পটিয়ায় শাশুড়ির পরকীয়া দেখে ফেলায় পুত্রবধুকে হত্যা , মামলা নেয়নি পুলিশ

0
1542

আব্দুর রহিম বাবলুঃ

Advertisement

মানবতা আজ বিপন্ন , সত্য ঘঠনা আজ চাপা পড়ে থাকে অতল গহ্বরে । অসহায় মানুষ সঠিক বিচারের জন্য ঘুরছে প্রশাসনের দ্বারে দ্বারে ।

 

গত ১৪ই নভেম্বর ২০১৮ পটিয়ার থানার ৪নং ওয়ার্ডের বিনিনিহারা কদল ফকিরের বাড়ি শিলা সাহা মাজারের পূর্বে কাশেম কমান্ডারের বাড়ির গৃহবধু খোরশেদুল আলম জুবায়ের মোস্তফা চুমকিকে(২০)হত্যা করে ফ্যানের সাথে ঝুলিয়ে রাখে শশুর বাড়ির লোকজন । পোস্ট মর্টেম করা হলেও রিপোর্ট হাতে না আসায় এই হত্যাকান্ডটি রহস্য জনক । গৃহবধু চুমকির স্বামী প্রবাসে থাকলেও গত দেড়বছর ধরে বর্তমানে বাড়িতেই অবস্থান করছেন । খোরশেদুল আলম জুয়েল (২৪) ও চুমকির বিবাহিত জীবনে তাদের দুবছরের আদিল নামে একটা ছেলে রয়েছেন । বাচ্চাটা প্রতিনিয়ত মা মা বলে কান্না করতে করতে কখনো ঘুমিয়ে পড়েন আবার ফ্যাল ফ্যাল করে তাকিয়ে থাকেন মায়ের ছবির দিকে । পটিয়া থানায় চুমকির বাবা সাবেক মেম্বার ও মানবাধিকার কর্মী গোলাম মোস্তফা মামলা করতে গেলে ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা নেয়ামত উল্লাহ সরাসরি নাকচ করে দিয়ে বলেন মামলা নেয়া যাবেনা এমনকি অভিযোগ ও দায়ের করা যাবেনা । এব্যাপারে এই হত্যাকান্ডের অনুসন্ধান করতে সিটিজি ক্রাইম টিভির একটি প্রতিনিধি দল পটিয়ায় ঘঠনাস্থল পরিদর্শন করে হত্যাকান্ডের রহস্য উদঘাটন করার চেষ্টা চালান । প্রথমেই নিহত চুমকির পরিবার , শশুরবাড়ির ও স্থানীয় লোকজনের সাথে কথা বলেন । পরে ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তাকে ফোন করলে তিনি তার থানায় না যেতে বলে সরাসরি ব্যাক্তিগত কক্ষে ডেকে নিয়ে যান সিটিজি ক্রাইম টিভির সাংবাদিকদের । এক পর্যায়ে ওসি সাংবাদিকদের সাথে দুর্ব্যাবহার করেন এবং স্থানীয় চারজন সাংবাদিকদের ডেকে আনেন তার কক্ষে । এর মধ্যে কথিত ভুয়া সাংবাদিক পরিচয়ে বিকাশ চৌধুরী ওসি নেয়ামত উল্লাহর সহযোগীতায় আরো কয়েকজন কথিত সাংবাদিক নিয়ে হত্যা ঘটনা ধামা চাপা দেয়ার জন্য প্রচুর অর্থের বিনিময়ে এ কাজটি করেন বলে জানা যায় । একজন সত্যিকারের সাংবাদিক জাতির বিবেক কিন্ত এই কথিত ভুয়া সাংবাদিক বিকাশ চৌধুরী এলাকায় নানা ধরনের অপকর্ম ও সাধারন মানুষকে সাংবাদিক পরিচয় দিয়ে ভয়ভীতি ও হয়রানী করে বলে ভুক্তভোগী মেম্বার গোলাম মোস্তফা জানান । এই বিকাশ চৌধুরী এক সময় কলা বিক্রি করতো । কলা বিক্রি করে শেষ পর্যন্ত্য হোটেল আলকরিমে চাকরি নেন এবং পতিতালয়ের ব্যাবসা শুরু করেন । ২০০৯সালে গ্রেফতার হন । পরবর্তিতে পুলিশের নজরে আসার পরে আবারও ইয়াবা সহ গ্রেফতার হয় । এই কুখ্যাত প্রতারক কে ধরিয়ে দিতে পারলে ২০১১সালে বিশ হাজার টাকা পুরস্কারের ঘোষনা করেন । এত ঘঠনার থেকে বাঁচার জন্য তিনি একজন সাংবাদিক হয়ে গেলেন । এখন প্রশ্ন হলো এই কলা ও মাদক বিক্রেতা কিভাবে জাতির বিবেক হয়?

Advertisement

মন্তব্য করুন

Please enter your comment!
Please enter your name here