প্রধান প্রতিবেদক ঃ
এক সময়ের জোড়া খুনের আসামি। বর্তমানে নারায়নগঞ্জ জেলার রুপগঞ্জ থানায় মাদক ব্যবসা ও নারি পাচার, ডাকাতি, খুন সহ বিভিন্ন ধরনের মামলা চলমান। অপকর্ম করে কোটি কোটি টাকার মালিক আলেক। আরও রয়েছে বিশালাকারের ব্যাংক ব্যালেন্স। অভিযোগ রয়েছে বিএনপির আমলে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রী সন্ত্রাসের গডফাদার মতিন চৌধুরির সহযোগিতায় হিন্দুদের ভয়ভীতি দেখিয়ে ভুয়া দলিল করে নিজের নামে জমি দখল করেছে এবং তার প্রথম ন্ত্রী ততকালীন সময়ে মেম্বার ছিলেন। এই মেম্বারের প্রভাব খাটিয়ে তিনি অপরের জমি দখল প্রক্রিয়া চালিয়ে গেছেন। তিনি বিভিন্ন সময়ে তার বিভিন্ন নাম ব্যবহার করেন। একবার বলেন তার নাম আলেক আবার বলেন তার নাম সেলিম হাজী। তার বর্তমান ঠিকানা ম-৫১, জাপানী ফারুকের বাড়ি, ক্যাপিটাল টাওয়ার, মেরুল বাড্ডা, ঢাকা-১২১২। রুপগঞ্জ উপজেলা সূত্রে জানা গেছে এক সময় তিনি মাছ বিক্রেতা ছিলেন। বর্তমানে অপকর্মের মাধ্যমে কোটি কোটি টাকা কামিয়ে ঢাকা শহরে গড়েছেন অনেকগুলো বাড়ি।
ঢাকার অভিজাত এলাকা রামপুরা, আফতাব নগর, হাতীর ঝিল, বাড্ডা, গুলশান আনন্দ নগড় ইত্যাদি স্থানে রয়েছে তার সম্পদের পাহাড়। তার সম্পদগুলো তিনি তার নিজের নামে না রখে তার স্ত্রী, পুত্র, কন্যা এবং মেয়ে জামাতার নামে রেখেছেন। বাড্ডা এলাকা সূত্রে জানা গেছে তিনি সন্ত্রাসী বাহিনী পরিচালনা করে তার অপকর্মের ধারা অব্যহত রাখছেন। কৌশলে তার নামে মামলাগুলোর কার্যক্রম আটকিয়ে রাখছেন। তিনি মহিলাদের চাকুরি দিবেন বলে প্রলোভন দেখিয়ে অসামাজিক কাজে বাধ্য করতেন। এই কাজে তার তিনজন স্ত্রীর মধ্যে প্রথম স্ত্রী ফাতেমা সাহায্য করতেন বলে বিভিন্ন সূত্রে জানা গেছে। রুপগঞ্জ এলাকায় তিনি এতই অপকর্ম করেছেন যে বর্তমানে তিনি তার নিজের এলাকায় যেতে পারছেন না। একটি নির্ভরযোগ্য সূত্রে জানা গেছে তার পুত্র ফাহাদ মালয়শিয়ায় থাকে। সম্প্রতি তিনি তার অনেক সম্পদ বিক্রি করে টাকা তার ছেলের মালয়শিয়ায় ব্যাংক একাউন্টে পাচার করছেন। এই ব্যাপারে তার বক্তব্য জানার জন্য তার মুঠোফোনে যোগাযোগ করলে তিনি সকল অভিযোগ অস্বীকার করেন ও এ প্রতিবেদককে বলেন তিনি তিন তিনবার হজ্ব করেছেন। তিনি কোন অন্যায়ই নাকি করেন নাই। তবে বর্তমানে তিনি যে ঠিকানায় বসবাস করছেন সে ঠিকানা সঠিক আছে বলে জানান। তার দুর্নীতি ও অপকর্মের বিষয়ে অপরাধ বিচিত্রার তদন্ত চলছে। আগামী সংখ্যায় এ ব্যপারে আরও বিস্তারিত থাকছে।

