মোফাজ্জলের ৫ম তলা বাড়ি বাবুরাইল মিষু ভিলা এ্যাটেনশন সিআইডি হেড কোয়ার্টার নাঃ গঞ্জ সিআইডি ক্যাম্পের ক্যাশিয়ার মোফাজ্জলের ৫ তলা বাড়ির মালিক কিন্তু কিভাবে?

0
941

বিশেষ প্রতিবেদকঃ
প্রবাদ রয়েছে চোরের উপর বাটপারী এর অর্থ হচ্ছে এই সিআইডি পুলিশের মাথায় লবণ রেখে ক্যাশিয়ার মোফাজ্জল হাতিয়ে নিয়েছে কোটি কোটি টাকা যার ফসল হিসাবে গড়ে তুলেছে দুইটি বিলাসবহুল বাড়ি, দুটি মটর পার্সের দোকান দীর্ঘ ১২/১৪ বৎসর যাবৎ নাঃগঞ্জ সিআইডির সোর্স হিসাবে কাজ করতে করতে, এখন মোফাজ্জল কখনো ক্যাশিয়ার আবার কখনো সিআইডি ইন্সেপেক্টর পরিচয় অবৈধ ব্যবসা প্রতিষ্ঠান থেকে হাতিয়ে নিচ্ছে লক্ষ লক্ষ টাকা সাপ্তাহিক ও মাসিক বখরা আদায় করে চলেছে। এ সকল অভিযোগের ভিত্তিতে জানা যায় নাঃগঞ্জ জেলার প্রতিটি থানা এলাকা যেমন, ফতুল্লা থানা, নাঃগঞ্জ সদর থানা, বন্দর, রূপগঞ্জ, আরাই হাজার থানা সিদ্ধিরগঞ্জ থানা, এলাকায় অবৈধ ব্যবসা প্রতিষ্ঠান যেমন- মাদক, ব্যবসায়ী অস্ত্র ও চোরাচালানী তাবদ্ধ আপরাধি চোরাই তেল, ট্যাংক লরি সহ অসংখ্য স্পষ্ট থেকে সাপ্তাহিক ও মাসিক চাঁদা হিসাবে ৭/৮ লক্ষ টাকা আদায় করে থাকেন। এসকল চাঁদা উঠানোর জন্য ৬/৭ জন লোক নিয়োগ করেছেন। এভাবে ১২/১৪ বৎসর যাবৎ চাঁদা আদায় করে দুটি ৫ তলাবাড়ি ও দুটি মটর পার্সের দোকান গড়ে তুলেছেন, অভিযোগ সূত্রে জানা যায় মোফাজ্জল এক লক্ষ টাকা চাঁদা আদায় করলে সিআইডি ক্যাম্পের কর্মকর্তাদের  কাছে বলেন ব্যবসার মান ভাল না বাজার খারাপ জার ফলে চাহিদা অনুযায়ী চাঁদা দিতে পারছেনা। এসকল অজুহাত দেখিয়ে ২০ হাজার টাকা সিআইডি পুলিশকে দেয় বাকি ৮০ হাজার নিজে আত্তসাত করে মোফাজ্জল, নাঃগঞ্জ সিআইডি পুলিশ কে পুজি করে নাঃগঞ্জ শহরের বাবুরাইল এলাকায় ৭ শতাংশ জমির উপর পাঁচ তলা বাড়ি নির্মাণ করেছেন জাহার মূল্য ৫ থেকে ১০ কোটি টাকা এছাড়া ফতুল্লা রোসেন হাউজিং এলাকায় ৬ শতাংশ জমি ক্রয় করে একটি টিন সেট বাড়ি নির্মাণ করেছেন। বর্তমান বাজার মূল্যে এক কোটি টাকার  উপরে এছাড়া নাঃগঞ্জ লঞ্চ ঘাট একটি মটর পার্সের দোকান এবং নাঃগঞ্জ রেল ষ্টেশন সংলগ্নে আরো একটি মটর পার্সের দোকান রয়েছে উক্ত দোকান দুইটির বর্তমান বাজার মূল্য এক কোটি টাকা উপরে। এসকল সম্পদ একমাত্র নাঃগঞ্জ সিআইডি পুলিশ কে পুজি করে আত্ত্বসাত