নাটোরের লালপুরে ভয়াবহ সড়ক দুর্ঘটনায় ১৫ জনের প্রাণহানির মামলায় আটক চ্যালেঞ্জার বাসের চালক শামীম হোসেন ও তার সহাকারী আব্দুস সামাদকে জেলা কারাগারে পাঠানো হয়েছে। বৃহস্পতিবার তাদের সিনিয়র জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট (লালপুর ) আদালতে হাজির করে ৫ দিনের রিমান্ড আবেদন করেন মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা এসআই তরিকুল ইসলাম।
শুনানী শেষে আদালতের বিচারক সুলতান মাহমুদ আগামী ৫ সেপ্টেম্বর রিমান্ড শুনানীর দিন ধার্য করে তাদের কারাগারে পাঠানোর আদেশ দেন। লালপুর ম্যাজিস্ট্রেট কোর্টের পরিদর্শক মোস্তাফিজুর রহামন বিষয়টি নিশ্চিত করে জানান, বিকেলেই আটকদের জেলা কারাগারে পাঠানো হয়েছে। এর আগে শনিবার নাটোরের লালপুরের কদমচিলান কিলিক মোড়ে বাস-লেগুনা সংঘর্ষে ১৫ জন নিহতের ঘটনায় লালপুর থানায় ৭ জনকে আসামি করে একটি মামলা দায়ের করা হয়। বনপাড়া হাইওয়ে থানার সহকারী উপপরিদর্শক (এএসআই) ইউছুব আলী বাদী হয়ে মামলাটি করেন। মামলায় বড়াইগ্রাম উপজেলা লেগুনা মালিক সমিতির সভাপতি জাবেদ আলী মোল্লা, সাধারণ সম্পাদক জাকির হোসেন, লেগুনার চালক আব্দুর রহিম, চালকের সহকারী রাজা মিয়া, চ্যালেঞ্জার বাসের মালিক, বাসের চালক ও চালকের সহকারীকে আসামি করা হয়। আসামিদের মধ্য লেগুনার চালক ও তার সহকারী দুজনই দুর্ঘটনায় নিহত হয়েছেন। গত রোববার বগুড়ার ডিবি পুলিশ এ মামলায় বাসচালকের সহকারী আবদুস সামাদ কমলকে গ্রেফতার করে। বগুড়া শহরতলির মহাস্থানগড় পলাশবাড়ি এলাকার ভাড়া বাসা থেকে তাকে গ্রেফতার করা হয়। অপরদিকে বাসচালক শামীম হোসেন মঙ্গলবার বগুড়া ডিবি পুলিশের কাছে আত্মসমর্পণ করেন।

