নজির আহমেদঃ নারী ও শিশু নিযাতন দমন ট্রাইব্যুনাল ঢাকা এর পিটিশন মামলা ৩৬৯/০১৩ এর আসামী মোঃ বাবর পিতা মোঃ মুসলিম সরকার, সাং সধ্য রসুলপুর পাগলা পূর্ব পাড়া থানাঃ ফতুল্লা জেলা নাঃগঞ্জ। সূত্র মতে জানা যায় গত ০২/০৬/২০১৩ইং তারিখে বিজ্ঞ নারী ও শিশু নির্যাতন ট্রাইব্যুনাল আদালতে মামলা দ্বায়ের করেন। মোসাঃ ময়না বেগম, পিতা মৃত্য বোরহান উদ্দিন, সাং পাইল ভোগ নওপাড়া, থানাঃ শ্রীনগর, জেলাঃ মুন্সিগঞ্জ। মামলার বাদির অভিযোগ আসামীর আদালত হইতে জামিনে মুক্তি পেয়ে আমাকে ও আমার মেয়েকে হত্যার হুমকি দিয়ে আসছে। মামলার বাদি বলেন আগামী দারজো তারিখে আগেই আদালত হইতে মামলা উঠাবার জন্য বলেন। মামলা যদি না উঠিয়ে আনি তাহলে আমাকে এবং আমার মেয়েকে হত্যার করবে। মামলার ধারন সূত্রে জানা য়ায় গত ০৫/১২/১৯৯৪ইং তারিখে ৫০ হাজার টাকা কাবিন মূলে বিবাহ হয়। ময়না বেগমের বিবাহের পর থেকে শান্তিতে সংসার চলছিল তাদের দু’জনার দাম্পত্য জীবনে একটি মেয়ে সন্তান জন্ম নেয়। হঠাৎ করে অন্য একটি মেয়েকে বিবাহ করেন তার স্বামী বাবর। সংসারে শুরু হয় অত্যাচার নির্যাতন এবং যৌতুক এর দাবি। বাবরের দাবি কৃত যৌতুকের টাকা যোগান দিতে না পাড়ায় প্রতি দিনই নির্যাতনের শিকাড় হতে হচ্ছে। স্বামীর নির্যাতন সইতে ময়না না পেরে বিজ্ঞ আদালতের আশ্রয় নেয়া হয় এবং আদালতের আদের্শ ক্রমেই জেল হাজতে যেতে হয় বাবরের। জেল থেকে জামিনে মুক্তি পেয়ে পূর্ণরায় হত্যার হুমকি দিয়ে আসছে আসামীরা। সূত্র মতে জানা যায় বাবরের একদল সন্ত্রাসী বাহিনী রয়েছে এরা বিভিন্ন ব্যবসা প্রতিষ্ঠানের চাঁদার দাবি করে থাকেন এবং মাদক ব্যবসার সাখে জড়িত আছেন ঢাকার বিভিন্ন স্থানে পাইকারী ইয়াবা ট্যাবলেট সাপ্লাই দিয়ে থাকেন বাবরের মুল ব্যবসাই হলো মাদকের ওই ব্যবসার ও বাধা দিয়ে থাকেন স্ত্রী ময়না বেগম বাধা দিতে গিয়ে ও অনেক নির্যাতনের শিকাড় হয়েছেন ময়না। মামলার বাদী ময়না বেগম জানায় কিছু দিন আগে আসামী বাবর আমাকে বাসায় না পেয়ে আমার ছোট বোন মিস লাকী বেগমকে মারধর করে এবং অমানবিক নির্যাতন চালায় এতে করে লাকীর একটি হাত ভেঙ্গে যায় তরে লাকীর পক্ষ থেকে মামলা করায় প্রতিকৃরা চলছে।
