সমাজতান্ত্রিক আন্দোলনের আইকন কিউবার বিপ্লবী নেতা ফিদেল আলেসান্দ্রো কাস্ত্রো রুজ (ফিদেল কাস্ত্রো) আর নেই।
স্থানীয় সময় শুক্রবার কিউবার রাজধানী হাভানায় ৯০ বছর বয়সে তিনি মারা যান।
সাম্যবাদী বিপ্লবীদের এই নায়ক তার দীর্ঘ বিপ্লবী জীবনে অনেক অমর উক্তি করে গেছেন। তারই কিছু তুলে ধরা হলো-
একটি সেনা ব্যারাকে অভিযানের পর ধরা পড়ে ১৯৫৩ সালের ১৬ অক্টোবর বিচারের মুখোমুখি কাস্ত্রো বলেছিলেন, ‘আমাকে দোষী সাব্যস্ত করুন, এটা কোনো ব্যাপার না। ইতিহাস আমাকে মুক্তি দেবে।’
১৯৬১ সালের জানুয়ারিতে কিউবান বিপ্লবের দ্বিতীয় বার্ষিকীতে এই অবিসংবাদিত নেতা বলেছিলেন, ‘বিপ্লব কুসুমাস্তীর্ণ বিছানা নয়। বিপ্লব হলো ভবিষ্যত এবং বর্তমানের মধ্যে আমৃত্যু সংগ্রাম।’
চিলিতে ১৯৭১ সালে কাস্ত্রো বলেছেন, ‘আমি একজন খুবই ভাগ্যবান মানুষ ছিলাম যে একটি রাজনৈতিক মতবাদ আবিষ্কার করেছি। একজন মানুষ যে পুরোদস্তুর সাম্যবাদী হওয়ার আগে কিউবার রাজনৈতিক সংকটের ঘূর্ণাবর্তে আটকা পড়েছিল… জঙ্গলে একটি পথনির্দেশনা খুঁজে পাওয়ার মতোই মার্কসবাদকে আবিষ্কার করল।’
হৃদরোগে আক্রান্ত হওয়ার প্রতিবেদন প্রকাশ হওয়ার পর ১৯৭২ সালের ৭ জুন তিনি বলেছিলেন, ‘আমার ইস্পাতের একটি হৃদয় আছে।’
হাভানায় এক বক্তৃতায় ১৯৭৭ সালে এই বিপ্লবী বলেছিলেন, ‘আমরা কেবল লাতিন আমেরিকান জাতিগোষ্ঠীই নই, আমরা আফ্রো-আমেরিকান জাতিগোষ্ঠীও।’
বিশ্ব কমিউনিস্ট যুব সম্মলেনে ১৯৭৮ সালের ২৬ জুলাই তিনি বলেছিলেন, ‘কোন নৈতিকতায় (যুক্তরাষ্ট্রের) নেতারা মানবাধিকার নিয়ে কথা বলে, যাদের দেশে কোটিপতি এবং ভিক্ষুক আছে, যাদের দেশে কৃষ্ণাঙ্গরা বৈষম্যের শিকার, নারীদের পতিতাবৃত্তি করতে হচ্ছে, মেক্সিকান, পোয়ের্তোরিকান ও লাতিন আমেরিকানদের স্বীকৃতি নেই, তারা নির্যাতিত ও অপদস্থ।’
সান্তা ক্লজ নিয়ে ১৯৯৮ সালের ডিসেম্বরে এই সমাজতন্ত্রী নেতা বলেছিলেন, ‘এটি মার্কিন বাণিজ্যবাদের কল্পিত বয়ানের মুখ্য প্রতীক।’
২০০০ সালের আগস্টে তিনি বলেছিলেন, ‘আমি শেষ করলাম- হয়তো একটু দেরিতেই- বক্তব্য অবশ্যই ছোট হতে হবে।
