খিলক্ষেতে বিস্ময়! শীর্ষ চাঁদাবাজ শিবির নেতা আওয়ামীলীগের সেক্রেটারী শিবির ক্যাডার আমিনুল ইসলাম

0
1032

স্টাফ রির্পোটার : গত ১০ই এপ্রিল মাননীয় প্রধানমন্ত্রী বাংলাদেশ আওয়ামীলীগের সভাপতি শেখ হাসিনার অনুমোদন ক্রমে দলেল সাধারন সম্পাদক সৈয়দ আশরাফুল ইসলাম কর্তৃক কমিটি ঘোষনার পর পরই পুরো দেশ জুড়ে শুরু হয় মিশ্র প্রতিক্রিয়া। নগর, থানা ও ওয়ার্ডের অনেক ত্যাগী নেতার নাম বাদ যায়, অথচ  খুনি, চাঁদাবাজ সহ অসংখ্য তালিকা ভূক্ত অপরাধী ব্যক্তিরা কমিটির বিভিন্ন জায়গায় স্থান করে নেয়। খিলক্ষেতে ৯৬ নং ওয়ার্ড আওয়ীলীগের সাংগঠনিক কমিটি সাধারন সম্পাদক করা হয় এক সময়ের শিবির ক্যাডার আমিনুল ইসলাম কে। ১৯৯৬ সালে ১৭নং ওয়ার্ড ছাত্র শিবিরের সক্রিয় কর্মী আমিনুল এখন আওয়ামী নেতা । পেশায় ডেকোরেটর ব্যবসায়ী। বিএনপি জামায়াত সরকারের হাওয়া ভবনের অপুর ঘনিষ্ট আমিনুল। জামায়াতের সহযোগীতায় তার শ্যালক কে পুলিশে নিয়োগ দেওয়া হয়। অনুসন্ধানে জানা যায়, বাংলাদেশ আওয়ীমীলীগের সদস্য দুরে থাক কোন ইউনিটের সাধারন সদস্য ও ছিলো না। তার আপন ব্ড় ভাই কাজী সাইদুল বিএনপির রাজনীতির সাথে জড়িত। একই চিত্র ১৭নং ওয়ার্ড ঘোষিত সভাপতি আব্দুল হামিদের ব্যাপারেও, হামিদ খিলখেতে বসবাস করলেও জোয়ার শাহারা কুড়িল এলাকা নিয়ে গঠিত ১৭নং ওয়ার্ডের সভাপতি হয়েছেন। ১৯৮৬ সালে জাতীয় নির্বাচনে আওয়ামীলীগের পদপার্থী শেখ রেহানার শ্বশুর সিদ্দিক মাস্টারের বিরোধীতা করে জাতীয় পার্টির পক্ষে অবস্থান নেন। তার ছোট ভাই শহিদুল্লাহ বেপারী খিলক্ষেত থানা শাখা জাতীয় পাটির সভাপতি ছিলেন। বর্তমানে ঢাকা মহানগর উত্তরের সহ-সভাপতির দায়িত্বে। এলাকার ত্যাগী নেতাকর্মীরা বিস্ময় প্রকাশ করে বলেন, এই নেতৃত্বের হাতে আওয়ামীলীগ কিভাবে নিরাপদ থাকবে। অন্যদিকে খিলক্ষেত থানা আওয়ামীলীগের ঘোষিত কমিটি নিয়েও এলাকায় নেতা-কর্মী ও সমর্থকদের মাঝে ব্যাপক ক্ষোভ বিরাজ করছে। বর্তমান সভাপতি কেরামত আলী দেওয়ান আগের মেয়াদেও সভাপতি ছিলো। ঐ সময় দলীয় প্রভাব খাটিয়ে জমি দখল, মাদক ব্যবসার সাথে জড়িত থাকার গুরুত্বর অভিযোগ রয়েছে। খিলক্ষেত থানার জনৈক এস আই ভয়ে তার বিরুদ্ধে একটি জিডি দায়ের করেন। কারন কেরামত দেওয়ানকে মাদকাসক্ত অবস্থায় গ্রেফতার করেন। পাশাপাশি সাবেক যুগ্ম সম্পাদক আসলাম উদ্দীনকে সাধারন সম্পাদক ঘোষনা করায় এলাকায় বিরুপ প্রতিক্রিয়া দেখা দিয়েছে। শীর্ষ চাঁদাবাজ আসলাম সামান্য ওয়ার্ড দপ্তর সম্পাদক থেকে সাবেক কমিটির থানার যুগ্ম সম্পাদক পদ বাগীয়ে নেন। সভাইকে অবাক করে  সিনিয়র নেতাকে টপকে সাধারন সম্পাদক হয়ে যান। অনুসন্ধ্যানে জানা যায়, খিলক্ষেত সহ আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর ট্রামির্নাল এলাকায় বিএম ট্রান্সপোট এর নাম ব্যবহার করে চাঁদা বাজি করে যাচ্ছে। এই নিয়ে বিমান বন্দর থানায় একাধিক মামলা রয়েছে। তার আপন বড় ভাইয়ের ছেলে একটি হত্যা মামলার আসামী, বড় বোনের ছেলে ডি.এম নজরুল ৯৬ নং ওয়ার্ড বিএনপির সভাপতি, ছোট ভাই আমির উদ্দীন ব্যাপারী দিন দুপুরে যমুন সিটিতে মানুষ হত্যা করে। হত্যা মামলায় দীর্ঘদিন জেল খেটে সম্পত্তি জামিনে ছাড়া পায়। আসলামের আপন মামাত ভাই খিলক্ষেত এলাকার জামায়াতের প্রদান রুকন। বড় ভাগীনা ডি.এম নজরুল ৯৬ নং ওয়ার্ড বিএনপির সভাপতি থাকায় জোট সরকারের সময় খিলক্ষেতের অসংখ্য আওয়ামী নেতাকর্মী মিথ্যা মামলা ও জেল জুলুমের শিকার হলেও ভাগীনার সুবাধে আসলামকে একটি মামলার শিকারও হতে হয় নি। এই পরিবারের হাতে বাংলাদেশ আওয়ামীলীগ কিভাবে নিরাপদ থাকে। এই নিয়ে এলাকায় ব্যাপক চাঞ্চল্লের সৃষ্টি হয়েছে। একই চিত্র খিলক্ষেত থানাধীন ডুমনি ইউনিয়নের, মোমেন সভাপতি তার আপন ভাতিজা মুক্তার সাধারন সম্পাদক। মোমেনের বিরুদ্ধে ভূয়া আবাসন প্রকল্প দেখেয়ি শত শত মানুষের কোটি কোটি টাকা আত্মসাতের অভিযোগ রয়েছে। মুক্তার একাধিক নারী কেলেংকারীর সাথে জড়িত। এলাকার সাধারন নেতা কর্মীদের দাবি অবিলম্বে এই কমিটি বিলুপ্ত করে জামায়াত শিবির হতে দলে অনুপ্রবেশকারী ব্যক্তি বর্গের বিরুদ্ধে যথাযথ ব্যবস্থা গ্রহনের দাবি জানান।

Advertisement
Advertisement

মন্তব্য করুন

Please enter your comment!
Please enter your name here