অনুচ্ছেদ: মাগরিবের নামাযে কিসারে মুফাস্সাল পড়া

0
223

হযরত আবূ হুরায়রা (রা.) হতে বর্ণিত। তিনি বলেন, আমি এমন কোন ব্যক্তির পেছনে নামায আদায় করিনি যার নামায অমুক ব্যক্তির সালাতের চেয়ে রাসূল- তুল্লাহ্ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-এর নামাযের সাথে সঠিক সামঞ্জস্যপূর্ণ। অতএব, আমরা ঐ ব্যক্তির পিছনে নামায আদায় করলাম। তিনি জোহরের প্রথম দুই রাক’আত লম্বা করতেন, পরের দুই রাক’আত সংক্ষিপ্ত করিয়া আদায় করতেন। আসরের নামাযও সংক্ষিপ্ত করে আদায় করতেন। আর মাগরিবে

Advertisement

কিসারে মুফাসাল পড়তেন। আর এশার নামায আদায় করতেন ওয়াশ শামসি ওয়াদুহাহা এবং এর মতো সূরা দ্বারা। আর ফজরের নামায আদায় করতেন দুটি লম্বা সূরা দ্বারা। হযরত জাবির (রা.) হতে বর্ণিত। তিনি বলেন, এক আনসারী ব্যক্তি দুটি উট লইয়া মু’আয (রা.)-এর নিকট গেলেন। তখন তিনি মাগরিবের নামায আদায়। করছিলেন। তিনি সূরা বাকারা আরম্ভ করলেন। ঐ ব্যক্তি পৃথকভাবে নামায়। আদায় করে চলে গেল। এই কথা নবী করীম সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম- এর নিকট পৌঁছলে তিনি বলিলেন, হে মু’আয! তুমি কি (লোকদের) ফিতনা ও কষ্টে ফেলতে চাও? হে মু’আয! তুমি কি (লোকদের) ফিতনা ও কষ্টে ফেলতে। চাও? তুমি কেন সাব্বিহিস্স্না রাব্বিকা অথবা ওয়াশামসি ওয়াদুহাহা অথবা এই জাতীয় সূরা পাঠ করলে না? মাগরিবে সূরা মুরসালাত পাঠ করা হযরত উম্মুল ফযল বিনতে হারিস (রা.) হতে বর্ণিত। তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ। সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম আমাদেরকে লইয়া তাঁর গৃহে মাগরিবের নামায়। আদায় করলেন। তিনি তাতে সূরা ওয়াল মুরসালাত পড়লেন। এর পর তিনি লোকদের লইয়া তাঁর ইন্তিকালের পূর্বে আর কোন নামায আদায় করেন নাই। হযরত ইবনে আব্বাস (রা.) তাঁর মাতার সূত্রে বর্ণনা করেন, তিনি নবী করীম। সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামকে মাগরিবের নামাযে সূরা ওয়াল মুরসালাত পাঠ করতে শুনেছেন। মাগরিবে সূরা তৃর পাঠ করা হযরত জুবায়ের ইবনে মুতয়িম (রা.) হতে বর্ণিত। তিনি বলেন, মাগরিবের নামাযে নবী করীম সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামকে আমি সূরা তৃর পড়তে শুনেছি। মাগরিবের নামাযে সূরা হা-মীম, দুখান পাঠ করা হযরত আবদুল্লাহ ইবনে উতবা ইবনে মাসউদ (রা.) হইতে বর্ণিত যে, রাসূল- মুল্লাহ্ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম মাগরিবের নামাযে সূরা তুর, হা-মীম, দুখান পাঠ করেছেন।

Advertisement

মন্তব্য করুন

Please enter your comment!
Please enter your name here