কুল হুয়াল্লাহু আহাদ পড়ার ফযীলত

0
298

হযরত আয়েশা (রা.) হতে বর্ণিত যে, রাসূলুল্লাহ্ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এক ব্যক্তিকে যুদ্ধের নেতা করে পাঠালেন। তিনি তাঁর সাথীদেরকে নিয়ে নামাযে কুরআন পাঠ করতেন আর তিনি কুল হুয়াল্লাহু আহাদ দ্বারা শেষ করতেন। সঙ্গী লোকেরা ফিরে এসে রাসূলুল্লাহ্ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-এর নিকট এই ঘটনা উল্লেখ করলেন। তিনি বললেন, তোমরা তাঁকে জিজ্ঞাসা কর, সে কেন এরূপ করেছে? তারা তাঁকে প্রশ্ন করলে, তিনি বললেন, কেননা, তা মহামহিম- ান্বিত দয়াময়ের গুণ। তাই আমি ইহা পড়া পছন্দ করি। তখন রাসূলুল্লাহ্ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেন, তোমরা তাকে সংবাদ দাও যে, আল্লাহ তা’আলা তাঁকে ভালোবাসেন। হযরত আবূ হুরায়রা (রা.) হতে বর্ণিত। তিনি বলেন, আমি রাসূলুল্লাহ্ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-এর সঙ্গে আসলাম। তিনি শুনলেন যে, এক ব্যক্তি পড়তেছে (বল, তিনিই আল্লাহ, একক ও অদ্বিতীয় তিনি কারও মুখাপেক্ষী নন, সকলেই তাঁর মুখাপেক্ষী। তিনি কাহাকেউ জন্ম দেননি এবং তাঁকেও জন্ম দেয়া হয়নি এবং

Advertisement

তাঁর সমতুল্য কেউই নাই)। তখন রাসূলুল্লাহ্ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বললেন, অবধারিত হয়ে গিয়েছে। আমি তাঁকে প্রশ্ন করলাম ইয়া রাসূলাল্লাহ (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম)! কী অবধারিত হয়ে গিয়েছে? তিনি বললেন, জান্নাত। হযরত আবূ সাঈদ খুদরী (রা.) হতে বর্ণিত যে, এক ব্যক্তি অপর এক ব্যক্তিকে কুল হুয়াল্লাহু আহাদ পড়তে শুনল, সে তা বারবার পড়ছিল। সকাল বেলা সেই ব্যক্তি নবী করীম সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-এর নিকটে উপস্থিত হয়ে ঘটনা বর্ণনা করলে তিনি বললেন, আল্লাহর শপথ! তা কুরআনের এক তৃতীয়াংশের সমতুল্য (সাওয়াবের দিক হতে)। হযরত আবু আইয়ূব (র.) সূত্রে নবী করীম রাসূলুল্লাহ্ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম হতে বর্ণিত যে, তিনি বলেছেন, কুল হুয়াল্লাহু আহাদ কুরআনের এক তৃতীয়াংশ।

Advertisement

মন্তব্য করুন

Please enter your comment!
Please enter your name here