অপরাধ বিচিত্রা ডেস্কঃ
মধুর প্রান বা খাটি আমের স্বাধে প্রান ম্যাংগো জুস-এমন ঝঁমকালো বিজ্ঞাপন টিভির পর্দায় দেখে কার না আকৃষ্ট হবার কথা।কিন্তু কে জানে মিষ্টি কুমড়ার সাথে আমের ফ্লেবার দিয়ে তৈরী করা হচ্ছে প্রান ম্যাংগো জুস। তথ্য অনুসন্ধানে যানা যায়-বোতলের গায়ে ১০০ ভলিউম এর ১২/১৩ ভাগ পাল্পের সাথে ৮০ ভাগ মিষ্টি কুমড়ার পাল্প ও কৃএমি আমের ফ্লেবার দিয়ে তৈরী হচ্ছে প্রান জুস।একটা স্বাভাবিক বিষয় অনেকে জানার কথা যে” মিষ্টি কুমড়ার নিজ্বস্ব কোন স্বাধ নেই-এছাড়া প্রান গ্রুপ মিষ্টি কুমড়া চাষে কৃষকদের সহযোগীতা করার ভিষয়টি চোঁখের সামনেই। নাম প্রকাশ না করার শর্তে (বিএসটিআই) এক কর্মকর্তা জানান-কোমল পানিয় ও জুসে প্রান গ্রুপ, এমন ভাবে ভেজাল মেশানো থাকে যে-রাসায়নিক পরিক্ষ্যা ছাড়া বোঝার উপায় থাকেনা। আমের বদলে মিষ্টি কুমড়ার তথ্য যানেন কি, না এমন প্রশ্নের তিনি জবাবে তিনি বলেন-খুব দূঃখ জনক হলেও সত্যি দেশের খ্যাতিনামা কো¤পানি প্রানের পণ্যে খাদ্র নিয়ন্ত্রন প্রতিষ্ঠান বিএসটিআই-পরিক্ষ্যাগারে ভেজাল প্রমানিত হয়েছে কয়েক বার।এবং তাদের ৮ টি পণ্যের লাইসেন্সও বাতীল করা হয়। ছয় মাস পর পর খাদ্রের পরিক্ষ্যার নিয়ম থাকলেও নানা ব্যাস্ততায় ও লোক বলের অভাব থাকায় বিএসটিআই তা করতে পারেনা। আর এই সুযোগে অধিক মুনাফা লাভের আশায় নিম্ম মানের জুস, ড্রিংস তৈরী করছেন ব্যাবসায়ীরা। বিশ্বেষজ্ঞরা বলছেন-কোমল পানীয় ও জুসের নামে আমরা যা পান করছি। তাতে ব্যাবহার করা হয়- সেøাডিয়াম, সাইক্লামেট, পশাডিয়াম কাপরের রং, সাইট্রিক এসিড। যা মানব দেহের জন্য খুবিই ক্ষতিকর।এসব পানীয় থেকে শিশুদের নাগালের বাহিরে রাখাই উত্তম।

নামি কো¤পানীর,
দামি বিজ্ঞাপন!
একটি প্রশ্ন দিয়ে শুরু করি। আচ্ছা বলুন তো একজন মানুষের জীবনে কোন সময়ে খুব বেশি শক্তির প্রয়োজন? সাধারণত শিশু ও বয়োজ্যেষ্ঠের জন্য শক্তির প্রয়োজন তাই না? কিন্তু আমাদের দেশের কিছু কো¤পানী এনার্জি ড্রিংকের বিজ্ঞাপন দেয় যুবকদের শক্তির জন্য! যুবকদের জন্য এনার্জি ড্রিংকের শক্তি কতুটুকু প্রয়োজন? আজকাল শুধু মাত্র যে, যুবকরা এনার্জি ড্রিংক পান করেন না। অনেক ১০ থেকে ১৫ বছরের বাচ্চারা অবিরত খাচ্ছে এনার্জি ড্রিংক। বিভিন্ন খবরের কাগজে দেখলাম এনার্জি ড্রিংকে এলকোহল,পচা সুপারির রস ও বিভিন্ন ক্ষতিকারক পদার্থ থাকে। ¯পীড নামে একটি এনার্জি ড্রিংক,তা খেয়ে যুবকরা তেল মিশ্রিত বাঁশে লাফালাফি করে ও ৫,৬ ১০ তলা বিল্ডিং লাফ দিচ্ছে।
এবং ¯পীডের আরেকটি বিজ্ঞাপন হলো ¯পীড খেয়ে আকাশে ফু দিলে চাঁদ রুটি হয়ে যায়। প্রাণ কো¤পানী জুস ফ্রুটো আমের অন্য নাম! নিয়ম অনুযায়ী জুস তৈরিতে ফলের ৮৮ ভাগ পাল্প থাকার কথা। কিন্তু প্রাণের পণ্যে আছে এর অর্ধেকেরও কম।এমন কথা বলতে পারে কিভাবে ফ্রুটো ? কিন্তু বেশ চুপ আমাদের সরকার ও সংশ্লিষ্ট কর্তা ব্যক্তিরা।আম আর ফ্রুটো জুস কখনো এক হতে পারে না। ফুটিকা নামে আরেকটি সুজ তা খেলে নাকি মানুষ সত্য কথা বলে দেয়। ১০০ ভাগ প্রিজারভেটিব ও রং ছাড়া তৈরি। অনেকটা মন্দিরে কে-রে আমি কলা খাই না! বাংলালিংকের একটি বিজ্ঞাপন হলো, বোনাসের কথা শুনে নাকি হাজার বছরের ঘুম ভেঙ্গে যাবে এবং মৃত মানুষ জেগে উঠবে। তাদের বেশ কিছু বিজ্ঞাপন পণ্য ও সেবার সাথে কোন মিল নেই। বিজ্ঞাপন দেখে বুঝার উপাই নেই কিসের বিজ্ঞাপন। পাওয়ার এনার্জি ড্রিংক যা খেলে যুবকরা গুটিয়ে নয় চুটিয়ে চলে। একজন হাতে কিছু বল নিয়ে নারাচাড়া করা মানে কি চুটিয়ে বাঁচা?সব ফালতু চিন্তা ধারা। নামি কো¤পানীর, দামি বিজ্ঞাপন মানে কো¤পানী গুলো টাকা খরচ করে অনেক দামি বিজ্ঞাপন তৈরি ও প্রচার করে। কিন্তু তা নিু মানের ও অর্থহীন। উপরের বিজ্ঞাপন গুলো দেখে মনে হতে পারে আমাদের দেশের সব বিজ্ঞাপন মনে একই মানের। আসলে তা বলার কোন সুযোগ নেই, কারণ বর্তমানে আমাদের দেশে অনেক ভাল মানের বিজ্ঞাপন তৈরি হচ্ছে। বিজ্ঞাপন মানে পণ্যের প্রচার। যা ইচ্ছে হলো তাই প্রচার করা না। পণ্য ও সেবার সাথে মিল থাকতে হবে।
