ঘূর্ণিঝড়ে মহাবিপদ সংকেতের সাইরেনটি অকেজো

0
152

দুর্যোগপ্রবণ উপকূলীয় জেলা হিসেবে পরি চিত বরগুনা। এ জেলার আমতলী উপজেলা পরিষদের সামনে ঘূর্ণিঝড়ের
মহাবিপৎসংকেত প্রচারে জাইকার অর্থায়নে স্থাপন করা হয়েছিল পলিফোনিক সাইরেন। স্থাপনের সময় সাইরেনটি
বাজলেও বর্তমানে শুধুসাইরেনটিই আছে , কিন্তু নেই তার কোনো শব্দ। ফলে ঘূর্ণিঝড়ের মহাবিপৎসংকেতের সময়
স্থানীয়রা বিষয়টি বুঝতেই পারেন না।

Advertisement

২০০৭ সালে সুপার সাইক্লোন সিডরে হাজার হাজার মানুষের প্রাণহানি ঘটে। এরপর ঘূর্ণিঝড় থেকে মানুষকে বাঁচাতে
মহাবিপৎসংকেত প্রচা রের জন্য আন্তর্জাতিক উন্নয়ন সংস্থার (জাইকা) অর্থায়নে আমতলী উপজেলা পরিষদের ভবনের
সামনে স্টিলের পাইপে উঁচুকরে স্থাপন করা হয় পলিফোনিক সাইরেন। ছয়টি ছো ট মাইকসংবলিত উচ্চক্ষমতাসম্পন্ন
এই সাইরেনটির আওয়াজ তিন বর্গকিলোমিটার এলাকা পর্যন্ত পৌঁছাতে সক্ষম। কেবল ৮ নম্বর মহাবিপদ সংকেত
দেখানোর প্রয়োজন হলে এ ধরনের সাইরেন বাজিয়ে মানুষকে নিরাপদ আশ্রয়ে যাওয়ার জন্য সতর্ককরা হয়। কিন্তু
দুর্যোগের সময় এই সাইরেনটি এখন কোনো কাজেই আসছে না। দীর্ঘ ৯ বছর ধরে এটি বিকল রয়েছে।
এদিকে বঙ্গোপসাগরে সৃষ্ট ঘূর্ণিঝড় রিমাল বাংলাদেশের উপকূলের দিকে ধেয়ে আসছে। আবহাওয়া অধিদপ্তর ১০ নম্বর
মহাবিপৎসংকেত জারি করেছে। দুর্যোগপূর্ণআবহাওয়া আরও অবনতি হলেও পরিফোনিক সাইরেনটি অকেজো থাকার
কারণে সেটি বাজানো সম্ভব হচ্ছে না।
আমতলী উপজেলা সি পিপি টিম লিডার আ. ওহাব আকন বলেন, মহাবিপৎসংকেত প্রচারের জন্য ৩ বর্গকিলোমিটার
উচ্চক্ষমতার এই সাইরেনটি বসানো হলেও বর্তমানে এটি অকেজো। ফলে আসন্ন ঝড়ে মানুষ সাইরেন শুনতে না পেয়ে
বিপদে পড়তে পারেন। এটি মেরামতের চেষ্টা করা হয়েছিল। কিন্তু চালু করা সম্ভব হয়নি।
আমতলী উপজেলা প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তা জামাল হোসেন বলেন, সাইরেনটি দী র্ঘদিন ধরে অকেজো রয়েছে। তবে
এটির সুইচে কারিগরি ত্রুটি রয়েছে। স্থানীয় টেকনিশিয়ান দ্বারা সারানোর চেষ্টা করেছি কিন্তু সম্ভব হয়নি। ঢাকা থেকে
ভালো টেকনিশিয়ান দ্বারা মেরামতের কাজ চলমান রয়েছে।

Advertisement

মন্তব্য করুন

Please enter your comment!
Please enter your name here