মুহাম্মদ জুবাইরঃ হাটহাজারী দক্ষিণ পাহাড়তলী খিল্লাপাড়া এলাকায় হঠাৎ কলোনির কুলসুমা নামে এক নারী খামারী ও মৎস্যজীবীকে উচ্ছেদের অভিযোগ উঠেছে। জমির মালিক নুরু কোম্পানি প্রভাবশালী জনি; সোহেল; পারভেজ ও দুলালের যোগসাজশে পথে বসতে যাচ্ছে এমন অভিযোগ ভুক্তভোগী কুলসুমার।
চট্টগ্রামের হাটহাজারী থানার দক্ষিণ পাহাড়তলী খিল্লানাড়া এলাকা হঠাৎ কলোনি নুরুল আলম কোম্পানি প্রকাশ নুরু কোম্পানির ১৫ গন্ডা অনুপযোগী জমি ১২১৭ সালের ১৮ ফেব্রুয়ারি সংস্কার পূর্বক খেত খামার ও মৎস চাষের জন্য ভাড়া নেন কুলসুমা বেগম।
সেই সময় ৩০০ টাকা মূল্যের স্টাম্পে তাদের মাঝে একটি চুক্তি সম্পাদিত হয়। চুক্তি অনুযায়ী যতদিন সরকার জায়গাটি দখলে না নেন ততদিন পর্যন্ত জায়গাটি ভোগ দখলে থাকবে কুলসুমার এমন শর্ত রাজি হয়ে কুলসুমা জায়গারটির জন্য নুরু কোম্পানিকে ৫ লক্ষ টাকা এককালীন বাবদ প্রদান করেন ও ২০১৭ সাল থেকে মাসিক ধার্য্যকৃত ভাড়া পরিশোধ করে আসছিলেন কুলসুমা।
এদিকে নিজের ভাগ্য ফেরাতে কঠোর পরিশ্রমি কুলসুসা আরো ২০ লক্ষ টাকা করে জায়গাটি সংস্কার পূর্বক গড়ে তুলেল ব্রয়লার মুরগির খামার, মৎস খামার সাথে রোপন করেন শ তিন এক কলা গাছ ও করতে থাকেন খেত খামার। শুরুতে তেমন লাভের মুখ না দেখছিলেন না এরিমাঝে বৈশ্বিক মহামারি করোনার ধাক্কায় অনেকটা বিপর্যত্ব কুলসুমা।
এতকিছুর মাঝেও কুলসুমা কখনও নুরু কোম্পানির জায়গার ভাড়া পরিশোধে ভুল করেননি। নিয়মিত ভাড়া পরিষোধ করেছেন। বৈশ্বিক মহামারি করোনার ধাক্কা কাটিয়ে কুলসুমা যখনি একটু লাভের আলো দেখতে পাচ্ছিলেন ঠিক তখনই জনি; সোহেল; পারভেজ ও দুলালের নজর পারে কুলমুর খামারের দিকে।
কুলসুমাকে উচ্ছেদ করতে নানামুখী ষড়যন্ত্র করেন তারা সর্বশেষ জনি; সোহেল; পারভেজ ও দুলালের যোগসাজশে নুরু কোম্পানি কুলসুমার কপিনে মারেন শেষ পেরেকটি।
নুরু কোম্পানি কুলসুমার অঘোচরে কুলসুসার অগ্রিম ও খরচ হওয়া ৩০ লক্ষাধিক টাকার কোন সুরহা না করে সাড়ে ৭ গন্ডা জায়গা বিক্রি করে দেন জনি ও সোহেলের কাছে। চলতি বছরের ২৮ মে কুলপুমার শতাধিক কলা গাছ কেটে ও পুকুরের পাড় কেটে দিয়ে ৩ লক্ষ টাকার ক্ষতি সাধন করে ও কুলসুমার ভোগ দখল করে আসা জায়ার অধৈক আংশ নিজেদের দখলে নিতে মরিয়া হয়ে উঠে ও দেওয়াল নির্মাণ করতে থাকে।
আবার ৮ জুন সকাল ১০ টার সময় কুলসুমার মুরগির ঘেঁষে দেওয়াল নির্মান করতে থাকতে তারা। কুসমুমা এতে বাধা দিলে তাকে মারধর ও অপমান লাঞ্চিত করে। একেবারে উচ্ছেদের হুমকি দিতে থাকে।
এদিকে নারী কুলসুমা বেগম তার জীবনের সকল সহায় সম্পত্তি বিক্রি করে গড়ে তুলা মুরগী খামার ও মৎস্য খামার বাচাতে প্রশাসনসহ সকলের সহথোগীতা চেয়েছেন।

