নতুন ডেসটিনির প্রতারণা প্রতারক এমডি’র জামিন

0
1054

স্টাফ রিপোর্টার ঃ
নতুন ডেসটিনির আত্মপ্রকাশ। প্রতারণার করে হাজার গ্রাহকের টাকা লুট। আইন আছে নেই বাস্তবায়ন। আইনের চোখ ফাকি দিয়ে প্রতারণা করলেও অসহায় গ্রাহক পান না সঠিক বিচার। প্রতারণার মামলায় নতুন ডেসটিনির এমডি জেলে গেলেও থাকতে হয় নি বেশি দিন জেলে। সম্প্রতি জেল থেকে ছাড়া পেয়ে দেদরাচ্ছে প্রতারনা করছে বলে অভিযোগ পাওয়া গেছে। প্রতারণা আর দুর্নীতি দেশের মানুষের মধ্যে এমন করেই বাসা বাধছে যে রূদ্ধে রূদ্ধে দেশের সামাজিক ও অর্থনীতিকে পঙ্গু করে দিচ্ছে। তবু দুনীর্তিবাজ রাগব বোয়ালদেরকে আইনের মুখোমুখি করতে আমাদের আইন শৃঙ্খলা বাহিনী সহ সমাজের সাধারন মানুষ আজ অসহায় হয়ে পড়েছে। সরকার যখন দেশের উন্নয়ন করে অর্থনীতির সফলতা আনতে পরিশ্রম করে যাচ্ছে ঠিক সে সময়ে দুর্নীতিবাজ ও প্রতারক চক্র মাথা চারা দিয়ে প্রতারনা করে আসছে। এরা সরকারের বিভিন্ন মন্ত্রীবর্গের নাম ব্যবহার করেও প্রতারনা করে আসছে। সরকার সুনাম ও অর্জনকে বিসর্জন করতে এমন একটি চক্র কাজ করছে বলে জানা গেছে। মাল্টিপারপাসের নামে জনগনের সাথে প্রতারনা করে কোটি কোটি টাকার মালিক বনে উধাও হয়ে গেছে এমন কোম্পানি ছিল অনেকই। কিন্তু সাধারন মানুষের সাথে প্রতারনাকারী এমন কোম্পানীর মালিক ও সংশ্লিষ্ট কাউকে আইনের আওতায় আনতে পারেনি সরকার। বর্তমানে ডেসটিনির প্রতারনা বিচার চলছে। সাধারন মানুষের এখনো আতঙ্ক কাটেনি ডেসটিনি নামক ভয়ংঙ্কর এক প্রতারকদের জালিয়াতির। বছরের পর বছর গেল। ডেসটিনির প্রতারিত গ্রাহকরা আশায় বুক বেঁধে আছেন। অথচ এক টাকাও ফেরত পাননি এসব প্রতারিত গ্রাহক। তবে সেই ডেসটিনির স¤পত্তিও বেহাত হয়েছে। কোনো কোনো কারখানার যন্ত্রপাতি হারিয়ে গেছে। এমনকি অকেজো পড়ে থেকে নষ্ট হচ্ছে যন্ত্রপাতি। সারা দেশে এমন চিত্র আলোচিত-সমালোচিত বহুস্তর বিপণন (এমএলএম) কো¤পানি ডেসটিনির। পার্বত্য এলাকায় কো¤পানির অধীনে থাকা গাছ চুরি হয়েছে হরহামেশা। ঠিক তাদের অপকর্মের মতই নতুন মাত্রায় মাঠে নেমেছে আরেক ডেসটিনি। সরকার বারবার হুশিয়ারী সংকেত দিলেও এই প্রতারক এমএলএম কোম্পানীগুলোকে দমন করা যাচ্ছে না। এক কোম্পানী প্রতারনা করে পালিয়ে গেলে ওই কোম্পানীর অসাধু ব্যক্তিরা আবার নতুন করে আরেকটি কোম্পানীর আত্মপ্রকাশ করে। তদরূপ ডেসটিনি নামক ভয়ংঙ্কর দানবের প্রতারক সিন্ডিকেটের সাবেক একাউন্টেট, ষ্টোর কিপার, এমএলএসএস ও সাবেক আর্মি অফিসার মিলে ওর্য়াল্ড মিশন ২১ লিঃ নামে একটি কোম্পানী খুলে প্রতারনা