দেড় কিলোমিটার দৃশ্যমান হচ্ছে, স্বপ্নের পদ্মা সেতু। ২০১৯ সালের মধ্যে আরো অন্তত ১২টি স্প্যান বসাতে চায় সেতু কর্তৃপক্ষ। সেক্ষেত্রে বছর শেষে, নদীর বুকে দাঁড়িয়ে যাবে সোয়া তিন কিলোমিটার।
সব মিলিয়ে মূল সেতুর কাজ শেষ হয়েছে, চার ভাগের তিন ভাগ। যদিও নদীশাসন আটকে আছে, অর্ধেকে। সময় যতো গড়াচ্ছে, পাখির চোখ দিয়ে দেখার সুযোগ যেন ততই ছোট হয়ে আসছে স্বপ্নের পদ্মা সেতুর দৈর্ঘ্য। কারণ, প্রত্যাশার চেয়েও কম বিরতি দিয়ে বসানো হচ্ছে একেকটি স্প্যান। যার ফলে, নদীর বুকে প্রতিনিয়তই প্রসারিত হচ্ছে ত্রিশ হাজার কোটি টাকার প্রকল্পটি। পদ্মায় সবশেষ অষ্টম স্প্যানটি বসানো হয় গেলো ২০ ফেব্রুয়ারি। যার মাধ্যমে দৃশ্যমান প্রায় সোয়া ১ কিলোমিটার। আর ফেব্রুয়ারি শেষে হিসাব হলো, প্রায় পুরোপুরি প্রস্তুত ১৮টি খুঁটি। কাজ শেষ হওয়ার পথে আরো ১০ থেকে ১২টির। যেগুলোর ওপর স্প্যান বসানো হবে নির্দিষ্ট সময়ের ব্যবধানে। এরই মধ্যে জাজিরা প্রান্তের ৪২ থেকে ৩৫ নম্বর খুঁটিগুলোতে বসে গেছে সাতটি স্প্যান। মার্চেই আরো দুটি বসবে ৩৩ ও ৩৪ নম্বর খুঁটিতে। সরকারের বিশেষ নজরে থাকা ফাস্টট্র্যাকের অধীন ১০ প্রকল্পের মধ্যে সবার ওপরে পদ্মা সেতু। এখন পর্যন্ত করা হিসাবে যাতে খরচ হবে ত্রিশ হাজার কোটি টাকার বেশি। এরই মধ্যে সবমিলিয়ে খরচ হয়েছে সোয়া ১৮ হাজার কোটি টাকা। আর চলতি অর্থবছর এডিপিতে বরাদ্দ থাকা ৪ হাজার ৪শ কোটি টাকার মধ্যে ৮ মাসে খরচ দেড় হাজার কোটির কম। তবে, মূল সেতুর কাজ চার ভাগের তিন ভাগ এগুলেও, আরেক গুরুত্বপূর্ণ অংশ নদীশাসন আটকে আছে অর্ধেকে। এ মাসেই ঠিকাদার এবং পরামর্শক কমিটির যৌথ বৈঠকে ঠিক হতে পারে প্রকল্প বাস্তবায়নের প্রকৃত মেয়াদ।

