্রী ও পরে নির্বাচিত(১০বছরের) ইউপি মহিলা মেম্বার নাছিমা আক্তার কে স্বপরিবারের নির্মম ভাবে নির্যাতন করেছেন বলে সংবাদ সম্মেলন করে ১৩ মে শনিবার চট্রগ্রাম প্রেসক্লাব মিলনায়তনে থেকে জানান।
লিখিত বক্তব্যে নির্যাতিত পরিবারের পক্ষে চমেক ডেন্ডাল ইউনিটের ছাত্রী(এমবিবিএস)ও সাবেক মহিলা ইউপি মেম্বার নাছিমা আক্তারের বড় কন্যা সানজিদা আফরিন আরো অভিযোগ করে বলেন, আমার বাবা আলতাফ হোসেন ২০১৬সালের ১২জুলাই পৌরসভার ভোটে আঃলীগ দলীয় প্রার্থী হবার জন্য তৃণমূলের সর্ব্বোচ্চ ভোটে নির্বাচিত দলীয় মনোনয়ন লাভ করাতে হাইব্রিট আঃলীগ নেতারদের যোগ সাজসে ক্ষোভের বর্শিভ’ত হয়ে আলতাফ হোসেন কে এক ঘন্টার ব্যবধানে আইনশৃংখালা বাহিনী দিয়ে মিথ্যা এবং ভিত্তিহীন ও চক্রান্ত করে ইয়াবা পেয়েছে বলে আটক করে নিয়ে যান। পরে খোজঁ খবর নিয়ে জানা গেছে ঐ আইনশৃংখালা বাহিনীর সদস্যরা আমাদের পরিবারের সদস্য ( চাচা) প্রবাসী-নুরুল আবছার কে ঐ সাজানো মামলার ২য় আসামী করেছে। সানজিদা আফরিন আরো অভিযোগ করে বলেন, তার অপর চাচা ইউপি আওয়ামী যুবলীগ সভাপতি মোঃ সুমন কে ও ঐ মামলায় আসামী করে ওয়ারেন্ট জারি করে বাড়ী ছাড়া করেছে।
তাছাড়া সুমন কে ২০১৫সালের নভেম্বর মাসে একটি অজ্ঞাত লাশের হত্যা মামলায় প্রধান আসামী কে পারিবারিক ভাবে চরম ভাবে কোনটাশা করে।ঐ ঘটনার যে লাশটি পুলিশ প্রশাসন উদ্ধার করেছিলেন তা ছিল যুবক মামুনের। এব্যাপারে মামুনের বাবা হারুণ উর রশিদ বাদী যে,জিডি করে ছিলেন তাতে সুমন সহ আরো আট জনের নামে কোন অভিযোগ বা হত্যা সংক্রান্ত বিষয়টি রাঙ্গুনিয়া থানার ওসি( হুমায়নের) মাধ্যমে হলফনামা দিয়ে উল্লেখিত কেউ জড়িত নহে বলে ঘোষনা দেন।
পূর্বের ঘটনায় উল্লেখ্য যে,২০১৪সালে জুলাই মাসে পৌরসভার ভোটে আঃলীগ দলীয় প্রার্থী আলতাফ হোসেন সহ আরো বেশ কয়েক জন কে হত্যার উদ্দেশ্যে হামলার ঘটনায় ১৮/০৭/১৪ইং স্থানীয় রাঙ্গুনিয়া থানায় একটি মামলা নং১৩/১৪ দায়ের করা হয়েছে যার বাদী ঐএলাকার জনৈক মোঃ ইমাম হোসেন বলে মামলার কপি সূত্রে জানা গেছে।মামলা তে মামুন,সুমন সহ প্রায়৩/৫জন আসামীও করা হয়ে ছিল। এর পর থেকে দাফে দাফে বেশ কয়েকবার আলতাফের পরিবারের উপর চরমভাবে নির্যাতন সহ জুলুম নেমে আসে বলে কান্নায় রত আলতাফের স্ত্রী ও সাবেক ইউপি মহিলা মেম্বার নাছিমা আক্তার সাংবাদিক সামনে তীব্র কন্ঠে জানান।তিনি আরো বলেন, আওয়ামী পরিবারে সদস্য হয়েও এবং বর্তমান সরকারের ক্ষমতা থাকা অবস্তায় এই নিযাতনের কলঙ্গকের দায় নেবে কে..? সাংবাদিকদের প্রশ্নে জবাবে কেন এতো কোন প্রতিবাদ কিংবা উচ্চ প্রশাসন কে জানান নি,উত্তরে ইউপি আওয়ামী যুবলীগ সভাপতি মোঃ সুমন বলেন, সরকারের লোক হয়ে সরকারের বিরুদ্ধে কি করে অভিযোক করি এই কারণে আমরা আজ পথে বসার উপক্রম হয়েছে। তবে বারবার উপজেলা পর্যায়ে প্রশাসনের সাথে যোগাযোগ করলে তারা আমাদের আশায় রেখে পুরো পরিবার কে আজো নিরাপত্তাহীন ভাবে রেখেছে।
একই সাথে আমি বলতে চাই যে, রাঙ্গুনিয়া কমিউনিকেশন লিঃ (ডিস সংযোগ)এর মালিক মৃত মামুনের সাথে যুবলীগ সভাপতির কোন ব্যবসায়ী পাটনারশীপ নাই এবং হোসেন হত্যা মামলা থেকে প্রকৃত আসামীদের বাদ দিতেই আঃলীগ দলীয় প্রার্থী আলতাফ হোসেন’র পরিবার হুমকি দিচ্ছেন প্রভাব শালী জনৈক মফিজ,ও মোঃ মুসা(কালা সুমন) সহ ৪/৫জন হাইব্রিট আঃলীগ নেতা।
তাই আয়োজিত সংবাদ সম্মেলন থেকে এই নির্যাতিত পরিবার কে রক্ষার জন্য রাঙ্গুনিয়া উপজেলার সংসদ সদস্য ও সাবেক মন্ত্রী ডঃ হাসান মাহমুদ এবং বাংলাদেশ আঃলীগ সভানেত্রী ও বর্তমান সরকারের প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার নিকট আকুল আবেদন জানিয়েছেন। ————————————————————————————-
