এসময় সাবেক মুক্তিযোদ্ধা কমান্ডার আব্দুল ওয়াদুদ সরদারকে জাতীয় পতাকা উত্তোলনে না ডাকায় মুক্তিযোদ্ধারা ক্ষিপ্ত হয়ে অনুষ্ঠান বর্জন করে মাঠ থেকে বেরিয়ে যাওয়ার চেস্টা করলে উপজেলা আওয়ামীলীগের সভাপতি, পৌর মেয়রের হস্থক্ষেপে পুনরায় অনুষ্ঠানে যোগদান করেন। অবশ্য পরে পতাকা উত্তোলনে তাকে নেয়া হয়। অনুস্ঠানে অন্যান্যদের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন সহকারী কমিশনার ভূমি জয়দেব চক্রবর্তী, উপজেলা আওয়ামীলীগের সভাপতি এস এম জামাল হোসেন, সাধারণ সম্পাদক ও পৌর মেয়র মোঃ গিয়াস উদ্দিন বেপারি, সাবেক মুক্তিযোদ্ধা কমান্ডার ও সংসদ সদস্য ওয়াদুদ সরদার, ডেপুটি কমান্ডার হারুন অর রশিদ সহ বিভিন্ন কর্মকর্তা, স্কুল কলেজের শিক্ষক,রাজনৈতিক ও সামাজিক নেতৃবৃন্দ। প্যারেড,কুচকাওয়াজ ও শরীরচর্চা প্রদর্শনে অংশ গ্রহন করেন পুলিশ, ফায়ার সার্ভিস, আনসার ভিডিপি, বাংলাদেশ স্কাউট এবং স্কুল-কলেজ ও মাদ্রাসার শিক্ষার্থীরা।
বিকালে বীর মুক্তিযোদ্ধা, যুদ্ধাহত মুক্তিযোদ্ধা ও শহীদ মুক্তিযোদ্ধা পরিবারের সদস্যদের সংবর্ধনা দেওয়া হয় এবং সারাদেশের ন্যায় প্রধানমন্ত্রী জননেত্রী শেখ হাসিনার সাথে শপথবাক্য পাঠান করেন প্রশাসন, মুক্তিযোদ্ধা ও রাজনৈতিক নেতৃবৃন্দ। এরপর ক্রীড়া প্রতিযোগিতার বিজয়ীদের মধ্যে পুরস্কার বিতরণ করা হয়। রাতে সাংস্কৃতিক অনুস্ঠান পরিবেশিত হয়। মুক্তিযোদ্ধাদের হট্রোগোলের ব্যাপারে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা প্রণতি বিশ্বাস জানান, সরকারী নিয়মের বাহিরে কিছুই করা যায়না। কেহ ভুল বুঝিয়ে মুক্তিযোদ্ধদের ক্ষেপিয়ে তুলেছিল। পরবর্তীতে ভুল বোঝাবুঝির অবসান হয়েছে। উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান আব্দুল মজিদ সিকদার বাচ্চু জানান, একটি মহল মুক্তিযোদ্ধাদের ভুল বুঝিয়ে জাতীয় প্রগ্রামে বিশৃঙ্খলা সৃষ্টি করতে চেয়েছিল। পরিশেষে মুক্তিযোদ্ধারা তাদের সংবর্ধনায় অত্যান্ত সুন্দর ভাবে উপস্থিত থেকে অনুস্ঠানকে প্রানবন্ত করে তুলেন।

