হযরত যায়েদ ইবনে সাবিত (রা.) হতে বর্ণিত যে, তিনি মারওয়ানকে বলছেন। হে আবু আবদুল মালিক! আপনি কি মাগরিবের নামাযে আলিক লাম মীম সোয়াদ এবং ইন্না আ’তাইনা পড়ে থাকেন? তিনি বললেন, হ্যাঁ। তিনি বললেন, আল্লাহর শপথ! আমি রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামকে দেখেছি তিনি দীর্ঘ সূরার মধ্যে বড় সূরা আলিফ লাম মীম সোয়াদ পড়েছেন। হযরত মারওয়ান ইবনে হাকাম হতে বর্ণিত যে, যায়েদ ইবনে সাবিত (রা.) বললেন, আমার কি হল আমি দেখেয়ছ আপনি মাগরিবের নামাযে ছোট ছোট সূরা দুটি পড়লেন। অথচ রাসূলুল্লাহ্ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামকে দেখেছি তিনি তাতে দুইটি দীর্ঘ সূরার মধ্য হতে যেই সূরা বেশি দীর্ঘ তা পাঠ করতেন। তিনি জিজ্ঞাসা করলেন, ঐ দীর্ঘ কি? তিনি বললেন, তা হল সূরা আ’রাফ। হযরত আয়েশা (রা.) হতে বর্ণিত যে, রাসূলুল্লাহ্ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম মাগরিবের নামাযে সূরা আ’রাফ পাঠ করতেন। আর তিনি তাহা দুই রাক’আতে ভাগ করেছেন। মাগরিবের পরে দুই রাক’আতে কিরাআত হযরত ইবনে উমর (রা.) হতে বর্ণিত। তিনি বলেন, আমি রাসূলুল্লাহ্ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-এর প্রতি বিশ বার লক্ষ্য করেছি যে, তিনি মাগরিবের পরের দুই রাক’আতে এবং ফজরের পূর্বের (সুন্নত) দুই রাক’আতে কুল ইয়া আইয়্যুহাল কাফিরুন এবং কুল হুয়াল্লাহু আহাদ পাঠ করেছেন।

