শুক্রবার সন্ধায় পর্যটন হলিডে হোমস প্রাঙ্গণে এ সম্মেলনের আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন করেন শ্রী শ্রী হরি- গুরুচাঁদ মতুয়া মিলন কেন্দ্রীয় কমিটি,শ্রীধাম ওড়াকান্দির সভাপতি মহামতুয়াচার্য্য শ্রী পদ্মনাভ ঠাকুর। শ্রী শ্রী হরি-গুরুচাঁদ মতুয়া মিশন পটুয়াখালী জেলা ও কলাপাড়া উপজেলার উদ্যোগে পুর্নব্রক্ষ পুর্নাবতার শ্রী শ্রী হরিচাঁদ ঠাকুরের ২১০ তম শুভ আবির্ভাব উৎসব,প্রভূপাদ শ্রী শ্রীপতিচাঁদ প্রসন্ন ঠাকুরের স্মৃতি স্বরণে মতুয়া মহা সম্মেলন ও সমুদ্র্রে পুণ্যস্নানের আয়োজন করা হয়। মতুয়া সম্মেলনে দেশের বিভিন্ন অঞ্চল থেকে প্রায় ১০ হাজার মতুয়া ভক্ত বৃন্দ অংশগ্রহণ করে। উলুধ্বনি আর ঢাকের তালে তালে দলে দলে সম্মেলনে আসে মতুয়া ভক্ত নারী পুরুষ এবং শিশুরা। কুয়াকাটা সমুদ্র সৈকতে বসে এক মতুয়া মিলন মেলা।
শ্রী শ্রী হরি গুরুচাঁদ মতুয়া মিশন কেন্দ্রীয় কমিটির উপদেষ্টা বাবু অনন্ত মুখার্জির সভাপতিত্বে আয়োজিত সম্মেলনে প্রধান অতিথির বক্তব্যে মহিববুর রহমান মহিব এমপি বলেন, বাংলাদেশে সকল ধর্ম বর্নের মানুষ মিলিমিশে বসবাস করেন। ধর্ম ভিন্ন হলেও আমরা সকলেই বাংলাদেশী। বঙ্গবন্ধু সকল ধর্ম বর্নের মানুষ কে সমান অধিকার দিয়েছেন। বঙ্গবন্ধু কন্যা মাননীয় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা সরকার আপনাদের হিন্দু সম্প্রদায়ের সমান অধিকার নিশ্চিত করেছেন। বাংলার মানুষ সাম্প্রদায়িকতাকে প্রশ্রয় দেয় না। আগামীর বাংলাদেশ হবে সামপ্রদায়িক সম্প্রতির দেশ।
এ সময় বিশেষ অতিথি ছিলেন, বিশ্ব নন্দিত কন্ঠশিল্পী মতুয়া শ্রী নকুল কুমার বিশ্বাস, কুয়াকাটা পৌর আওয়ামী লীগ সভাপতি ও সাবেক মেয়র আঃ বারেক মোল্লা, সাধারণ সম্পাদক আলহাজ্ব মনির আহমেদ ভূইয়া,মতুয়া মিশন কেন্দ্রীয় কমিটির সাধারণ সম্পাদক প্রকৌশলী শিশির কুমার বড়াল। পুজা উদযাপন কেন্দ্রীয় কমিটির সদস্য শ্রী শুভাশিষ মুখার্জি, এ্যাডভোকেট কমল দত্ত প্রমূখ।
মঙ্গল প্রদ্বীপ প্রজ্বলন ও আশীর্বাদ করেন মতুয়ামাতা শ্রীমতি সুবর্না ঠাকুর, মতুয়াচার্য্য শ্রীসম্পদ ঠাকুর, মতুয়ারতœ শ্রী গৌরাঙ্গ গোসাই,শ্রীমৎ শ্রী বিধাঁন গোসাই।
রাতভর কবি গান ও নকুল কুমার বিশ্বাস এর শুরের মূর্ছনায় মতুয়া ভক্তরা মাতিয়ে তোলে সম্মেলনস্থল। ভোরে সমুদ্রে পুণ্যস্নানের মধ্যদিয়ে শেষ হবে মতুয়া মহা সম্মেলন।

