ময়মনসিংহে মিঠুর অত্যাচারে মসজিদেও বিরোধ!

0
118

বদরুল আমীন, ময়মনসিংহ:  প্রভাবশাপলী হওয়ার সুবাদে সামিউল হক মিঠু এলাকায় ও স্থানীয় প্রশাসনের উপর প্রভাব বিস্তার করে আদালতে একের পর এক মামলা করিয়ে তার পরিবারের লোকজনদের হয়রানি করার অভিযোগ পাওয়া গেছে।

Advertisement

এছাড়াও জামিনের নামে বিভিন্ন লোকের সাথে চুক্তি করে জামিন করিয়ে গত প্রায় ২ বছরে কোটি কোটি টাকা সহায় সম্পত্তি করেছে। এলাকাবাসী অবাক যে, জেলা ও দায়রা জজে চাকুরি করে রাতারাতি এতো অর্থ সম্পদের মালিক কি করে হলেন সামিউল হক মিঠু? এর প্রতিকার চেয়ে এলাকাবাসী মাননীয় আইন মন্ত্রী বরাবর লিখিত অভিযোগ দায়ের করেছে।

সামিউল হক মিঠু মুলত বিরোধের সৃষ্টি করেন নিজ পরিবার থেকে। পারিবারিক জমি-সম্পত্তি নিয়ে বিরোধের জন্ম দিয়ে তিনি স্থানীয় মসজিদের বিরোধ সৃষ্টি করেছেন। এনিয়ে তার চাচা রফিকুল ইসলামকে দিয়ে একাধিক মামলা করিয়ে তার বাবাকে স্বাক্ষী বানিয়ে রাখেন।

এলাকার কোন জনসাধারন তাদেরকে পছন্দ না করায় তাদের স্বাক্ষী পর্যন্ত করাতে পারেন না। পারিবারিক ভাবে তার বোনকে ছাড়িয়ে তার বোন জামাইয়ের চাকুরিচ্যুত করেছেন। সে তার ভাইকে স্ত্রী ছাড়া করে ফের আরেক বউ ঘরে তুলেছেন। সে নিজের স্ত্রীকে দীর্ঘদিন বাবার বাড়ি রেখেছিলেন। এখন ভাইয়ে ভাইয়ে মামলা করিয়ে পারিবারিক হানাহানির সৃষ্টি করে রেখেছেন।

এখানে সে জেলা ও দায়রা জজের আদালতে চাকুরি করার প্রভাব দেখিয়ে এতোসব করছেন বলে এলাকার বহু লোকজন জানিয়েছেন। সামিউল হক মিঠুর সাথে একই পরিবারের চাচার সাথে বিরোধ সৃষ্টি হয় সতেরো শতাংশ জমি নিয়ে।

মিঠুর বাবা আব্দুল গনী ২ লাখ ৬২ হাজার টাকায় তার সহোদর ভাই শামছুল হকের সাথে বায়না করেন। এই জমি আজও লিখে দেয় নাই। এ নিয়েই গত দুবছর ধরে বিরোধ চলছে। ইতিমধ্যে সামিউল হক মিঠু জেলা ও দায়রা জজের পেসকার হয়েছেন। পারিবারিক ভাবে সৃষ্টি হচ্ছে একের পর এক ঘটনা ও মামলা।

অভিযোগ রয়েছে, এসকল মামলা তিনি করাচ্ছেন তার চাচাকে দিয়ে। আর নিজের বাবাকে করছে স্বাক্ষী। পারিবারিক জমিবন্টনেও করেছেন বৈশম্য। মামিউল হক মিঠু জেলা ও দায়ারা জজের পেসকার হওয়ার পর প্রথম মামলার সৃষ্টি হয় ২০২৩ সনে।

ময়মনসিংহ ১ নং সিআর আমলী আদালত মামলা নং ১৪৩০/২০২৩। এর পরে ৩১ মে সন্ধায় লিচুতলা বাজারে সামিউল হক মিঠু, তার বাবা ও চাচা রফিকুল ইসলাম ডেগার নিয়ে চাচা শামছুল হককে আঘাত করতে চাইলে জনরোধে শামছুল হক রক্ষা পায়। যা মুক্তাগাছা থানার জিডি নং ১৫৫৭ তাং ৩১ মে /২০২৪।

এর আগেও মামলা করেন তার পক্ষে থাকা চাচা রফিকুল ইসলাম। মুক্তাগাছা সিআর আদালত মামলা নং- ৪৬১/২০২৪। এর কয়েকদিন পর আরেকটি মামলা করেন দ্রুত বিচার আদালতে । যার নং ৩০/ ২০২৪ । তিনি সব মামলা করান কোর্টে। কোর্টে মামলা করানোর রহস্যও বুজা কঠিন বলে এলাকাবাসী মনে করেন।

এ সকল ব্যপারে ময়মনসিংহ জেলা ও দায়রা জজের পেসকার সামিউল হক মিঠুর সাথে যোগাযোগ করলে তিনি জানান, এসকল মামলায় প্রভাব বিস্তার করার কোন কারন নাই। তিনি এসকল মামলায় প্রভাব বিস্তার ও তদবির করেন না বলে জানান।

Advertisement

মন্তব্য করুন

Please enter your comment!
Please enter your name here