মাজহারুল ইসলাম,রৌমারী(কুড়িগ্রাম) প্রতিনিধিঃ
রৌমারীতে মাসাধিক সময় টানা বৃষ্টির ফলে শতশত একর ইরি-বোরো ক্ষেত পানিতে তলিয়ে গেছে। রৌমারীতে রয়েছে শতাধিক হাওর খাল-বিল। বিল গুলো বছরে ৩মাস শুকনো থাকে। সেখানে বছরে একটি মাত্র ফসল হয় ইরি-বোরো। কিন্ত বিধি বাম, আবহাওয়া অনুকুলে না থাকায় মাসাধিক কাল সময় ধরে অবিরাম বৃষ্টির ফলে তলিয়ে গেছে এসব ফসলের মাঠ। কাঁচা আধাপাকা ইরি-বোরো তলিয়ে যাওয়ায় কৃষকের মাঝে পড়েছে কান্নার রোল। তলিয়ে গেছে লাঠিয়াল ড্্াঙ্গা কালাপানির বিল, বেকরী বিল, সীমান্ত ঘেষা আলগারচর দর্নির বিল, ডিসি সড়কের পাশ্বে খাল বিল সব তলিয়ে গেছে। অনুসন্ধানে জানাগেছে, হাওর খালবিলের ফসলী জমিতে বৃষ্টির পানি নিস্কাশনের ড্রেনেজ ব্যাবস্থা না থাকায় অতি বৃষ্টির ফলে জলা বদ্ধতার সৃষ্টি হয়। যারফলে অতিসহজেই ফসলের ব্যাপক ক্ষতি সাধিত হয়।
খাল বিলের জলা বদ্ধতা নিরসনে কৃষি অধিদপ্তরের পক্ষ থেকে কোন ব্যাবস্থা নেওয়া হয়নি কেন এব্যাপারে রৌমারী উপসহকারী কৃষিকর্মকতা খাইরুল ইসলাম জানান, প্রতি বছর উপজেলা পর্যায়ে কৃষিতে ২৫% পারসেন্ট বরাদ্দ দেয় সরকার। যাহা বাস্তবায়ন করে উপজেলা নিতি নির্ধারক কমিটি। তারা যদি এব্যাপারে কোন প্রকার প্রকল্প হাতে না নেয় এতে আমাদের করার কি আছে।
তবে এলাকা বাসীর অভিযোগ সরকার কোটি-কোটি টাকা কৃষির উন্নয়নে ভতুকি দিলেও কোন কাজ না করে তাযেন খাতা কলমে সীমা বদ্ধ।
ক্ষতিগ্রস্থ কৃষক লাঠিয়াল ডাঙ্গা গ্রামের আলাল মিয়া, বাবুল, জালাল, বেকরী বিলের ছাত্তার , কুদ্দুস, লিচু, নাছির, আলগার চরের জলিল, রবিউল, আব্বাস আলী, মাহুবর, উত্তর আলগার চরের সামছুল, রহিমুদ্দিন, খেয়ারচরের জবেদ আলী, নইমুদ্দিন, খয়রুদ্দিন নজরুল সাংবাদিককে ধান হালের বলদ গহনা বিক্রি করে ইরি-বোরো চাষ করেছিলা এক সপ্তাহ পরেই ধান কাটা শুরু হতো বৈরী আবহাওয়া ও অকাল বৃষ্টিতে সব ধান তলিয়ে গেছে । আগামী দিন গুলো ছেলে-মেয়েদের নিয়ে কি খেয়ে বাঁচব।
