ধর্ষণের শিকার হয়েছেন চট্টগ্রামের তিন স্কুলছাত্রী

0
684

ফেসবুক বন্ধুর সঙ্গে বেড়াতে গিয়ে ধর্ষণের শিকার হয়েছেন চট্টগ্রামের তিন স্কুলছাত্রী। মঙ্গলবার রাত ৮টা পর্যন্ত অভিযান চালিয়ে চট্টগ্রাম মহানগরীর বায়েজিদ ও সুনামগঞ্জ থেকে তিন ছাত্রীকে উদ্ধার ও এ ঘটনায় জড়িত পাঁচজনকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। গ্রেপ্তার হওয়া পাঁচজন হলো মো. শাকিব খান (১৮), তার মা আজিজা খাতুন (৪৮) ও ভাই সম্রাট (৩০) এবং দুই বন্ধু সুজন (২০) ও নাঈম হোসেন (১৮)।

Advertisement

ঘটনায় জড়িত আরো একজন পলাতক রয়েছে বলে জানিয়েছেন নগর পুলিশের কর্ণফুলী জোনের সহকারী কমিশনার (এসি) জাহেদুল ইসলাম। তিনি জানান, ১লা সেপ্টেম্বর চট্টগ্রাম মহানগরীর পতেঙ্গা থেকে ফুঁসলিয়ে নিয়ে যাওয়া হয় তিন স্কুলছাত্রীকে। এরপর ধর্ষণের শিকার হয়েছে তারা। তিনি জানান, ধর্ষণের শিকার হওয়া একজন নগরীর পতেঙ্গা বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়ের সপ্তম শ্রেণির ছাত্রী। অপর দুজন অষ্টম শ্রেণির ছাত্রী। তিনজনই নগরীর পতেঙ্গা থানার মুসলিমাবাদ এলাকার বাসিন্দা। এ ঘটনায় এক ছাত্রীর বাবার দায়ের করা অপহরণ মামলার সূত্র ধরে তিন ছাত্রীকে উদ্ধার ও ফেসবুক বন্ধুসহ ৫ জনকে গ্রেপ্তার করা হয় বলে জানান তিনি। মামলার অভিযোগে জানা যায়, ১লা সেপ্টেম্বর স্কুলে যাওয়ার পর তিন ছাত্রী আর বাড়ি ফেরেনি। ঘটনাটি পুরো এলাকায় তোলপাড় সৃষ্টি করে। পরে এক ছাত্রীর বাবা নগরীর পতেঙ্গা থানায় গিয়ে অপহরণের অভিযোগে একটি মামলা করেন। মামলার তদন্ত কর্মকর্তা পতেঙ্গা থানার এসআই জাহেদুল ইসলাম জানান, নোয়াখালীর কোম্পানীগঞ্জ উপজেলার চরকাঁকড়া গ্রামের বাসিন্দা শাকিব খান মুসলিমাবাদ এলাকায় ভাড়া থাকতেন। সেখানে এক ছাত্রীর সঙ্গে তার পরিচয় হয়। পরে তার বন্ধু নাঈম এবং সম্রাটের সঙ্গে ওই ছাত্রীর আরও দুই বান্ধবীর পরিচয় হয়। ফেসবুকে তাদের মধ্যে নিয়মিত কথাবার্তা হতো। একপর্যায়ে শাকিব ও তার দুই বন্ধু বেড়াতে যাওয়ার কথা বলে ফুসলিয়ে তাদের নিয়ে পালিয়ে যায়। শাকিব এক ছাত্রীকে নিয়ে নগরীর বায়েজিদ বোস্তামি থানা এলাকায় নিজের বাসায় রাখেন। সেখানে তার মা ও দুই ভাইও থাকে। শাকিবের দুই বন্ধু বাকি দুই ছাত্রীকে নিয়ে সুনামগঞ্জ জেলা সদরে চলে যান। আর সেখানে তিন ছাত্রী ধর্ষণের শিকার হয়। তদন্ত কর্মকর্তা বলেন, গোপন সংবাদের ভিত্তিতে মঙ্গলবার রাত ৮টা পর্যন্ত গত দুদিন টানা অভিযান চালিয়ে তিন ছাত্রীকে উদ্ধারের পাশাপাশি পাঁচজনকে গ্রেপ্তার করা হয়। শাকিবের মা ও ভাই ভিকটিমকে আটকে রাখতে সহযোগিতা করায় গ্রেপ্তার করা হয়েছে তাদের। এসআই জাহেদুল ইসলাম বলেন, তিন ছাত্রীকে চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ডাক্তারি পরীক্ষার জন্য পাঠানো হয়েছে। গ্রেপ্তার হওয়া পাঁচজনকে আদালতের মাধ্যমে কারাগারে পাঠানো হয়েছে। ঘটনায় জড়িত আরো একজন ফেসবুক বন্ধু পলাতক রয়েছে।ফেসবুক বন্ধুর সঙ্গে বেড়াতে গিয়ে ধর্ষণের শিকার

 

Advertisement

মন্তব্য করুন

Please enter your comment!
Please enter your name here