নিজস্ব প্রতিনিধিঃ সাভার, হেমায়েতপুর, জয়নাবাড়ী, নিমের টেক, নামা বস্তী, আতাবুর (০১৭২৫-৬৫০৬৯৪), লিপি (০১৮১৩-৬০৪৬৩৭), ৪২ মাদক ও নারী পাচার মামলার আসামি। রুবি (০১৭৫৬-২০৮৮৯১), সুমী (০১৯৯২-৪৪৩৯৪২) সুমি, ইতি (০১৫৩১-৮৩৩১০০) জামালের বাড়ী, কলেজ গেট, বনমালা রোড, দত্তপাড়া, টঙ্গী, রেল লাইনের উত্তর পাশে চেরাগ আলী মসজিদ মার্কেট (৩য় তলা) মাদক ও নারী পাচার চক্রের বিরুদ্ধে মাদক মামলা রয়েছে, এছাড়া দিপালী মিরপুর ( নারী পাচার মামলায় ৭ বছর সাঁজা খেটে জেল ফেরত), রুবি, সুমি, ইতি, দিপালীকে টঙ্গী থানার কিছু পুলিশ মাদক ব্যবসায় সহযোগিতা করে আসছে। সাভারের কুখ্যাত মাদক ও নারী পাচার ব্যবসায়ী আতাবুরের বিরুদ্ধে ৪৭টি মামলা রয়েছে। এছাড়া সাভারের ফুলবাড়ী হাংকি ভাঙ্গার সাফায়েত উল্লাহ সাবু (০১৯৩৭৫৯৬৮১২) সাবুর বিরুদ্ধে ৪টি মাদক মামলা রয়েছে। সাভারের নিমের টেকে লিপি, লিপির মা’র বিরুদ্ধে ২টি মাদক মামলা রয়েছে। এদেরকে সাভার থানার ওসি ও নবীনগর র্যাব ক্যাম্পের একজন কর্মকর্তা সার্বিক সহযোগিতা করে আসছে বলে অভিযোগ রযেছে। আতাবুর ৮টি মামলায় ওয়ারেন্ট থাকা সত্ত্বেও এ্যাডভোকেট নূরুজ্জামান মোবাইল নং ০১৭১১১৯০২৬৫, আতাবুরকে কারাগার থেকে বের করে নিয়ে আসে এবং আতাবুর বর্তমানে মাদক ও নারী পাচার ব্যবসা হরদম করে যাচ্ছে। এর নেপথ্যে রয়েছে এ্যাডভোকেট নুরুজ্জামান। নুরুজ্জামান নিজেকে সুপ্রীম কোটের উকিল পরিচয় দেয়। এ্যাডভোকেট নুরুজ্জামান সুপ্রীম কোটের ব্যারিষ্টার রফিকুল ইসলাম মিয়া ও এ্যাডভোকেট এ কে মজিবুর রহমানের চেম্বারের এ্যাডভোকেট পরিচয় দেয়। সুপ্রীম কোর্টে খোজ নিয়ে জানতে পারি সুপ্রীম কোর্টের ঐ চেম্বারের সে এ্যাডভোকেট না এবং উনারা তাকে চিনেন না। সুপ্রীম কোর্টের উকিলও না। আমার একজন লোক নুরুজ্জামানকে ফোন করে বলে আমার ২টি মাদক মামলা রয়েছে। আমি আতাবুরের বন্ধু। এ্যাডভোকেট নুরুজ্জামান বলে প্রতি মামলা ১ লক্ষ টাকা করে দিলে ১ থেকে ২ দিনের মধ্যে যে কোন কোট থেকে জামিন নিয়ে দিবে। অনুসন্ধানে জানা যায়, আতাবুর মাদক ও নারী পাচারের ৪৭ মামলার আসামী তার সহযোগী সাবু, লিপি, সুমী, লিপির মা, স্মৃতি ৮ মামলার আসামী, দিপালী নারী পাচার মামলার ১৩ বছরের সাজাপ্রাপ্ত আসামী। এই চক্রটি দেশের সুন্দরী মেয়ে, সুন্দরী বউদের টার্গেট করে কৌশলে নেশা খাওয়ায়ে নেশা গ্রস্থ করে। সাবু, সুমি, লিপি, লিপির মায়ের মাধ্যমে মাদাক ব্যবসায় জড়িত করে। ঐ মেয়ে বা বউদের দিয়ে আতাবুর মাদক, দেহ ও নারী পাচার ব্যবসা করায় এবং এ্যাডভোকেট নুরুজ্জামানের কাছে আনলে তিনি ঐসব নারীদের সাহস দিয়ে বলে কোন ভয় নাই এমন কোন কোট নাই, ডিবি, র্যাব, পুলিশ নাই তোমাকে আটকিয়ে রাখবে। ঐসব মেয়েদের গার্ডিয়ান বা বউদের স্বামীরা প্রতিবাদ করলে এ্যাডভোকেট নুরুজ্জামান নারী নির্যাতন মামলার ভয় দেখায়। এ্যাডঃ নুরুজ্জামানের ঢাকা উত্তরখান, মোহাম্মদপুর, নারায়নগঞ্জ ও পাবনা মোট ৪টি বাড়ি রয়েছে। এছাড়া সে অনেক টাকার মালিক। সাভার ও আশুলীয়া থানার কিছু অসাধু পুলিশ আতাবুরকে সব সময়ই গ্রেফতারী এড়িয়ে চলার জন্য তথ্য দিয়ে থাকে। মাদক ও নারী পাচার সম্রাট আতাবুরের বিরুদ্ধে ৪৭টি মামলার মধ্যে ১১টি মামলার গ্রেফতারী পরোয়ানা থাকা সত্বেও ১১টি মামালায় জামিন ছাড়া এ্যাডভোকেট নুরুজ্জামান কিভাবে কারাগার থেকে আতাবুরকে বের করে আনছে। আতাবুর বর্তমানে সাভার, টঙ্গী, কাশিমপুর কারাগার ও কেরানীগঞ্জ কারাগারে মাদক ব্যবসা করে যাচ্ছে এবং নারী পাচারও থেমে নাই। এ্যাডভোকেট নুরুজ্জামান মাদক ব্যবসার কোটি কোটি টাকার একটা অংশ জঙ্গী তৎপরতায় ব্যয় করে যাচ্ছে।

