পুলিশ জনগনের বন্ধু। বিপদে যার কাছে আশ্রয় নেয়া যায় তিনিই প্রকৃত বন্ধু। শুধু তাই নয় পুলিশ সমাজের ভারসাম্য রক্ষা করে। অপরাধ নির্মূলে সচেষ্ট থাকে, থাকে নিরাপত্তা দেওয়ার দায়িত্বে। এগুরু দায়িত্ব পালনের ক্ষেত্রে চাই দেশপ্রেম। দলমর্তের ঊর্দ্ধে থেকে নিজ দায়িত্ব পালন করতে পারলেই যেমন সফল হওয়া যায়। তেমনি দক্ষ, সৎ সাহসী পুলিশ অফিসার দেশের মানুষের কল্যানে কাজ করবে এটাই কাম্য। জনগণের নিরাপত্তা বিধান ও শৃঙ্খলা স্বাভাবিক রাখতে যোগ্য, সৎ সাহসী, পুলিশের ভূমিকা অত্যান্ত গুরুত্বপূর্ণ। এদেশের পুলিশ বাহিনীতে সৎ, যোগ্য, আদর্শবান পুলিশের সংখ্যা ও কম নয়। অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মোঃ জালাল উদ্দীন বদলগাছী থানায় যোগদান করার পর এলাকার দাগী আসামী, মাদক ব্যবসায়ী, ছিনতাইকারী, ওয়ারেন্টভুক্ত আসামীসহ কুখ্যাত খুনিদের আটক করতে সক্ষম হয়েছে। এছাড়াও তার নিদের্শে থানার অন্যান্য অফিসাররা ও ন্যায় নিষ্টার সহিত কাজ করে যাচ্ছে। কারণ কথায় আছে বাপ কা বেটা সিপাহী কা ঘোড়া…………..। আসলে এই প্রবাদ ব্যাখাটির সাথে এই থানার পুলিশ সদস্যদের অনেকটা মিল আছে বটে। জালাল উদ্দীন এই থানায় যোগদান করারপর থেকেই এলাকার শান্তি ফিরে দিতে সমর্থ হয়েছেন। ফলে এই থানায় সবাই ওসি জালাল উদ্দীনকে এক প্রকার বন্ধুর মতই দেখতে শুরু করেছে। সব কিছু মিলিয়ে জালাল উদ্দীন সম্পর্কে বলতে হবে আপোষহীন অন্যায় ও ষড়যন্তকারীর দুষমন। নওগাঁ জেলার বদলগাছী থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) জালাল উদ্দীন “দৈনিক আলোকিত সকাল’এর বিশেষ প্রতিনিধি নূর নবী আহমেদ এর সাথে একান্ত সাক্ষাৎকারে উপরোক্ত কথাগুলো বলেন। তিনি আরো বলেন, জনগণ পুলিশের প্রতি আস্থা রাখুক। আর জনগণকে সেবা দিতে পারাই হচ্ছে আমার শান্তি। কারণ পুলিশই জনগণকে বন্ধু বানাতে হবে। আর এটাই আমার চাওয়া পাওয়া। জনগণ যেন পুলিশকে ভুল না বুঝে। জনগণের সাথে পুলিশের সু-সম্পর্ক থাকলেই পুলিশের মান-সম্মান অক্ষুন্ন থাকবে। তিনি আইনশৃঙ্খলা রক্ষা, মাদক, সন্ত্রাস মুক্ত বদলগাছী গড়তে চালেঞ্জ হিসেবে গ্রহন করেছেন এবং শতভাগ সফল ও হয়েছেন। যুব সমাজকে বাচাঁতে তিনি মাদক নিমূলের বিষয়ে কঠোর পদক্ষেপ গ্রহন করে আসছে। তিনি এই থানায় যোগদানের পর অভিযান চালিয়ে অসংখ্য মাদক বিক্রেতা ও সেবনকারীদেরকে গ্রেফতার করে জেল হাজতে প্রেরণ করছে। তাই সব মিলিয়ে বলা যায় বদলগাছী থানা এখন প্রায় মাদকমুক্ত। জালাল উদ্দীনের রয়েছে যেমন দক্ষতা, সাহসীকতা তেমনি রয়েছে সততা। পুলিশ ও জনগণ আরেক জনের বন্ধু এবং একে অপরের সম্পুরক। তাই উভয়েই মিলেই সচেতনতার সাথে সামাজিক ভাবে দায়িত্ব পালন করলে সমাজে অপরাধ নির্মূল সম্ভব। আইনের শাষন প্রতিষ্টায় সকলে মিলে একাত্বতা ঘোষনা করলে অবশ্যই সমাজে শান্তি ফিরে আসবে। তিনি আরো বলেন, অপরাধী যতই শক্তিশালী হোক পুলিশ সক্রিয় থাকলে একাগ্রতার সাথে নিষ্ঠার সাথে কাজ করলে অপরাধ নির্মূল সম্ভব। অফিসার ইনচার্জ জালাল উদ্দীন এর ব্যাপারে বদলগাছী থানায় গভীর ভাবে খোঁজ নিয়ে জানাগেছে, তিনি মাদক ব্যবসায়ীদের বড় শত্রু এবং অপরাধীদের পিছনে কৌশল অবল্বন করে তাকে যেভাবেই হোক আইনের আওতায় এনেছেন। অথচ অনেক পুলিশ অফিসার এর সাথে দাগী অসামীদের দহরম মহরম সর্ম্পক। ফলে সমাজে আইন শৃঙ্খলার চরম অবনতি ঘটে। কিন্তু অফিসার ইনচার্জ জালাল উদ্দীন এর কাছে তার সবই যেন উল্টো কেননা তিনি তার চাকুরী জীবনের শুরু থেকেই সততা ন্যায় নিষ্ঠার সাথে দায়িত্ব পালন করে আসছে। তার কাছে কোন অপরাধীই গুড সর্ম্পক করার সাহস পায়না। যার কারণে বর্তমানে বদলগাছী থানার আইন শূঙ্খলা পরিস্থিতি সন্তোষজনক পর্যায়ে রয়েছে ।