করে আসছে বলে অভিযোগ উঠেছে। প্রতিষ্ঠানটির করপোরেট অফিস স্কাইলার্ক পয়েন্ট (২য় তলা) বিজয়নগর ঢাকা এবং হেড অফিস হিসাবে ব্যবহার করা হচ্ছে একে টাওয়ার, (৬ষ্ঠ তলা) জসিম উদ্দিন রোড, উত্তরা, ঢাকা। উক্ত ঠিকানায় বসেই প্রতারণা করে আসছে ওর্য়াল্ড মিশন ২১ লিঃ নামের কোম্পানীর এমডিসহ সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিবর্গ। সূত্রে জানা গেছে, শুধুমাত্র পিন নাম্বারের মাধ্যমে পিড়ামিড স্কীম আকারে শুধূ টাকার হাত বদল যেখানে পন্যের উপস্থিতি ও কোন প্রকার উৎপাদনধর্মী কর্মকান্ড নাই। ২১ ইলেকট্রনিক্স এর মাধ্যমে সাধারন মানুষদের গ্রাহক বানিয়ে ১ টাকার পন্য ১০ গুন টাকায় বিক্রি করছে। যাহা প্রকৃত পক্ষে মানহীন পন্য। সারাদেশে তাদের সাইন বোর্ড সর্বস্ব শোরুম থাকলেও কোথাও তাদের কোন সার্ভিসিং সেন্টার নেই অথচ তারা পন্য বিক্রয়ের সময় সার্ভিসিং এর মৌখিক নিশ্চয়তা দিয়ে বিক্রি করছে। বাংলাদেশের প্রানকেন্দ্র ঢাকা এবং ঢাকার প্রশাসনিক অঞ্চলে অবস্থিত সরকারী নীতি নির্ধারনী অফিসের ছড়াছড়ি সেখানে দুদক থেকে মাত্র ০০ মিটার দূরে অবস্থিত শতসহস্র কোটি টাকার এই অবৈধ অনৈতিক আইন বর্হিভূত কর্মকান্ড চালিয়ে যাচ্ছে দিনের পর দিন। অথচ সরকারী প্রশাসন যন্ত্র নিশ্চুপ কিন্তু কেন? বাংরাদেশের বৃহত্তম ঐতিহাসিক মানি লন্ডারিং মামলার (ডেসটিনি) ২০১২ সালের মামলার বাদী দুদক কেন আজ নিশ্চপ প্রশ্ন সাধারন জনগনের। যাহা রহস্যজনক বলে মনে করেন অনেকেই। সর্বশেষ ডিসি সম্মেলনে বানিজ্য মন্ত্রী স্পষ্ট ভাষায় বলেছেন, এমএলএম এর নামে এবং এ জাতীয় প্রতারনামূলক ব্যবসা দেশের কোথাও যেন পরিচালিত না হয় সে নির্দেশ প্রদান করেন। এছাড়া তিনি, সংসদে এক প্রশ্নত্তরে এমএলএম ব্যবসা নিয়ে যারা জনগনের সাথে প্রতারনা করে তাদের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা নিতে স্থানীয় প্রশাসনকে নির্দেশ দেন। এ নির্দেশ অতিক্রম করে এমএলএম ব্যবসা পরিচালনা করে আসছে প্রতারক চক্র। তেমনি ওর্য়াল্ড মিশন-২১ লিঃ এর এমডি ও সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিরা রাজধানীর কয়েকটি স্থানে প্রতারণা করে যাচ্ছেন। নীতিমালা বর্হিভূতি পিরামিড স্কীম বা মানি গেমলিং সিস্টেমের কারনে দেশের সাধারন মানুষ আজ প্রতারিত হচ্ছে ওর্য়াল্ড মিশন ২১ নামের কোম্পানীর দানবদের কাছে। আমাদের ব্যাপক অনুসন্ধান চলছে বিস্তারিত পরবর্তী সংখ্যায়।

Advertisement
Advertisement

মন্তব্য করুন

Please enter your comment!
Please enter your name here