বাংলাদেশের বৃহত্তম গুলশান মহাখালী আই.ডি.এইচ স্কুল এন্ড কলেজ, ঢাকা এর গর্ভনিং বডির চেয়ারম্যান ব এ কে এম জসীম উদ্দিন কর্তৃক বিভিন্ন দুর্নীতি

0
1053

শৃঙ্খলা ও অনৈতিক কর্মকান্ডের বিরুদ্ধে গর্ভনিং বডির সদস্যদের অনস্থা প্রকাশ

Advertisement

এজাজ রহমান: অনুসন্ধানি প্রতিবেদন, শিক্ষা বন্ধব সরকারের মাননীয় প্রধানমন্ত্রী বলেছেন যে, সু-শিক্ষায় শিক্ষিত একটি বাংঙ্গালী জাতি হিসাবে সমগ্র বিশে^ মাথা উচু করে দাড়াবে আমি চাই কিন্তু মাননীয় প্রধামন্ত্রীর স্বপ্নকে এক শ্রেণীর কু-শিক্ষায় শিক্ষিত, জ্ঞান পাপী, অর্থ লোভী, দূর্ণীতিবাজ, চরিত্রহীন এই স্বপ্নকে ধুলিসাৎ করে দিচ্ছে। এমই একটি ঘটনা যাহা গুলশান মহাখালী আই.ডি.এইচ স্কুল এন্ড কলেজ এর গর্ভনিং চেয়ারম্যান এ কে এম জসীম উদ্দিন স্কুলের আয়-ব্যয়, শিক্ষা সংস্কৃতির মানন্নোয়নে উদাসীন। তিনি এককভাবে সদস্যদের অবগতি না করেই স্কুল ফান্ডের অর্থ অপচয় করছেন। যা স্কুলের মানন্নোয়ন ব্যহত হচ্ছে। স্কুলের শিক্ষকদের দিয়ে অর্থ খরচ করানো হয় যার কোন জবাবদিহিতা নেই।

নির্বাচিত সদস্যগণ আয়-ব্যয় সংক্রান্ত কোন তথ্য জানতে চাইলে গর্ভাণিং বডির চেয়ারম্যান তা জানাতে অপারগতা প্রকাশ করেন। যা কিনা সরকারী প্রবিধান মালার পরিপন্থী। তিনি নির্বাচিত সদস্যগণের ভোটে নির্বাচিত হননি। সদস্যদের স্বাক্ষর জালীয়াতী করে তিনি গর্ভানিং বডির চেয়ারম্যান দাবী করে শিক্ষা বোর্ডে জমা দিঃেয় সভাপতি পদ তার পক্ষে অনুমোদন করিয়ে আনেন, যা সদস্যগণ অবগত নন। অতি সম্প্রতি মাননীয় শিক্ষা মন্ত্রীর অনুদান ৯৬,০০,০০০/- (ছিয়া নব্বই লক্ষ) টাকা দু’তলা ভবনের উপর আরো তিন তলা ভবন নির্মাণের জন্য দেওয়া হয়। নির্বাচিত সদস্যদের উক্ত বিষয়ে কোন প্রকার মিটিং না করে তার পছন্দ মত ঠিকাদার নিয়োগ করে এবং লাভের শেয়ার রেখে ভবন নির্মাণ করেন। তিন তলা ভবন না করে দু’তলা ভবন করে সকল অর্থ খরচ হইয়াছে এই মর্মে তিনি অজুহাত দাড় করিয়েছেন। সরকারী বিধি বিধান না মেনে অর্থ খরচ করা চরম অনিয়ম, তিনি নিজেকে মুক্তিযোদ্ধা বলে দাবী করেন। কিন্তু সরজমীনে তদন্ত করে জানা যায় বনানী, গুলশা থানা কমান্ডার ও মুক্তিবার্তা তালিকায় তার কোন নাম নেই। তিনি বনানী, গুলশান থানার আওয়ামীলীগ সংগঠনের থানা সভাপতি হওয়ায় স্কুলের নির্বাচিত সদস্যদের বিভিন্ন ধরনের হুমকি প্রদর্শন করে থাকেন। যাতে কেহ তার বিরুদ্ধে মুখ খুলতে না পারে। উপরন্ত তিনি একজন নিরক্ষর ব্যক্তি তার অক্ষর জ্ঞান নেই। তবুও তিনি জোরপূর্বক সভাপতি হয়েছেন। ইতিপূর্বে তিনি মহাখালী মডেল স্কুলের সভাপতি থাকা কালিন চরম আর্থিক অনিয়মের কারনে তাকে ঐ স্কুল থেকে বের করে দেওয়া হয়। তার নৈতিক চরিত্র এতই খারাপ যে, মাধ্যমিক স্তরের ছাত্রীরা তার কাছে নিরাপদ নয়, এমনকি ছাত্রীদের অভিবাবকগণ নির্বাচিত সদস্যদের কাছে এ ব্যাপারে অভিযোগ করেন। নির্বাচিত সদস্যরা এ বিষয়ে কোন প্রতিবাদ জানালে তাদের জীবন নাশের হুমকি দেন কারণ তিনি একজন কুখ্যাত সন্ত্রাসী। উক্ত স্কুলের গর্ভনিং বডির সদস্য অন্যায়ের প্রতিবাদ করেছিলেন বিধায় তার সদস্যপদ বাতিল করা হয় এবং তার মেয়েকে স্কুল থেকে বহিস্কার করা হয় । এরপর তিনি হাইকোর্ট থেকে রিটের মাধ্যমে সদস্যপদ ফিরে পান। এখানে গর্ভনিং বডির সভাপতির বিরুদ্ধে সদস্যবৃন্দ আমাদের সংবাদ প্রতিনিধিকে জানন যে, আমরা এ বিষয়ে অনুলিপি পাঠিয়েছি মাননীয় প্রধানমন্ত্রী, শিক্ষামন্ত্রী, শিক্ষা সচিব, শিক্ষা মন্ত্রণালয়, জনাব আবুল কালাম আজাদ, সংসদ সদস্য, ঢাকা-১৭, চেয়ারম্যান, মাধ্যমিক ও উচ্চ মাধ্যমিক বোর্ড ঢাকা, মহাপরিচালক, মাধ্যমিক ও উচ্চ মাধ্যমিক শিক্ষা অধিদপ্তর ঢাকা, কলেজ পরিদর্ষক মাধ্যমিক ও উচ্চ মাধ্যমিক শিক্ষা বোর্ড ঢাকা, জেলা শিক্ষা অধিদপ্তরকে অনুলিপি পাঠিয়ে কোন প্রতিকার আমরা পাই নাই এ পর্যন্ত।

Advertisement

মন্তব্য করুন

Please enter your comment!
Please enter your name here