গর্ভাবস্থায় অনেক মা পা ফোলা সমস্যায় ভুগে থাকেন। এতে তারা হাঁটা-চলা পর্যন্তও করতে পারেন না।
প্রেগনেন্সিতে পা ফোলা কমাতে পা কোল বালিশের ওপর উঁচু করে রাখা বা দিনে ৬-৮ গ্লাস পানি খাওয়ার পরামর্শ দিয়ে থাকেন বিশেষজ্ঞরা।
তাদের মতে, পা ফোলা কমাতে এটিই সব থেকে ন্যাচারাল চিকিৎসা।
এছাড়া গর্ভবস্থায় সাধারণভাবে পা ফোলা কমাতে বিশেষজ্ঞরা আরও কয়েকটি পরামর্শ দিয়েছেন, তা নিম্নে আলোচনা করা হল;
* গর্ভাবস্থায় বেশি পরিমাণ পানি পান করলে তা শরীর থেকে সব টক্সিন পদার্থ বের করে দিতে সাহায্য করে। এটি বাথরুম যাওয়ার পরিমাণ বাড়িয়ে দেয়, ফলে শরীর থেকে অতিরিক্ত পানিও বের হয়ে যায়। এতে শুধু পা-ই নয় শরীরের বিভিন্ন অংশ যেমন: মুখের ফোলাভাবও কমে যায়।
* একই অবস্থানে একইভাবে অনেক সময় ধরে দাঁড়িয়ে থাকা এড়িয়ে চলতে হবে। কারণ এতে শরীরের নিচের দিকে জলীয় অংশ বেশি প্রবাহিত হতে থাকে, যার ফলে পা ফুলে ওঠে।
* গর্ভাবস্থায় পা ফোলা থেকে রেহাই পেতে লবণ খাওয়ার পরিমাণ কমিয়ে দিতে হবে। কারণ লবণ শরীরে পানি ধরে রাখে। তাই বলে একেবারেই লবণ খাবেন না তা কিন্তু নয়, কারণ শরীর সঠিকরূপে চালনা করতে লবণের একটি নির্দিষ্ট পরিমাণের প্রয়োজন রয়েছে।
* গর্ভাবস্থায় সুষম খাদ্যও পা ফোলা কমাতে সাহায্য করে। এটি এমন একটি বিষয়, যা শুধু গর্ভাবস্থায় নয় সবাইকে মেনে চলা উচিৎ।
* জিন্স বা ট্রাউজারের মত টাইট পোশাক পায়ের উপর চাপ বৃদ্ধি করে, এটি ঘুরেফিরে ফের সেই পা ফোলায়। তাই টাইট পোশাক পরা এড়িয়ে চলুন।
* গর্ভাবস্থায় একই জায়গায় একইভাবে অনেক সময় ধরে শুয়ে থাকবেন না। তাহলে শরীরের একটি নির্দিষ্ট অংশে পানি জমে সেই অংশটা ফুলিয়ে দিতে পারে। একইভাবে শুয়ে বা বসে না থেকে মাঝে মাঝে স্থান পরিবর্তন করুন।