করেছেন। মোফাজ্জল এখানে উল্লেখ্য কিছুদিন পূর্বে মুক্তার পুর একটি সিমেন্ট ফ্যাক্টরিতে তেল নিয়ে যাচ্ছিলেন একটি ট্যাংক লরি উক্ত গাড়ির মালিক প্রতিমাসে মোফাজ্জলকে এক হাজার টাকা চাঁদা দেন কিন্তু মোফাজ্জলের টাকার প্রয়োজন তাই ট্যাংক লরিটি আটক করে ৫০ হাজার টাকা আদায় করেন তাং ৩/১১/২০১৬ ইং এসকল অবৈধ আয়ের পিছনে মোফাজ্জলের সাথে রয়েছেন ঢাকার একজন সিআইডি কনেস্টবল মোকলেছুর রহমান বাড়ি সিলেট ডিউটি ঢাকা সিআইডি জানা যায় একজন সিআইডির একজন বড় কর্তাকে ম্যানেজ করে নাঃগঞ্জ এসে সোর্স মোফাজ্জলের সাথে হাতে হাত মিলিয়ে ইন্সেপেক্টর পরিচয় ব্যবসায়ীদের ব্ল্যাক মেলিং করে চলেছেন। যার বদলৌতে কনেষ্টেবল মোখলেছ ও হাতিয়ে নিচ্ছেন লক্ষ লক্ষ টাকা। সূত্র আরো জানা যায় ক্যাশিয়ার মোফাজ্জল তার চাঁদাবাজি ঠিক রাখার জন্য ঢাকার এক কর্মকর্তার সাথে প্রতিমাসে যোগাযোগ রক্ষা করে চলেছেন বলে জানা যায়। ঢাকার কোন কর্মকর্তাকে ম্যানেজ করছেন তার উপরও অনুসন্ধান চলছে। এখানেই শেষ নয়। মোফাজ্জল নাঃগঞ্জ জেলার বিভিন্ন স্থানে বিভিন্ন পরিচয় দিয়ে বেড়াচ্ছেন কখনো ক্যাশিয়ার কখনো ইন্সেপেক্টর কখনো ক্যাশিয়ার তাছাড়া বাবুরাইল এলাকায় যেখানে পাঁচ তলাবাড়ি নির্মাণ করেছেন সেখানে মোফাজ্জল বিষু সরকার নামে পরিচিত। এই বিষুর বাড়ি হচ্ছে ভারতের শিলিগুরি এলাকায় নটি পাড়ায় সেখানে নারী ও শিশু পাচার কারির ব্যবসা করতেন বেশ কয়েকটি মামলা হলে পালিয়ে বাংলাদেশে এসে ১২/১৪ বছর যাবৎ নাঃগঞ্জ সিআইডির সাথে তাল মিলিয়ে সোর্স এর কাজ শুরু করেন আর সেই থেকে সিআইডিতে ক্যাশিয়ার হিসাবে দায়ীত্ব পালন করে। সিআইডি পুলিশের মাথায় লবণ রেখে খেয়ে যাচ্ছেন। সিআইডি পুলিশকে বোকা বানিয়ে হুন্ডির মাধ্যমে টাকা ভারত পাঠায় এছাড়া মোফাজ্জলনের মা, বাবা এখনও ভারত আছেন। জার ফলে বছরে ৭/৮ বার ভারত তার মা-বাবাকে দেখতে জান। এ বিষয় মোফাজ্জলের পাসপোর্ট চেক করলে অনেক অজানা কাহিনী বেড়িয়ে আসবে বলে জানা যায়। এছাড়া মোফাজ্জলের বিরুদ্ধে আরো বেশ কিছু তথ্য পাওয়া গেছে অনুসন্ধান করে সচিত্র প্রতিবেদন সহ আগামী যে কোন সংখ্যায় প্রকাশ করা হবে। চোখ রাখুন বহুল প্রচারীত অপরাধ বিচিত্রায়।

Advertisement
Advertisement

মন্তব্য করুন

Please enter your comment!
Please enter your name here