কাষ্টমস’র এম. এল. এস. এস. (মাষ্টাররোল) কর্মচারীর নামে বেনামে কোটি কোটি টাকার সম্পদের উৎস কোথায়?

0
2099

নোয়াখালী প্রতিনিধিঃ
নোয়াখালী সদর উপজেলার ১১ নং নেওয়াজপুর ইউনিয়নের কৃষ্ণপুর গ্রামের ইয়াকুব শরীফ প্রকাশ মুন্সি, পিতা- মৃত ছাবের আহাম্মদ চৌধুরী, মাতা- আলহাজ্ব রিজিয়া বেগম, জন্ম তারিখ-০২/০২/১৯৮৩ ইং, জন্ম নিবন্ধন নং-৭৫১৮৭৭৫০২০৪৮৪, চট্টগ্রাম কাষ্টমের একজন অস্থায়ী এম. এল. এস.এস. পদে চাকুরীতে নিয়োজিত। এম.এল.এস.এস.পদে চাকুরী করে সে কোটি কোটি টাকার সম্পদ খরিদ করে নিজেকে কোটিপতির তালিকায় এনে এলাকার মানুষের সাথে তুচ্ছতাচ্ছিল্য আচরণ করছে। সূত্র মতে জানা যায়, এই মুন্সি এক সময়ে গ্রামে দিন মজুরের কাজ করতো। বর্তমানে সে নেওয়াজপুরের মাছিমপুর, কৃষ্ণপুর, জাহানাবাদ, উত্তর মাছিমপুর, দক্ষিন মাছুমপুর, সাহাপুর, দেবিপুর, মৌজায় ও ধান সিঁড়ি ইউনিয়নে বিভিন্ন মৌজায় ১১ একর সম্পত্তি ছাড়া ও নোয়াখালী পৌর ব্যবসায়ী ও দোকান মালিক কল্যান সমবায় সমিতি লিঃ এর মাধ্যমে ৩টি দোকানের রুম বন্দোবস্ত নেন। যাহা ইয়াকুব শরীফ, পিতা-মৃত সাবের আহমদ, কৃষ্ণপুর, জান্নাতুল ফেরদাউস, পিতা-মৃত সাবের আহমদ, ইমাম উদ্দিন, পিতা-মৃত সাবের আহমদ, কৃষ্ণপুর নামে বন্দোবস্ত নেন। সচেতন মহলের দাবী এই ৩-৪ বছরে ইয়াকুব শরীফ ও তার পরিবার এতো কোটি টাকার মালিক কিভাবে হলো! একজন কাষ্টমের এম.এল.এস.এস.এর বেতন কতো ? বা তার আয়ের উৎস কি ? দুর্নীতি দমন ব্যুরোর মাধ্যমে তদন্ত করে আইনের আওতায় আনার জন্য জনগন দাবী জানাচ্ছে। উল্লেখ্য এই ইয়াকুব শরীফ জমি জমা খরিদ করার সময় ও সরকারী রাজস্ব ফাঁকি দেওয়ার যথেষ্ট প্রমাণ আছে। গত ০৪-০২-২০১৫ তারিখে ১০৩ নং পূর্বদেবীপুর মৌজায় সাবেক ১০ নং হালে ১১ নং নেওয়াজপুরে ৩৩ শতাংশ জমি ৫০ লক্ষ টাকা দামে খরিদ করে ও মৌজা রেটে ২২ লক্ষ ৫ হাজার টাকা রেজিষ্ট্রি বাবদ দেখান।

Advertisement
Advertisement

মন্তব্য করুন

Please enter your comment!
Please enter your name here